বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:৩১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

পাকিস্তানে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বেড়ে ২১

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান। ছবি : সংগৃহীত
আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান। ছবি : সংগৃহীত

পাকিস্তানের বন্দরনগরী করাচির একটি শপিংমলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২১ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া এখনো বহু মানুষ নিখোঁজ থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ডন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাতে করাচির এম এ জিন্নাহ রোডে অবস্থিত বহুতল গুল প্লাজা শপিং সেন্টারে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রায় ২৪ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন দমকল বাহিনীর সদস্যরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ভবনের ভেতরে ধ্বংসাবশেষ থেকে এখনো ধোঁয়া ও আগুনের শিখা বের হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবনের বেশ কিছু অংশ এখনো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

সিন্ধু প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মুয়াজ আলি শাহ এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণের পর উদ্ধারকর্মীরা ভবনের তিনটি ভিন্ন প্রবেশপথ ব্যবহার করে ভেতরে প্রবেশ করছেন। মরদেহ উদ্ধার এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ২১টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং প্রায় ৬৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এতে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, একজন মানুষের জীবনকে অর্থমূল্যে পরিমাপ করা যায় না। তবে সরকার প্রতিটি নিহত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য ১ কোটি পাকিস্তানি রুপি ক্ষতিপূরণ দেবে। আগামীকাল থেকেই এই সহায়তা দেওয়া শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার সময় শপিংমলে বিপুলসংখ্যক ব্যবসায়ী ও ক্রেতা উপস্থিত ছিলেন। অনেকে আগুন লাগার আগেই নিরাপদে বেরিয়ে যেতে সক্ষম হলেও নিখোঁজদের স্বজনরা এখনো উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন। এরই মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলো পুনর্বাসনের আশ্বাস দিয়েছেন। এ লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা নতুন করে দোকান বরাদ্দ এবং ভবনের পুনর্নির্মাণ বিষয়ে সুপারিশ করবে।

কালবেলা/এমএ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীকে মারধর, দুই ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার

ডিমলায় বাড়ছে অনলাইন জুয়ার বিস্তার, উদ্বেগে অভিভাবক ও সচেতন মহল

বিকেলে বাবার দাফন, রাতে এটিএম বুথে ডিউটি, সকালে এইচএসসি পরীক্ষা

জুলাই শহীদদের স্মরণে ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে ছাত্রদলের দোয়া ও মিলাদ বুধবার

বিয়ে নিয়ে শুভঙ্করের ফাঁকি, জামায়াত এমপির গোমর ফাঁস করলেন কাজী  

থাইল্যান্ডে আন্তঃদেশীয় অপরাধ সম্মেলন শেষ, কর্মব্যস্ত সময় কাটালেন আইজিপি

রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা

আরএফএল কর্মীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার, সহকর্মী পলাতক

অবৈধ পথে ইতালি যাওয়ার চেষ্টা, হাঙ্গেরিতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

নতুন বাংলাদেশ গড়তে এনসিপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: হাসনাত আব্দুল্লাহ

১০

‘রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে’

১১

বিশ্বকাপ ফাইনালের মারামারিতে যে শাস্তি পেতে পারেন আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়রা

১২

হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়তে চান সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট, দাবি ট্রাম্পের

১৩

হুতিদের হুমকির মুখে লোহিত সাগর থেকে ফিরে গেল ২ সৌদি জাহাজ

১৪

চুক্তি আগস্টে / এবার এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনছে সরকার

১৫

উন্নয়ন কোনো দলের নয়, জনগণের অধিকার: মান্নান

১৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যাদের প্রার্থী হতে সুযোগ দেবে না ইসি

১৭

কুয়াকাটায় বসতবাড়ি থেকে পদ্ম গোখরা উদ্ধার

১৮

ইরানে হামলা না চালালে আজ ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না: ট্রাম্প

১৯

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশনের খাদ্য সহায়তা

২০
X