কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১০:৪২ এএম
আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১০:৪৭ এএম
অনলাইন সংস্করণ

ইসরায়েলি জিম্মি ও ফিলিস্তিনি বন্দি মুক্তির সংখ্যা কত?

মুক্তি পাওয়া ফিলিস্তিনিরা। ছবি: সংগৃহীত
মুক্তি পাওয়া ফিলিস্তিনিরা। ছবি: সংগৃহীত

গাজার যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় হামাস ও ইসরায়েল জিম্মি ও বন্দি বিনিময়ের প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে। এই বিনিময়ের অংশ হিসেবে পাঁচ দফায় ইসরায়েলি জিম্মিদের সংখ্যা বেড়ে ১৮ জন হয়েছে। অন্যদিকে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মধ্যে ৫৫০ জন মুক্তি পেয়েছেন। মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দিরা অধিকৃত পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম ও গাজায় ফিরে গেছেন। খবর আল জাজিরার।

যুদ্ধবিরতির চুক্তির মধ্যে একাধিক পর্যায়ের আলোচনা চলছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনা, গাজা দখল ও ফিলিস্তিনিদের স্থানান্তরের বিষয়ে কিছু অস্থিরতা তৈরি করেছে। এর ফলে দ্বিতীয় পর্যায়ের যুদ্ধবিরতির আলোচনা এখন সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে।

১৯ জানুয়ারি থেকে চলমান চুক্তির আওতায় বন্দি-জিম্মি বিনিময়ের পঞ্চম দফা শেষ হলো। মুক্তি পাওয়া বন্দিদের নিরাপত্তা ও সতর্কতার সঙ্গে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আর কিছু বন্দি চিকিৎসা সেবার জন্য মিশরে পাঠানো হবে। মুক্তি পাওয়া ফিলিস্তিনিদের মধ্যে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ হামাসকর্মী রয়েছেন।

গাজার পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে অনেক কিছুই অনিশ্চিত। বিশেষ করে ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গাজায় 'জাতিগত নিধন' বা ফিলিস্তিনিদের জোর করে স্থানান্তরের পরিকল্পনার কারণে। এতে হামাস আরও কঠোর অবস্থানে যেতে পারে। ফলে যুদ্ধের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

বর্তমানে চুক্তির দ্বিতীয় পর্যায়ের বাস্তবায়ন নিয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি। যদি এটি সফল না হয়, তাহলে ইসরায়েল আবারও গাজায় হামলা চালাতে পারে। এর ফলে গাজার মানুষ আরও বড় বিপদের সম্মুখীন হতে পারে। এরইমধ্যে এ যুদ্ধে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

২৪-০ গোলে জিতল ঋতুপর্ণারা

ডাকসু নেতার ‘কোটা না সংস্কার’ স্লোগানের বিপরীতে শিক্ষার্থীদের ‘ইউরেনিয়াম, ইউরেনিয়াম’

বাংলাদেশের প্রস্তাবে সাড়া দিল না আয়ারল্যান্ড

জামালপুরের একমাত্র নারী প্রার্থী পূথির মনোনয়ন বৈধ

বিএনপি জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিশ্বাস করে : শামা ওবায়েদ

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তির সমন্বিত কাজ অপরিহার্য : উপদেষ্টা ফরিদা

খোলা জায়গায় প্রস্রাব করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : সেলিমুজ্জামান

এমপি প্রার্থীর কর্মীকে হত্যা, মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ

প্রাণ গেল নারী-শিশুসহ ৩ জনের

১০

ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে এএজিইউবি’র সংবর্ধনা, এজিম ও সেমিনার অনুষ্ঠিত

১১

রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের সেলস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

১২

একুশ শতাব্দীতে যে কীর্তিতে দ্বিতীয় দ্রুততম এমবাপ্পে

১৩

মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর

১৪

খালেদা জিয়ার কফিন বহনের সুযোগ পেয়ে যাদের কৃতজ্ঞতা জানালেন রাষ্ট্রদূত মুশফিক

১৫

ডার্বিতে সিটিকে গুঁড়িয়ে দিল ইউনাইটেড! 

১৬

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ জনের

১৭

দুর্দান্ত শুরুর পরও জিততে পারল না বাংলাদেশ

১৮

থানায় আগুন, পুড়ল সাংবাদিকের মোটরসাইকেল

১৯

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে নীতিগত সমন্বয় ও সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান 

২০
X