

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলার পর প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সস্ত্রীক আটক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ ঘটনার পর কারাকাসের রাস্তায় এখন অনিশ্চয়তা এবং উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এখন বিশ্বের নজর থাকবে, ভেনেজুয়েলাকে এরপর কে পরিচালনা করবে?
প্রশ্নের উত্তরে নজর রাখতে হবে তিনজনের দিকে—দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেস, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়োসদাদো কাবেয়ো ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভ্লাদিমির পাদ্রিনো।
ধারণা করা হচ্ছে, তারাই নেতৃত্বে আসতে পারেন।
তবে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, বর্তমানে নরওয়েতে অবস্থানরত মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে ভেনেজুয়েলার নেতৃত্বে সমর্থন দেওয়া হবে কি না—এ বিষয়ে তার প্রশাসন ভাবছে। তিনি বলেন, আমাদের এখনই এটা দেখতে হবে।
ট্রাম্প বলেন, ভেনেজুয়েলার একজন ভাইস প্রেসিডেন্ট আছে, এটা আপনারা জানেন। কিন্তু কী ধরনের নির্বাচন হয়েছিল, আমি জানি না। তবে মাদুরোর নির্বাচন ছিল একেবারেই লজ্জাজনক।
পাদ্রিনো ও কাবেয়ো দুজনই সেনাবাহিনীর ভেতরে ব্যাপক প্রভাবশালী। তাই বাহিনী যেকোনো একজনের প্রতিই অনুগত থাকতে পারে। এ ক্ষেত্রে ক্ষমতার লাগাম কার হাতে যাবে, তা নির্ধারণে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা হবে কেন্দ্রীয়।
অন্যদিকে রদ্রিগেসের হাতে বেসামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা বেশি। তবে কাবেয়ো ও পাদ্রিনোর মতো সেনাবাহিনীর ওপর তার একই ধরনের প্রভাব নেই।
যদিও নেতৃত্বের ক্ষেত্রে আরেকটি বড় অনিশ্চয়তা হলো বিরোধী শিবির। যার নেতৃত্বে আছেন সদ্য নোবেল শান্তি পুরস্কার জয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো।
২০২৪ সালের জুলাইয়ের নির্বাচনে জয় দাবি করেছিল বিরোধীরা। বর্তমানে প্রকৃত রাজনৈতিক পরিবর্তনের দিকে ঝুঁকেছে। এ ক্ষেত্রে শুধু মাদুরোকে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ থেকে সরানোতেই তারা সন্তুষ্ট নাও হতে পারে।
এদিকে বর্তমানে নরওয়েতে থাকা মাচাদোকে ভেনেজুয়েলার নেতৃত্বে বসানোর প্রশ্নে সমর্থন দেবেন কি না, জানতে চাইলে শনিবার ট্রাম্প ফক্স নিউজকে বলেন, ‘এটি এখনই আমাদের খতিয়ে দেখতে হবে। ওদের (ভেনেজুয়েলায়) একটি ভাইস প্রেসিডেন্ট আছে, যেমনটি আপনি জানেন।
আমি জানি না সেই নির্বাচনটা কেমন ছিল, তবে জানি—মাদুরোর নির্বাচন ছিল এক লজ্জাজনক ব্যাপার।’
ট্রাম্প মন্তব্য করেন, মাদুরোকে আটক করা ‘একটি বার্তা—আমরা আর কাউকে আমাদের ওপর চালিত হতে দেব না।’
মন্তব্য করুন