কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১২ এপ্রিল ২০২৫, ১০:৩৪ এএম
অনলাইন সংস্করণ

গাদ্দাফির মতো পরিণতি হতে পারে খামেনির, হুঁশিয়ারি কট্টরপন্থিদের

গাদ্দাফি ও খামেনি। ছবি : সংগৃহীত
গাদ্দাফি ও খামেনি। ছবি : সংগৃহীত

লিবিয়ার প্রয়াত নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির মতোই পরিণতি হতে পারে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির। এই শঙ্কা ঘিরে ধরেছে ইরানের অ্যাক্টিভিস্টদের। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনায় বসতে রাজি হওয়ায় ফুঁসছেন তারা।

অ্যাক্টিভিস্টদের ভয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ট্র্যাপে পড়েছেন খামেনি। যুক্তরাষ্ট্রের ফাঁদে পা দিয়েই ক্ষমতা আর প্রাণ দুটোই হারাতে হয়েছিল গাদ্দাফিকে। তাই খামেনির কপালেও ঘটতে পারে এমন কিছু। ইরান ইন্টারন্যাশনাল দেশটির কট্টরপন্থিদের বরাতে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

ইরানের চৌকস সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তার অভাব এখনও পূরণ করতে পারেনি ইরান। এখন ট্রাম্পের চাপাচাপি আর হুমকির মুখে শেষ পর্যন্ত নতি স্বীকার করেছেন খামেনি। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনায় রাজি হয়েছেন। তবে এ নিয়ে দেশটির ভেতরেই চাপে পড়েছেন খামেনি। সোলাইমানি ও ৫০ হাজার ফিলিস্তিনিকে হত্যাকারীদের সঙ্গে আলোচনা দেখতে চায় না ইরানি কট্টরপন্থি অ্যাক্টিভিস্টরা।

এর কারণ হিসেবে তারা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কথা শুনেই বিপদে পড়েছিলেন গাদ্দাফি। প্রথমে গণবিধ্বংসী অস্ত্র ত্যাগ করেছিল তারপরই সব হারাতে হয়েছিল তাকে। ২০০৩ সালে গাদ্দাফি নিজের অবস্থান থেকে সরে আসার পরই ২০১১ সালে তার সরকারের পতন ঘটে। বিদ্রোহীদের হাতে ধরা পড়ার পর তাকে নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডের শিকারও হতে হয়। এখন সমৃদ্ধশালী লিবিয়ায় বছরের পর বছর চলছে গৃহযুদ্ধ।

ওমানের রাজধানী মাসকাটে শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তারা আলোচনায় বসবেন। ওই আলোচনার কিছু দিন আগে থেকেই একটি বিষয়ে ঢেউ তোলার চেষ্টা করছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও প্রভাবশালী মার্কিন সিনেটর টম কটন। তারা চাইছেন, লিবিয়ার মতোই গণবিধ্বংসী অস্ত্র প্রত্যাহার করুক তেহরান। এখন সেই কথাই খামেনিকে বোঝানোর চেষ্টা করছে তার কট্টরপন্থি সমর্থকরা। কেননা খামেনির সম্মতি ছাড়া এই আলোচনা হওয়ার কথা নয়।

দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় বসেই ট্রাম্প ইরানকে হুমকি আর চাপ দিয়ে যাচ্ছেন। শুরুতে নানা টালবাহানা করলেও ইরান এখন সুর নরম করেছে। তেহরান জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি। তবে সরাসরি নয় তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে পরোক্ষ আলোচনা চালাবে তারা। যদিও কেন ওয়াশিংটনের পরোক্ষ আলোচনায় বসছে তেহরান, তা নিয়ে সদুত্তর দিতে পারেনি ইরানের কর্মকর্তারা। কিন্তু বিশ্লেষকদের বিশ্বাস, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি অবিশ্বাস থেকেই হয়তো এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইডেনের মান্যবর রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

পাথরবোঝাই ট্রাক খাদে উল্টে চালক-সহকারী নিহত

ব্রাজিল-হাইতি ম্যাচে স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের পতাকা

বড় ধরনের রুশ হামলার আশঙ্কা, সতর্ক থাকার আহ্বান জেলেনস্কির

১৪৮৫ জনকে নিয়োগ দেবে সমাজসেবা অধিদপ্তর, আবেদন করুন এখনই

স্টেশন মাস্টারের ওপর হামলা, ব্রাজিল সমর্থক আটক

নিজের মতো চলছে ইসরায়েল, ট্রাম্প কি নেতানিয়াহুকে সামলাতে পারবেন

ইবনে সিনায় চাকরির সুযোগ, দ্রুত আবেদন করুন

৫০০ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল

১০

ডিগ্রি নয়, মানুষ হওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্য: সাঈদ আল নোমান

১১

জাপানের গোল উৎসবে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল তিউনিসিয়া

১২

মাঠে নামছে ৩২ বিশ্ববিদ্যালয় / ২৮ জুন শুরু হচ্ছে ‘আমা কফি ক্যাম্পাস ফুটসাল’

১৩

এইচএসসি পরীক্ষা ইস্যুতে কেন্দ্রসচিবদের নিয়ে বসছেন শিক্ষামন্ত্রী

১৪

সৌদিতে এক সপ্তাহে গ্রেপ্তার ১৫ হাজার

১৫

বেফাঁস মন্তব্যের জেরে কেএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারকে প্রত্যাহার

১৬

ইসলামে পিতার সম্মান

১৭

সন্তানের ঐতিহাসিক পারফরম্যান্স দেখতে অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রে ভোজেনিয়ার মা

১৮

ইরানের তেল খাতই হবে চুক্তির সবচেয়ে বড় পরীক্ষা

১৯

বাবা নেই তবু, প্রতিদিনই আছেন

২০
X