কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:০০ এএম
আপডেট : ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:০৪ এএম
অনলাইন সংস্করণ

বৃষ্টি ও শীতে দুর্ভোগে ফিলিস্তিনিরা

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

টানা বৃষ্টি, ঠান্ডা বাতাস ও শীতল আবহাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন গাজার হাজারো বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি। ইসরায়েলি হামলায় ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় তারা তাঁবু ও অস্থায়ী আশ্রয়ে বসবাস করছেন। ভারী বৃষ্টিতে এসব তাঁবু পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে, অনেক জায়গায় ভেঙেও পড়ছে।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) গাজায় শক্তিশালী শীতকালীন নিম্নচাপের প্রভাবে ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যায়। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, এটি চলতি শীতে গাজায় আঘাত হানা তৃতীয় নিম্নচাপ। আগামী সোমবার আরও একটি শক্তিশালী নিম্নচাপ আসতে পারে, যা পূর্ণাঙ্গ ঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গাজা সিটির বাসিন্দা ও বাস্তুচ্যুত মোহাম্মদ মাসলাহ বলেন, আমার থাকার মতো আর কোনো জায়গা নেই। কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতেই তাঁবু ভিজে গেছে, আমরা সবাই পানিতে ভিজে গেছি।

দেইর আল-বালাহ এলাকায় থাকা চার সন্তানের জননী শাইমা ওয়াদি জানান, প্রায় দুই বছর ধরে তারা টেন্টে বসবাস করছেন। বৃষ্টি হলেই টেন্ট ভেঙে পড়ে। অর্থের অভাবে শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় কাপড় বা বিছানাও কিনতে পারছেন না।

এ মাসেই ভারী বৃষ্টিতে গাজার বিভিন্ন এলাকায় টেন্ট ও অস্থায়ী আশ্রয়স্থল প্লাবিত হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ডিসেম্বরে এখন পর্যন্ত ঠান্ডাজনিত কারণে অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে তিনটি নবজাতকও রয়েছে।

গাজার সিভিল ডিফেন্সের এক কর্মকর্তা জানান, বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত টেন্টগুলো প্লাস্টিক দিয়ে ঢেকে দেওয়ার চেষ্টা করছে উদ্ধারকর্মীরা। তবে প্রয়োজনের তুলনায় সহায়তা খুবই কম।

আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলো গাজায় আরও বেশি আশ্রয় সামগ্রী ও মানবিক সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দিতে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

এদিকে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও পরিস্থিতি এখনও নাজুক। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির পরও শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপ থেকে নিয়মিত মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে।

কালবেলা/পিআর
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দিল্লির আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সংহতি

টেকনাফে অনুপ্রবেশ, মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর ৩ সদস্য আটক

জামায়াত এমপির ভিডিওকাণ্ডে এবার আরেক নেত্রীর যোগসূত্র 

খেলতে বের হয় ২ বোন, পুকুরে মিলল মরদেহ

আফগানিস্তানে আকস্মিক বন্যায় নিহত ২০, নিখোঁজ শতাধিক

হোটেলকক্ষে গোপন ক্যামেরা? মোবাইল দিয়ে শনাক্ত করবেন যেভাবে

অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেশন প্রতিষ্ঠার ১২৫ বছরপূর্তি / তরুণ নেতৃত্বে গুরুত্ব ও নাগরিক শিক্ষা জোরদারের আহ্বান

ইরানের সাম্প্রতিক হামলায় মার্কিন সেনা হতাহতের সংখ্যা জানাল পেন্টাগন

সেই জামায়াত এমপির দ্বিতীয় বিয়ের তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি

জুলাই আন্দোলনে শহীদ মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ‘পূর্ণাঙ্গ তালিকা’ প্রকাশ করল সাআস

১০

যুক্তরাজ্যে বেকারত্ব বেড়ে ৪.৯ শতাংশ

১১

চট্টগ্রামে স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর যাবজ্জীবন

১২

মধ্যপ্রাচ্যে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়াতে নাগরিকদের পরামর্শ মালদোভার

১৩

সিলিমপুর আবাসিক এলাকা এড়িয়ে সড়ক নির্মাণের পরামর্শ সিডিএর

১৪

নতুন হামলায় মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংস

১৫

৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, অভিযুক্ত আটক

১৬

৬ দশকের পুরোনো ঈদগাহ দখলে নিলেন প্রভাবশালী

১৭

‘মোড়কের পেছনে লুকোচুরি বন্ধ হোক, সামনে আসুক সত্য’

১৮

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ানোর আগ্রহ নেই ইসরায়েলের: স্মোট্রিচ

১৯

ইউনিফর্ম পরে আ.লীগের মনোনয়ন জমা: অতিরিক্ত ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসর

২০
X