কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১০:৫০ এএম
অনলাইন সংস্করণ

ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে ফের ইসরায়েলি ধরপাকড়

ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি অভিযান। ছবি : সংগৃহীত
ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি অভিযান। ছবি : সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে নতুন করে অভিযান চালিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। এ সময় এলাকা ঘেরাও করে কমপক্ষে ২৫ জন ফিলিস্তিনিকে আটক করে তারা। চলতি মাসে এর আগেও ইসরায়েলি বাহিনী এ ধরনের গণগ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনা করেছিল। সোমবার বন্দিবিষয়ক গোষ্ঠীগুলো আনাদোলু এজেন্সিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বন্দিবিষয়ক কমিশন এবং ফিলিস্তিনি প্রিজনার সোসাইটি এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, হেবরন এবং রামাল্লাহর বেশ কয়েকটি এলাকায় অভিযান চালায় দখলদার বাহিনী। আটকদের মধ্যে অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং প্রাক্তন বন্দিরাও আছেন। ২১ জানুয়ারি থেকে উত্তর-পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সামরিক অভিযানে কমপক্ষে ৫৫ জন নিহত এবং হাজার হাজার লোক বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এই গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটল।

বিবৃতি অনুসারে, গত মাস থেকে এ পর্যন্ত জেনিনে কমপক্ষে ১৬০ জন এবং উত্তর পশ্চিম তীরের তুলকারেমে ১৩০ জন ফিলিস্তিনিকে ইসরায়েলি বাহিনী গ্রেপ্তার করেছে। নতুন গ্রেপ্তারের ফলে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী কর্তৃক আটক ফিলিস্তিনির সংখ্যা ১৪,৫০০-এরও বেশি ছাড়াল। আটকদের মধ্যে ইসরায়েলি কারাগার থেকে ছাড়া পাওয়া ব্যক্তিরাও রয়েছেন।

এ তালিকায় গাজা থেকে আটকদের সংখ্যা অন্তর্ভুক্ত নয়। গাজার ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে প্রতিদিনই নতুন লাশ পাওয়া যাচ্ছে। ১৬ ফেব্রুয়ারি আরও ছয়জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ পর্যন্ত নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা ৪৮,২৭১ জনে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

অপরদিকে ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে প্রায় এক হাজার নতুন অবৈধ বসতি নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে ইসরায়েল। বেথলেহেমের দক্ষিণে অবস্থিত কৌশলগত এলাকা ইফ্রাত বসতিতে এই নতুন আবাসন ইউনিটগুলো নির্মাণের জন্য একটি দরপত্র জারি করেছে নেতানিয়াহু প্রশাসন।

জানা গেছে, ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ পশ্চিম তীরে ৯৭৪টি নতুন আবাসন নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। ইসরায়েলি ওয়াচডগ ‘পিস নাউ’-এর তথ্য অনুযায়ী, এসব আবাসন ইউনিট নির্মাণের ফলে ওই অঞ্চলের বাসিন্দাদের সংখ্যা প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঘটনাপ্রবাহ: ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাদকবিরোধী অভিযানের সময় হ্যান্ডকাপ পরা মাদক ব্যবসায়ীকে ছিনতাই

ভোটের আগে ও পরে সরকারের কথায় মিল পাচ্ছি না : মজিবুর রহমান মঞ্জু

আড়াইহাজারে ডাকাতের হামলায় এসিল্যান্ডসহ আহত ৬

বাংলাদেশি ব্রাজিল প্রেমীদের সাড়া দিলেন নেইমার

শেষ মুহূর্তের গোলে নকআউট পর্বে জার্মানি

এনসিপির এমপিদের ৬ জনই শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিল : আব্দুল্লাহ হিল বাকী

অবশেষে ১-১ গোলে সমতায় ফিরল জার্মানি

অফসাইড নয়, যে কারণে বাতিল হলো জার্মানির গোল

স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে দুঃসংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার নিলেন ফুলবাড়িয়ার মিতুল

১০

প্রথমার্ধে জার্মানির বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে আইভোরি কোস্ট

১১

বিশ্বকাপে পরের ম্যাচেই যে ৩ রেকর্ড ভাঙতে পারেন মেসি

১২

৬৮ বছর পর যে রেকর্ড দেখল ২০২৬ বিশ্বকাপ

১৩

ছাত্রশক্তিকে শিবিরশক্তিতে রূপান্তরের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু : আব্দুল কাদের

১৪

নজর কাড়ছেন নেইমার সঙ্গী ব্রুনা বিয়ানকার্দি

১৫

মুখ ঢেকে কথা বলার খেসারত, দেখলেন বিশ্বকাপে প্রথমবার লাল কার্ড

১৬

৭২ বছরেও অক্ষত বিশ্বকাপের যে রেকর্ড

১৭

সুইডেনকে উড়িয়ে গ্রুপের শীর্ষে নেদারল্যান্ডস

১৮

হরমুজ বন্ধের ঘোষণায় লেবাননে হামলা বন্ধের নির্দেশ নেতানিয়াহুর

১৯

তিনটি ইউনিয়নেরই নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

২০
X