রাঙামাটি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৬ জুলাই ২০২৩, ১২:০০ এএম
আপডেট : ১৬ জুলাই ২০২৩, ১১:০৭ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

ম্যালেরিয়া বাড়ছে, মিলছে এডিস মশার লার্ভা

প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে আশঙ্কাজনকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে ম্যালেরিয়া। ম্যালেরিয়া আক্রান্তের তালিকায় দেশের দ্বিতীয় স্থানে থাকা এ জেলার কমবেশি সব উপজেলায় রোগী থাকলেও সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তবর্তী দুর্গম জুরাছড়ি, বিলাইছড়ি, বরকল ও বাঘাইছড়ি উপজেলায়। এ ছাড়া শহরের বিভিন্ন স্থানে পাওয়া গেছে এডিস মশার লার্ভা।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ম্যালেরিয়া আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৭২৩ জন। যার মধ্যে জুরাছড়ি উপজেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৩৩ জন। আক্রান্তের সংখ্যা বিগত বছরের তুলনায় ৬ শতাধিক বেশি। অন্যদিকে গত এক মাসে জেলায় ১২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হলেও তারা সবাই সুস্থ হয়ে গেছেন। কিন্তু জেলা শহরের বিভিন্ন স্থানে পাওয়া গেছে এডিস মশার লার্ভা, যা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে ধংস করা হয়েছে।

ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে সবাইকে মশারি টানানোর ওপর জোর দিচ্ছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। আর মশার সংক্রমণ প্রতিরোধে শহরের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে মশার স্প্রে করা শুরু করেছে পৌরসভা।

২০৩০ সালের মধ্যে রাঙামাটিকে ম্যালেরিয়ামুক্ত জেলা ঘোষণা করার মিশন নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ কাজ করলেও পাশের দেশগুলোতে ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে তেমন কার্যক্রম না থাকায় আক্রান্তের সংখ্যা কমানো যাচ্ছে না বলে মত স্বাস্থ্য বিভাগের। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও ব্র্যাক ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে ফ্রিতে মশারি প্রদান করলেও তার সময় থাকে তিন বছর। এ সময়ে মশারির কার্যকারিতা কমে আসার পাশাপাশি মশারি টানানোর বিষয়ে অনেকে আগ্রহ দেখায় না বলে ম্যালেরিয়া রোগীর সংখ্যা এ বছর বেড়েছে। তবে এ বছর নতুন করে জেলায় সাড়ে ৩ লাখ মশারি বিতরণ হওয়ায় আক্রান্তের হার কমে আসবে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

ম্যালেরিয়া আক্রান্ত তনয় চাকমা জানান, আমি বিলাইছড়িতে ম্যালেরিয়া আক্রান্ত হয়েছি। পরে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে সুস্থ আছি।

রাঙামাটির সিভিল সার্জন ডা. নীহার রঞ্জন নন্দী জানান, ম্যালেরিয়ায় দেশের মোট আক্রান্তের ২৯ শতাংশ আমাদের এ জেলায়, যার ৫১ শতাংশ জুরাছড়ি উপজেলায়। আমাদের সীমান্তবর্তী উপজেলাগুলোতে বেশি ম্যালেরিয়া আক্রান্ত হচ্ছে, কারণ পাশের দেশগুলোতে ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। জেলায় এ বছর সাড়ে ৩ লাখ মশারি বিতরণ করা হয়েছে, প্রতিটি ইউনিয়নে স্বাস্থ্যকর্মীরা ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি শহরের বেশকিছু স্থানে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘ইরান-ইরাকের গভীর বন্ধন কোনো সীমান্ত বা শক্তি বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না’

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে সাভারে ছাত্রদলের আলোচনা সভা

সাপ্লাইয়ের পানি কি পবিত্র, এটা দিয়ে অজু ও গোসলের বিধান কী?

সিলেটে হাম ও নিউমোনিয়ায় আরো এক শিশুর মৃত্যু

বাধ্যতামূলক অবসরে পুলিশের আরও ১৭ কর্মকর্তা

জাবি মেডিকেল সেন্টারে ওষুধ গায়েব: স্টোর কর্মকর্তা বরখাস্ত

জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি আইআরজিসির

পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র পরীক্ষা দিতে না পারাদের জন্য বড় সুযোগ

‘আর্জেন্টিনাকে ব্যঙ্গ করে গান’, ১৭ শিক্ষার্থীকে পেটালেন শিক্ষক

ভ্রমণের মজা নষ্ট করে দিচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া: জরিপ

১০

ভুলে যাওয়া কি স্বাভাবিক, কখন চিন্তিত হবেন এবং কখন হবেন না?

১১

স্পেন-আর্জেন্টিনা ফাইনাল পুনরায় খেলানোর দাবিতে ৬২ হাজার স্বাক্ষর সংগ্রহ

১২

চট্টগ্রামে ২৭ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু

১৩

টেক্সটে যে ১০ বিষয়ে কথা বলা উচিত নয়

১৪

নারী আইনজীবীর মাথা ফাটানো বিচারককে মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করার উদ্যোগ

১৫

এক রাস্তায় ভুক্তভোগী ২০ হাজার মানুষ

১৬

আতিফ ঢাকায়, কাল শোনাবেন গান

১৭

কারাগারে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু

১৮

‘ডা. হ্যানিম্যান’ নিয়ে আসছে মহাকাল নাট্য সম্প্রদায়

১৯

সকালের যে ৪ অভ্যাস শরীরকে ভিটামিন ডি শোষণে সাহায্য করে

২০
X