মিঠু দাস জয়, সিলেট
প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:০৩ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

সিলেটি দামানের আগমনে উৎসবের আমেজ

দুলাভাইয়ের আগমন শুভেচ্ছার স্বাগতম
ছবি : কালবেলা
ছবি : কালবেলা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারে অংশ নিতে দীর্ঘ ২১ বছর পর সিলেটে এসেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গতকাল বুধবার রাত সোয়া ৮টার দিকে তিনি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। সিলেট আসতে এর আগে সন্ধ্যা ৬টা ৩৮ মিনিটে রাজধানী ঢাকায় গুলশানের বাসভবন থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হন। টানা দুই দশকেরও বেশি সময় পর তারেক রহমানের এ আগমন ঘিরে নির্বাচনী কর্মসূচি ছাপিয়ে সিলেটজুড়ে বইতে শুরু করে উৎসবের হাওয়া। রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি শ্বশুরবাড়িতে পারিবারিক সফর, সব মিলিয়ে এই সফর সিলেটবাসীর কাছে এক আবেগঘন রূপ নেয়। তার আগমনকে ঘিরে ‘সিলেটি দামান (জামাই), সিলেটি দামান দুলাভাই, দুলাভাই’—এমন নানা স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে নগরী।

দীর্ঘ দুই দশক পর স্ত্রী জুবাইদা রহমানকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি সিলেটের দক্ষিণ সুরমার সিলাম ইউনিয়নের বিরাইমপুর গ্রামে তারেক রহমানের আগমন ঘিরে তৈরি হয় আনন্দঘন পরিবেশ। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, দীর্ঘ ২১ বছর পর তারা তাদের দামান তারেক রহমানকে কাছে পেয়েছেন। এটা তাদের জন্য অবর্ণনীয় আনন্দের। দোয়া ও শিরনির মাধ্যমে তারা তাকে বরণ করে নেন। শ্বশুরবাড়ি সিলেটে তারেক রহমানের এ সফর শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচিই নয়, বরং সিলেটবাসীর জন্য এক আবেগঘন মিলনমেলায় পরিণত হয়। দোয়া, আপ্যায়ন, জনসভা আর নেতাকর্মীদের ভালোবাসায় সিলেট যেন পরিণত হয় উৎসবের নগরীতে। বিএনপি নেতারা বলছেন, এ সফর দেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘মাইলফলক’ হয়ে থাকবে।

যুক্তরাজ্যে দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের ইতি টেনে গত ডিসেম্বরের শেষে দেশে ফেরার পর বিএনপি চেয়ারম্যানের এটিই ঢাকার বাইরে প্রথম কোনো সফর। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সর্বশেষ ২০০৪ সালে বিএনপির ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলনে সিলেটে এসেছিলেন তারেক রহমান। এরপর যুক্তরাজ্যে নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে গত ২৫ ডিসেম্বর এই সিলেট হয়েই বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে দেশের মাটিতে পা রাখেন তিনি।

গতকাল রাত ৮টা ১০ মিনিটের দিকে ঢাকা থেকে বিমানে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তারেক রহমান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান, মেয়ে জাইমা রহমান এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। তাকে অভ্যর্থনা জানাতে বিমানবন্দরের বাইরে ভিড় করেন হাজারো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে সরাসরি গিয়ে হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরাণ (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন। বিমানবন্দর থেকে মাজার পর্যন্ত যেতে রাস্তার দুপাশে হাজারও জনতা হাত নেড়ে তারেক রহমানকে অভিবাদন জানান। এ সময় বাসের ভেতর থেকে হাত নেড়ে সবার উদ্দেশে শুভেচ্ছাসূচক সাড়া দেন তিনি। প্রথমে রাত সোয়া ৯টার দিকে যান শাহজালাল মাজার প্রাঙ্গণে। সেখানে ঢোকার আগে আম্বরখানা মাজার গেট এলাকায় বিএনপি এবং এর সহযোগী সংগঠনগুলোর বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ‘দুলাভাই দুলাভাই, সিলেটের দুলাভাই, সিলেটের দুলাভাই, শুভেচ্ছার স্বাগতম’সহ নানান স্লোগান দিয়ে তারেক রহমানকে বরণ করে নেন। শাহজালালের মাজার জিয়ারত শেষে রাত ৯টা ২০ মিনিটের দিকে বিএনপি চেয়ারম্যান মাজার প্রাঙ্গণের পেছনের কবরস্থানে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল মহম্মদ আতাউল গণি ওসমানীর (এম. এ. জি. ওসমানী) কবর জিয়ারত করেন। এ সময় সঙ্গে ছিলেন তার সাবেক একান্ত সচিব এবং শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা, ভেদরগঞ্জ ও গোসাইরহাট) আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য (এমপি) প্রার্থী মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।

শাহজালালের (রহ.) মাজার থেকে খাদিমনগরে শাহ পরাণের (র.) মাজারে যান তারেক রহমান। দুই মাজার জিয়ারতের পর যান দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সিলাম ইউনিয়নের বিরাইমপুর গ্রামে স্ত্রী জুবাইদা রহমানের পৈতৃক বাড়ি রাহাত মঞ্জিলে। সেখানে ১২ হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থকের সঙ্গে দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।

সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বলয়ে পুরো সিলেট: তারেক রহমানের আগমন ও জনসভা ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গতকাল দুপুরে আজকের জনসভাস্থল পরিদর্শন করেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. আব্দুল কুদ্দুস। তিনি জানান, গোয়েন্দা পুলিশ, সাদা পোশাকের পুলিশ ও বোম ডিসপোজাল ইউনিট জনসভার মাঠ ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালিয়েছে। কোনো ধরনের নাশকতার শঙ্কা নেই বলে জানান পুলিশ কমিশনার। জনসভা উপলক্ষে বিমানবন্দর, মাজার এলাকা, হোটেল, জনসভাস্থল ও তারেক রহমানের যাতায়াত পথজুড়ে বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

আগের রাতেই সমাবেশস্থলে নেতাকর্মীর ঢল: তারেক রহমানের সফর ঘিরে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি এবং এর অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিপুল উদ্দীপনা দেখা গেছে। চৌহাট্টা, আম্বরখানা, রিকাবীবাজারসহ নগরীর নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক-এলাকা ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে ছেয়ে গেছে। সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে নির্মাণ করা হয়েছে বিশাল মঞ্চ। দিন-রাত কাজ করে সম্পন্ন করা হয় সাউন্ড সিস্টেম, আলোকসজ্জা ও বসার ব্যবস্থা। গতকাল রাত থেকেই বিভিন্ন উপজেলা ও আশপাশের জেলা থেকে নেতাকর্মীরা আগেভাগেই জনসভাস্থলে এসে অবস্থান নেন। অনেকে শামিয়ানা টানিয়ে রাতযাপন করেন। দলীয় নেতারা বলেন, প্রিয় নেতাকে এক নজর দেখার আবেগেই এ ঢল নেমেছে।

বিশ্বনাথ উপজেলার বিএনপি কর্মী আশিক মিয়া বলেন, ‘তারেক রহমান আমাদের নেতা, আমাদের আদর্শ। প্রয়োজনে তার জন্য জীবন দিতেও আমরা প্রস্তুত।’ তার এ বক্তব্য মাঠে থাকা নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করে।

রাহাত মঞ্জিলে দোয়া মাহফিল, ৪৩ হাঁড়ি আখনি: দীর্ঘ দুই দশক পর শ্বশুরবাড়িতে তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে বিরাইমপুর গ্রামে তৈরি হয় আনন্দঘন পরিবেশ। তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় সেখানে আয়োজন করা হয় বিশেষ দোয়া মাহফিলের। এতে তারেক রহমান, জুবাইদা রহমান ও তাদের মেয়ে জাইমা রহমান অংশ নেন। দোয়া মাহফিল উপলক্ষে রান্না করা হয় ৪৩ হাঁড়ি আখনি। প্রায় ১২ হাজার মানুষের মধ্যে শিরনি বিতরণের আয়োজন করা হয়।

বিকেলে বিরাইমপুর গ্রামের ‘মিনিস্টার’ বাড়িতে গিয়ে বাবুর্চিদের সারি বেঁধে চুলায় বড় বড় পাতিলে রান্নায় ব্যস্ত দেখা যায়। চুলা থেকে নামানো হচ্ছিল একটির পর একটি পাতিল। একে একে সাজিয়ে রাখা হয় সেগুলো। রান্না হয়ে গেলে পাতিলগুলোর ঢাকনা খুলে নাড়াচাড়া করে দেখছিলেন বাবুর্চি। তারেক রহমানের শ্বশুর ছিলেন নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান। পরে তিনি ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীও ছিলেন। এজন্য তার বাড়িটিকে মিনিস্টার বাড়ি নামেই চেনেন এলাকার লোকজন। তারেক রহমানকে বরণে সিলাম ইউনিয়নজুড়েই ছিল সাজসাজ রব। ‘দুলাভাইয়ের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’ লেখা ফেস্টুন এবং নানান রঙিন ব্যানারে সাজানো হয় পুরো এলাকা।

স্থানীয় বাসিন্দা ও জিয়া ফাউন্ডেশন ইউরোপের সমন্বয়ক শরীফুল ইসলাম স্বপন কালবেলাকে বলেন, ‘দীর্ঘ ২২ বছর পর আমাদের দামান (জামাই) তারেক রহমান আসছেন, এটা আমাদের জন্য বিরাট আনন্দের। দোয়া ও শিরনির মাধ্যমে আমরা তাকে বরণ করেছি।’

জুবাইদা রহমানের চাচাতো ভাই জাহাঙ্গীর আলী খান বলেন, ‘খুব অল্প সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত হওয়ায় চাইলেও অনেক কিছু করা সম্ভব হয়নি। তার পরও শতাধিক মানুষ পৈতৃক বাড়ির মেরামত ও চার দিন ধরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে যুক্ত ছিলেন, যেন তিনি (তারেক রহমান) এসে একটি আন্তরিক ও সুন্দর পরিবেশ পান।’

সিলেট জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ কালবেলাকে বলেন, ‘নিরাপত্তা দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহতায়ালা। আমরা আশা করছি, তিনিই তার বান্দাকে রক্ষা করবেন। প্রশাসনিক ও বিএনপি চেয়ারম্যানের নিরাপত্তা সেলের সঙ্গে আমরাও আছি এলাকাবাসীকে নিয়ে। ইনশাআল্লাহ, আমরা আমাদের বোন ও দুলাভাইকে যথাযথ আতিথেয়তায় বরণ করব।’

এলাকার জামাই বিএনপি চেয়ারম্যানকে বরণে বিস্তর প্রস্তুতির তথ্য তুলে ধরেন সিলেট জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমদ। তিনি বলেন, ‘বিরাইমপুর গ্রামে এর আগে ২০০৪ সালে প্রথমবারের মতো এসেছিলেন তারেক রহমান। ২১ বছর পর আবারও তার সফর ঘিরে এলাকাজুড়ে আলাদা এক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তারেক রহমান আমাদের নেতা, সিলেটবাসীর পরম আত্মীয়। তাকে শ্বশুরবাড়িতে বরণ করতে পেরে দলের নেতাকর্মীসহ এলাকাবাসী উদ্বেলিত। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের পাশাপাশি শত শত যুবকের সমন্বয়ে স্বেচ্ছাসেবী টিম গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি তৎপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।’

সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী কালবেলাকে বলেন, ‘আমাদের নেতা তারেক জিয়া সিলেটবাসীর আত্মীয়। তার আগমন কেন্দ্র করে পুরো সিলেটজুড়েই বইছে উৎসবের আমেজ। নির্বাচনী জনসভার পাশাপাশি মাজার জিয়ারত, শ্বশুরবাড়িতে পারিবারিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এবং সিলেটের অরাজনৈতিক ছাত্র প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেশ নিয়ে ভাবনা শীর্ষক কর্মশালায় মিলিত হবেন। তিনি দীর্ঘ ১৭ বছর আওয়ামী দুঃশাসনে নির্যাতনের শিকার হয়ে বিদেশ থেকে দেশে ফিরে দলের গুরুদায়িত্ব পালন করছেন। সিলেটবাসী তাদের নেতা এবং স্বজনকে বরণ করতে প্রস্তুত।’

আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে নির্বাচনী জনসভা: নগরীর সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আজ সকাল ১১টায় শুরু হওয়ার কথা বিএনপির নির্বাচনী জনসভা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন তারেক রহমান। এখান থেকেই তিনি সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার ১১টি আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেবেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা জানিয়েছেন, এই জনসভা দিয়েই জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হচ্ছে বিএনপির। অতীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াও সিলেট থেকেই নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করেছিলেন। সেই রাজনৈতিক ঐতিহ্য অনুসরণ করছেন তারেক রহমান।

বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী বলেন, ‘বিপুল জনসমাগম সামাল দিতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের দলীয় ইউনিটগুলোকে সর্বোচ্চ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে মাঠে নামানো হয়েছে। ৭ থেকে ৮ লাখ মানুষ সমাগমের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এই জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হবে এবং এটি দেশের রাজনীতিতে একটি মাইলফলক হিসেবে ধরা হবে।’

আজকের কর্মসূচি: গ্র্যান্ড সিলেট হোটেলে আজ সকাল ১০টায় অরাজনৈতিক তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তারেক রহমান। পরে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠের জনসভায় অংশ নিয়ে তিনি সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন। পথে মৌলভীবাজারের শেরপুর ও হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে জনসভায় বক্তব্য দেবেন। এসব সভায় সংশ্লিষ্ট জেলার বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কথা রয়েছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কোরিওগ্রাফারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ, যা বললেন নাজমি

‘ভারতের সঙ্গে বিএনপির চুক্তির কথা ভিত্তিহীন, এটা জামায়াতের অপপ্রচার’

এটিএম বুথে কার্ড আটকে গেলে যা করবেন

হঠাৎ অসুস্থ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

‘হিজাব পরা আপুরাও মিথ্যা ছড়াচ্ছেন’—মেয়েদের ট্রল নিয়ে বিস্ফোরক বুবলী

লবণ বেশি খেলে কী ঘটে শরীরে জেনে নিন

যাদের জন্য পেঁপে খাওয়া বিপজ্জনক

‘ওর মা নেই, ওকে মারবেন না প্লিজ’

দুই দশক পর চট্টগ্রাম যাচ্ছেন তারেক রহমান

তরুণদের মধ্যে বাড়ছে এইচআইভি সংক্রমণ, উদ্বেগ বিশেষজ্ঞদের

১০

শেখ হাসিনার অবস্থান নিয়ে তির্যক মন্তব্য ভারতীয় সাবেক ক্রিকেটারের

১১

বেকার ভাতা নয়, আমরা কাজ দেব : জামায়াত আমির

১২

নতুন টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের সূচি প্রকাশ বিসিবির 

১৩

ভারতের সঙ্গে ‘সবচেয়ে বড় চুক্তি’ করছে ইইউ

১৪

পাকিস্তানি তরুণীর রূপে মুগ্ধ ভারতীয় অফিসার, ভিডিও ভাইরাল

১৫

প্রতিদিনের যেসব অভ্যাস ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে

১৬

কান্নার ভান করতে গিয়ে হেসে ফেললেন নববধূ

১৭

ভিসামুক্ত সুবিধা চালু করল ব্রাজিল

১৮

ক্লিনিকাল ট্রায়ালে প্রোবায়োটিক ‘কারকুমা বায়োকমফোর্ট’র ইতিবাচক সাড়া

১৯

তীব্র শীতে বিপর্যস্ত সিরীয় উদ্বাস্তুদের জীবন

২০
X