কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৫, ০৮:২৯ এএম
আপডেট : ২৪ জানুয়ারি ২০২৫, ১০:১৫ এএম
অনলাইন সংস্করণ

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলে ট্রাম্পের আদেশ সাময়িক স্থগিত

ডোনাল্ড ট্রাম্প
ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব আইন বাতিলের সিদ্ধান্ত সাময়িকভাবে স্থগিত করেছেন ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের বিচারক জন কফেনর। এর ফলে ট্রাম্পের আদেশ আগামী ১৪ দিন কার্যকর হবে না। খবর এপির।

ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে নথিপত্রহীন অভিবাসীদের সন্তানদের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার অধিকার বাতিলের কথা বলা হয়েছিল। এটি দেশটির সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর বিরুদ্ধে। বিচারক কফেনর বলেছেন, ‘এটি স্পষ্টভাবে অসাংবিধানিক।’

এই আদেশের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ২২টি অঙ্গরাজ্য ও নাগরিক অধিকার রক্ষাকারী সংগঠন মামলা করেছে। আদালতের স্থগিতাদেশকে তারা স্বাগত জানিয়ে মন্তব্য করেছে যে, কোনো প্রেসিডেন্টই নিজের ইচ্ছামতো সংবিধান পরিবর্তন করতে পারেন না।

এদিকে বিচারকের এ আদেশের বিরুদ্ধে আবেদন করবেন বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তার দেওয়া নির্বাহী আদেশের পক্ষে লড়াই করার কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগও। ট্রাম্প প্রশাসনের একজন মুখপাত্র বলেছেন, আদেশে মার্কিন সংবিধানের সঠিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী, কোনো শিশু যদি যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে জন্মগ্রহণ করে, তবে সে মার্কিন নাগরিকত্ব পায়। তার বাবা-মা কীভাবে দেশে এসেছেন, সেটি মূখ্য নয়।

কিন্তু ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, যদি অভিবাসী বা পর্যটক ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী কোনো অবৈধ অভিবাসী সন্তান জন্ম দেন, তবে সে আর মার্কিন নাগরিক হিসেবে স্বীকৃত হবে না।

এই পদক্ষেপের ফলে মূলত নিম্ন আয়ের ও অভিবাসী শ্রেণির মানুষেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। বিশেষ করে, যেসব পরিবার একাধিক প্রজন্ম ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছে, কিন্তু এখনো তাদের অভিবাসী স্ট্যাটাস হয়নি, তাদের সন্তানরা নাগরিকত্বের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে। অনেক ক্ষেত্রেই, অবৈধ অভিবাসী মা-বাবার সন্তানরা জন্মের সঙ্গে সঙ্গে নানা সরকারি সুবিধা যেমন স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও ভবিষ্যতে নাগরিকত্বের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে।

এ ছাড়া, অভিবাসী শিশুদের নাগরিকত্ব প্রক্রিয়ায় বিশাল পরিবর্তন আসছে। নতুন নীতি অনুযায়ী, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া যেসব শিশুর বাবা-মায়ের মধ্যে কোনো একজন যদি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক বা গ্রিন কার্ডধারী না হন, তাদেরকে মার্কিন পাসপোর্ট বা ভিসা প্রদান করা হবে না। দীর্ঘমেয়াদে, এই সিদ্ধান্ত অভিবাসী সম্প্রদায়ের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সামাজিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলবে। এই ব্যবস্থা অবৈধ অভিবাসী পরিবারগুলোর জন্য এক ধরনের শাস্তি হিসেবে কাজ করবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এরবিলের নতুন আকর্ষণ ‘হ্যাঙ্গিং গার্ডেনস অব ব্যাবিলন’

শীর্ষ সন্ত্রাসী যুবলীগ নেতা ‘টাইগার সোহেল’ গ্রেপ্তার

প্রকৃতি মাতানো অনিন্দ্যসুন্দর প্রজাপতি ‘ডোরাকাটা বাঘ’

পে-স্কেল নিয়ে বসছে সভা, আসতে পারে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

সেতুর অভাবে দুর্ভোগে ১০ গ্রামের মানুষ, অর্ধশতক ধরে নৌকাই ভরসা

১০ হাজার মানুষকে বাংলাদেশে পাঠিয়েছি: শুভেন্দু

ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে যমুনা নদীর ভাঙন

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন করবেন আইএইএর পরিদর্শকরা: ট্রাম্প

কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নয়, প্রস্তাব পাস

মালদ্বীপ প্রবাসীদের রেমিট্যান্স প্রেরণ সহজ করতে হাইকমিশনের উদ্যোগ

১০

নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল গ্রেপ্তার

১১

ফিলিস্তিনি শিশুদের লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল

১২

রাজধানীতে দুপুরের মধ্যে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা

১৩

গরিবের ডাক্তার সামির হোসেন মিশু গ্রেপ্তার

১৪

১৮ কোটি টাকার হাসপাতাল এখন শিয়ালের আবাসস্থল

১৫

বাঁচা-মরার লড়াইয়ে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবেন নেইমার

১৬

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, বাড়ছে আতঙ্ক

১৭

বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়েছে যেসব দল

১৮

সকাল থেকে ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

১৯

পানামার বিদায়, টিকে রইল ক্রোয়েশিয়া

২০
X