কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:৩৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

বিক্ষোভে উত্তাল ইসরায়েল

ইসরায়েলের বিক্ষোভ। ছবি : সংগৃহীত
ইসরায়েলের বিক্ষোভ। ছবি : সংগৃহীত

বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে ইসরায়েল। দেশটিতে হাজার হাজার মানুষ এ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। তারা গাজায় নিহত শেষ ইসরায়েলি জিম্মি রান গিভিলির দেহাবশেষ দ্রুত ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামীদের সংগঠন হামাসের নেতৃত্বে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার ব্যর্থতা তদন্তে একটি রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠনের দাবিও জানানো হয়েছে।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গিভিলি পরিবারের নিজ শহর মেইতারে একটি বিদ্যালয়ে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় তার বাবা-মা ইৎজিক ও তালিক গিভিলি এক যৌথ বিবৃতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সমালোচনা করেন। তাদের অভিযোগ, গাজায় যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে অগ্রসর হওয়া ও যুদ্ধোত্তর গাজা ব্যবস্থাপনায় ‘বোর্ড অব পিস’ গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু চুক্তির প্রথম ধাপেই হামাসের সব জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার কথা ছিল।

বিবৃতিতে তারা বলেন, আমরা যখন আমাদের ছেলের ফেরার অপেক্ষায় আছি, তখনই দ্বিতীয় ধাপের জন্য একটি শান্তি বোর্ড গড়া হচ্ছে। দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে ভাবারই বা সময় কীভাবে আসে? কোন শান্তির কথা বলা হচ্ছে, যখন ইসরায়েলে ও মধ্যস্ততাকারীদের প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও তারা চুক্তি অনুযায়ী আমাদের ছেলেকে ফেরত দিচ্ছে না?

মেইতারের সমাবেশে ইৎজিক গিভিলি বলেন, ৭ অক্টোবর এবং তার সারা জীবনজুড়ে রান সব বিভাজনের ঊর্ধ্বে মানুষকে একত্র করেছে। আজ ডান-বাম নির্বিশেষে সবাই এখানে একসঙ্গে দাঁড়িয়েছে। এটাই রানের পরিচয় এবং সে যে দেশের স্বপ্ন দেখেছিল তার প্রতিচ্ছবি। যত্ন, সংযোগ ও ভালোবাসার ওপর দাঁড়ানো একটি দেশ।

এদিকে, তেল আবিবের হাবিমা স্কয়ারে সাপ্তাহিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভে হাজারো মানুষ জড়ো হন। বিক্ষোভকারীরা ৭ অক্টোবরের ঘটনার বিষয়ে রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠনে সরকারের অস্বীকৃতির প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে বিচারব্যবস্থাকে দুর্বল করার অভিযোগে সরকারের বিচারিক সংস্কার এজেন্ডার বিরুদ্ধেও স্লোগান ওঠে।

সমাবেশে সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও আইডিএফ প্রধান মোশে ইয়ালোন সরকারকে ইরানের কর্তৃত্ববাদী শাসনের সঙ্গে তুলনা করেন। তিনি বলেন, ইসরায়েলের সামনে কোনো বাহ্যিক অস্তিত্ব সংকট নেই; সংকটটি অভ্যন্তরীণ। ধর্মান্ধ, দুর্নীতিগ্রস্ত ও সেনাসেবায় অনাগ্রহী এই সরকারই ৭ অক্টোবরের হত্যাযজ্ঞ ডেকে এনেছে এবং রাষ্ট্রের অস্তিত্বকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।

কালবেলা/এমএ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কমছে বাংলাদেশি পাসপোর্টের সক্ষমতা, ভিসা সুবিধায় অনেক এগিয়ে উগান্ডা

ইস্তাম্বুলের অলিগলিতে আধুনিকতার ছোঁয়া: মেট্রো পাল্টে দিয়েছে শহরের চিত্র

আর্জেন্টিনাকে স্পেনের হারানোর ম্যাচটি দেখেছেন ৬৩ মিলিয়ন মানুষ

গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকবে কি না, ব্যাখ্যা দিলেন শিশির মনির

জামায়াতের যুদ্ধাপরাধের বিষয়টি বহুল আলোচিত ও সুপ্রতিষ্ঠিত: চরমোনাই পীর  

আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

শিশু ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

মোটরসাইকেল-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে পরীক্ষার্থী নিহত

রজার্সকে কিনতে ট্রান্সফার ফির যে রেকর্ড ভাঙল চেলসি

ইরানের ৪ ড্রোন ভূপাতিত করল জর্ডান

১০

মাদ্রাসাছাত্রকে রড দিয়ে পিটিয়ে নির্যাতন, শিক্ষক আটক

১১

বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের কণ্ঠ খুঁজছে ‘ভয়েস অব বাংলাদেশ’

১২

জাবি মেডিকেলে ওষুধ কারচুপি ও অব্যবস্থাপনার তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন

১৩

পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রকে শক্তিশালী জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

১৪

চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা, মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইল চিটাগং চেম্বার

১৫

বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের

১৬

দুই মাসের মধ্যে মহাসড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ হবে: হাইওয়ে পুলিশপ্রধান

১৭

এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকার আশ্চর্যজনক ৪ উপকারিতা

১৮

এমপি পদ হারানো নিয়ে কী বলছে সংবিধান?

১৯

বরিশালের গল্পে জামিল-মুনমুনের নাটক ‘আজব শহর’

২০
X