কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২১ জানুয়ারি ২০২৪, ১০:৫৬ এএম
আপডেট : ২১ জানুয়ারি ২০২৪, ১০:৫৮ এএম
অনলাইন সংস্করণ

১৯ ফিলিস্তিনির তড়িঘড়ি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অভিযোগ

গাজায় ইসরায়েলি সেনারা। ছবি : সংগৃহীত
গাজায় ইসরায়েলি সেনারা। ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে অবরুদ্ধ গাজা সিটিতে অন্তত ১৯ বেসামরিক ফিলিস্তিনি নাগরিককে তড়িঘড়ি করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার অভিযোগ উঠেছে। গত ডিসেম্বরে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। শনিবার (২০ জানুয়ারি) এসব ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যপ্রমাণের ওপর ভিত্তি করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আলজাজিরা।

ইসরায়েলি বাহিনীর তড়িঘড়ি করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করা শুরু করেছে মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো। গত ১৯ ডিসেম্বর সংগঠিত এই ধরনের একটি ঘটনার ভিডিও ফুটেজ আলজাজিরার হাতে এসেছে। এ ছাড়া সংবাদমাধ্যমটি ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলেছে।

ইসরায়েলি বাহিনীর তড়িঘড়ি মৃত্যুদণ্ডে প্রাণ হারিয়েছেন উম্মে ওদাই সালেমের স্বামী। তিনি বলেন, দিনের পর দিন ইসরায়েলি ট্যাংক ও বুলডোজার আমাদের ভবন ঘিরে রাখে। বেশ কয়েকদিন ভবন নিশানা করে গুলি ছুড়তে থাকে। দিন দিন পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠে।

ফিলিস্তিনি এই নারী বলেন, ইসরায়েলি সেনারা ভবনটিতে হামলা চালায়। তারা আমাদের দরজায় আঘাত করে। আমার স্বামী তাদের বলেছেন যে আমরা সবাই বেসামরিক নাগরিক। এরপর তারা তাকে অন্য অ্যাপার্টমেন্টে নিয়ে যায়। আমি তাদের পেছন পেছন যায়। তাদের কাছে অনুরোধ করেছিলাম যে তাকে ছেড়ে দিতে। কারণ আমরা সবাই বেসামরিক নাগরিক।

তিনি বলেন, তারা আমাকে ও আমার মেয়েদের মারধর করেছে। তারা আমাদের সব নারীকে এক জায়গায় করে বন্দুক ও ছুরি দেখিয়ে হুমকি দিয়েছে। তারা আমাদের কাপড়-চোপড় খুলে ফেলতে বাধ্য করে। এরপর আমাদের তল্লাশি করে এবং ভয়ংকর সব শব্দ ব্যবহার করে আমাদের অপমান করেছে।

ইসরায়েলি সেনারা তাদের সবার আবেদন-নিবেদন উপেক্ষা করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে সব ফিলিস্তিনি পুরুষকে বাইরে জড়ো করেন। উম্মে ওদাই সালেম বলেন, ওই ভবনে নিহত ১৯ জনের একজন আমার স্বামী। তারা তাদের নিচু করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার নির্দেশ দেয়। ওরা সবাইকে হত্যা করেছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঘটনাপ্রবাহ: ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপজেলা আ.লীগের সভাপতিসহ ১১ নেতাকর্মী কারাগারে

বিদেশি পর্যটককে হয়রানি, কনটেন্ট ক্রিয়েটর আটক

আর্জেন্টিনা-অস্ট্রিয়া ম্যাচ কখন? মোবাইলে দেখবেন যেভাবে

ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের মিছিলের প্রস্তুতি, গ্রেপ্তার ১০

টানা ৪৫ দিন কলা খেলে শরীরে দেখা দিতে পারে যেসব পরিবর্তন

রোনালদো ‘ভক্ত’ হয়ে মেসিকে আটকাবেন আজ!

ইরানের যে সিদ্ধান্তে নিজেদের বিজয় দেখছেন জেডি ভ্যান্স

সংসদে তথ্যমন্ত্রী / বিটিভির আয় ৮ কোটি, ব্যয় ২৫৪ কোটি টাকা

নিখোঁজের ৬ দিন পর স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

অতি উৎসাহী হয়ে অনেকে অনেক কথা বলে, চৈতালীর সেই বক্তব্য প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১০

রাতে মুক্তিপণ দাবি, সকালে মিলল সেঁজুতির লাশ

১১

জঙ্গল সলিমপুরে র‍্যাব সদস্যকে হত্যায় আরও এক আসামি গ্রেপ্তার

১২

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে আর্জেন্টিনা

১৩

প্রবাসী মামা-শ্বশুরকে নিয়ে ফেরার পথে প্রাণ গেল আব্দুল্লাহর

১৪

ফটোশুট নয়, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে কূটনৈতিক অগ্রগতি

১৫

প্রবীণদের সুরক্ষায় সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ আইনমন্ত্রীর

১৬

আরমান-মুক্তির মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বাপ্পারাজ

১৭

বেলজিয়ামের বিপক্ষে মানবপ্রাচীর আলিরেজার জীবনের ৫ চমকপ্রদ তথ্য

১৮

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পূজা উদযাপন পরিষদ নেতাদের সাক্ষাৎ

১৯

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ধরিয়ে দিলে পুরস্কার ঘোষণা

২০
X