কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৮:০২ এএম
অনলাইন সংস্করণ

লেবার পার্টির শাসনে ইসলামি দেশ হতে পারে যুক্তরাজ্য : জেডি ভ্যান্স

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জেডি ভ্যান্স। ছবি: এএফপি
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জেডি ভ্যান্স। ছবি: এএফপি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জেডি ভ্যান্স বলেছেন, ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির শাসনে ইসলামি দেশে পরিণত হতে পারে যুক্তরাজ্য। লেবার পার্টির শাসনে যুক্তরাজ্য পরমাণু অস্ত্রধর ‘সত্যিকার ইসলামি’ দেশে পরিণত হতে পারে। কারণ লেবার পার্টি এখন ক্ষমতায়।’

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জেডি ভ্যান্স ওয়াশিংটনে এক ধর্মীয় সম্মেলনে জেডি ভ্যান্স বলেন, যুক্তরাজ্য পরমাণু অস্ত্রধর প্রথম সত্যিকার ইসলামি দেশ হয়ে যেতে পারে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিনের অঙ্গরাজ্যে রিপাবলিকান পার্টির চার দিনব্যাপী জাতীয় সম্মেলনের প্রথম দিনেই আসন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে জেডি ভ্যান্সের (৩৯) নাম ঘোষণা করেন সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং আসন্ন নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।

‘ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির শাসনে ইসলামি দেশে পরিণত হতে পারে যুক্তরাজ’ জেডি ভ্যান্সের এই মন্তব্য উড়িয়ে দিয়েছেন ব্রিটিশ উপপ্রধানমন্ত্রী অ্যাঞ্জেলা রেইনার তিনি বলেন, ‘ভ্যান্স সিনেটে অতীতে অনেক ভালো কাজ করেছেন। কিন্তু তার এই বক্তব্য যুক্তরাজ্যের বৈশিষ্ট্যকে প্রকৃতভাবে প্রতিনিধিত্ব করে না। এ বছর নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে যদি ট্রাম্প ও ভ্যান্স জয়ী হন, তাহলে অ্যাঞ্জেলা রেইনার তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

‘ইসলামি দেশ’ হয়ে উঠছে যুক্তরাজ্য এমন মন্তব্যের মাধ্যমে ভ্যান্স মূলত অভিবাসন বিষয়ে লেবার দলের দৃষ্টিভঙ্গি ও নীতির সরাসরি সমালোচনা করেছেন। ডানপন্থি মার্কিন রাজনীতিকেরাও প্রায়শই অভিবাসনকে কোনো দেশের ইসলামের উত্থানের সঙ্গে যুক্ত করেন এবং এ ক্ষেত্রে নিয়মিতভাবে যুক্তরাজ্যের দিকে ইঙ্গিত করেন।

এদিকে ব্রিটেনে বেশি সংখ্যক মুসলমানদের যাওয়ার প্রবণতা শুরু হয় প্রায় এক শতাব্দী আগে থেকে। বর্তমানে যে তথ্য পাওয়া যায় তাতে দেখা যাচ্ছে, ব্রিটেনের ৬ কোটি ৭০ জনসংখ্যার মধ্যে মুসলিম জনসংখ্যা মাত্র ৪০ লাখ।

এ মাসের ৪ জুলাই সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভ করে লেবার পার্টি পাঁচ বছরের জন্য সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। তবে গাজায় নির্বিচার গণহত্যার ব্যাপারে লেবার পার্টির নেতা কেয়ার স্টারমারের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ ছিল মুসলমানরা। তারা নির্বাচনে নিজেদের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন।

ব্রিটিশ জনগণ দেশটির খারাপ অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং দখলদার ইসরায়েলের অপরাধযজ্ঞের প্রতি সরকারের সমর্থনের প্রতিবাদে ভোট দিয়েছে। এর অর্থ হলো, লেবার পার্টি বিজয় হলেও সেটা তার নিজের নীতির কারণে পায়নি, বরং সাবেক ক্ষমতাসীন দলের অপছন্দের কিছু কাজ ও নীতির কারণে মানুষ বিদ্যমান বিকল্প ধারাটি বেছে নিয়েছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন

শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে বেফাকের ৪৯তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষা

ষাটগম্বুজ মসজিদ ও বাগেরহাট জাদুঘরের ই-টিকিটিং সেবা চালু

জাপার সঙ্গে জোটে যাওয়া নিয়ে যা বলল ইসলামী আন্দোলন

ফাইনালে না হারা ‌‘এলিট’ কোচ তারা

‘নেতানিয়াহুর সঙ্গে ছবি তুলতেও এখন আর কেউ আগ্রহী নন’

একক নির্বাচনের সিদ্ধান্ত ইসলামী আন্দোলনের, তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানাল জামায়াত

বায়রার নির্বাচনের তপশিল স্থগিত 

উত্তরায় বহুতল ভবনে আগুনের সূত্রপাত যেভাবে

বিমানবন্দর থেকে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

১০

সবার আগে বিপিএল থেকে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিদায়

১১

গাড়িচাপায় পাম্প শ্রমিকের মৃত্যু, যুবদলের সাবেক নেতা আটক

১২

বিএনপি সবসময় ধর্মীয় মূল্যবোধে বিশ্বাস করে : সেলিমুজ্জামান

১৩

বিশ্বকাপের আগেই বড় চমক দেখাল বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ

১৪

নোবেল পুরস্কারের প্রলোভনেও নড়লেন না ট্রাম্প, হতাশ মাচাদো

১৫

বেরিয়ে এলো মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর তথ্য

১৬

নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘এনপিএ’র আত্মপ্রকাশ

১৭

৩২ আসনে কাদের সমর্থন দেবে, জানাল ইসলামী আন্দোলন

১৮

ওসমান হাদির ভাইকে যুক্তরাজ্যে সহকারী হাইকমিশনে নিয়োগ

১৯

ক্রিকেটারদের বহিষ্কারের স্ট্যাটাস দিয়ে আলোচনায় আসিফপত্নী

২০
X