শেখ হারুন
প্রকাশ : ২৭ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ২৭ মার্চ ২০২৬, ০৯:৩২ পিএম
প্রিন্ট সংস্করণ

ডিগ্রি বাড়ছে কমছে কাজ নীরব সংকটে যুবারা

সনদের স্তূপে চাপা পড়া স্বপ্ন
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

মোটা কাগজের ফাইল বা প্লাস্টিকের ফোল্ডারে সযত্নে রাখা চকচকে স্নাতক সনদটি এখন দেশের অনেক তরুণের কাছে শুধুই এক টুকরো কাগজ, যা ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে ব্যর্থ। রাজধানীর রাজপথ থেকে গ্রামের মেঠোপথ—সর্বত্রই একই হাহাকার: ‘ডিগ্রি আছে, কাজ নেই’। সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের নীতিনির্ধারণী প্রতিষ্ঠান পরিকল্পনা কমিশনের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, উন্নয়নের পেছনের অন্ধকার এমনি ললাটলিখনে চিত্র। দেশের ১৫-২৯ বছর বয়সী প্রতি তিনজন স্নাতকধারীর একজনই বেকারত্বের অভিশাপে দগ্ধ। এই শিক্ষিত যুবাদের যখন ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতিক সুফল হয়ে দেশের অর্থনীতিকে টেনে তোলার কথা, সেখানে কর্মহীনতার হতাশায় তারা ডুবছে ভয়ংকর সব মাদক কিংবা অনলাইন জুয়ার মতো মরণনেশায়। সনদ বাড়ছে, বাড়ছে প্রত্যাশা; কিন্তু শ্রমবাজারের রূঢ় বাস্তবতায় সেই স্বপ্নগুলো ডানা মেলার আগেই ঝরে পড়ছে। এই নীরব সংকট শুধু এক প্রজন্মের ব্যর্থতা নয়, বরং একুশ শতকের বাংলাদেশের জন্য অশনিসংকেত।

ডিগ্রি বাড়ছে, কিন্তু কাজের সুযোগ সেই অনুপাতে তৈরি হচ্ছে না—ফলে এক নতুন বাস্তবতায় আটকে পড়ছে দেশের তরুণ প্রজন্ম। কর্মসংস্থানের সীমিত সুযোগ, দক্ষতার ঘাটতি আর নীতিগত সমন্বয়ের অভাবে এই সংকট ধীরে ধীরে নীরব এক সামাজিক ও অর্থনৈতিক চাপে রূপ নিচ্ছে। উৎপাদনশীল তরুণদের কর্মহীনতার হতাশায় বাড়ছে মাদকাসক্তি, অনলাইন জুয়ার বিস্তার এবং ঝুঁকিপূর্ণ সামাজিক প্রবণতা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কর্মসংস্থানের অভাব শুধু অর্থনৈতিক সমস্যা নয়, এটি এখন সামাজিক অস্থিরতারও একটি বড় উৎস হয়ে উঠছে। যার অভিঘাত পড়ছে শুধু তরুণদের ওপর নয়, গোটা অর্থনীতির ভবিষ্যতের ওপর। এমনটাই উঠে এসেছে পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণে। জিইডি বলছে, এমন প্রেক্ষাপটে দ্রুত ও সমন্বিত সংস্কার না হলে দেশের জনমিতিক সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ‘যুব সম্ভাবনার সদ্ব্যবহার: বাংলাদেশে যুব উন্নয়নের জন্য একটি নীতি কাঠামো’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের ১৫-২৪ বছর বয়সী প্রায় ৩ কোটি ১৬ লাখ তরুণ, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। তাদের একটি বড় অংশ বেকার বা শ্রমবাজারের বাইরে অবস্থান করছে। তারা চাইলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে পারে, বিপরীতে সামাজিক অস্থিরতাও বাড়াতে পারে।

জিইডির প্রতিবেদন বলছে, দেশের বেকারত্বের হার পরিসংখ্যানে যতটা দেখায়, বাস্তবে সংকট তার চেয়ে অনেক গভীর। এই সংকটের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে শিক্ষিত বেকার শ্রেণি—যারা ডিগ্রি অর্জন করেও শ্রমবাজারে নিজেদের জায়গা খুঁজে পাচ্ছে না। এমন প্রেক্ষাপটে জিইডি সতর্ক করে বলছে, দ্রুত ও সমন্বিত সংস্কার না হলে বাড়তে থাকা যুব বেকারত্ব ও সামাজিক ঝুঁকির কারণে দেশ তার জনমিতিক সুফল (ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড) হারাতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকারি হিসাবে যুব বেকারত্বের হার ৮.০৭ শতাংশ হলেও শিক্ষিত যুবকদের মধ্যে পরিস্থিতি অনেক বেশি গুরুতর। বিশেষ করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক তরুণদের মধ্যে বেকারত্বের হার ২৮.২৪ শতাংশে পৌঁছেছে। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, প্রায় ১৯.৫৪ শতাংশ তরুণ—অর্থাৎ প্রায় ৫৫ লাখ ২০ হাজার—শিক্ষা, চাকরি বা প্রশিক্ষণের বাইরে (নিট) রয়েছে, এরা শ্রমবাজারের বাইরে থাকা একটি ‘নিষ্ক্রিয়’ কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ জনসংখ্যা।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) জরিপেও দেশে শিক্ষিত তরুণদের বেকারত্বের ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। বিবিএসের জরিপে বলা হয়েছে, দেশে যত বেকার আছে তাদের মধ্যে সাড়ে ১৩ শতাংশ স্নাতক ডিগ্রিধারী এবং ৭ দশমিক ১৩ শতাংশ উচ্চ মাধ্যমিক পাস। অর্থাৎ প্রতি পাঁচজন বেকারের একজন স্নাতক বা উচ্চ মাধ্যমিক সনদধারী। শুধু তা-ই নয়, ১৫-২৯ বছর বয়সী যুব বেকারদের মধ্যে প্রায় ২৯ শতাংশ স্নাতক। এর মানে দাঁড়ায় প্রতি তিনজন স্নাতক তরুণের একজন বেকার।

জিইডি বলছে, এই সংকটের মূল কারণ হলো শিক্ষা ব্যবস্থা ও শ্রমবাজারের চাহিদার মধ্যে কাঠামোগত অসামঞ্জস্য। উচ্চশিক্ষার প্রসার ঘটলেও তা শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ফলে একদিকে যেমন বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রিধারী বেকারের সংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে প্রযুক্তি ও কারিগরি খাতে দক্ষ জনবল সংকট রয়ে গেছে। ২০২৪ সালে দেশের মোট বেকারের মধ্যে প্রায় ৯ লাখই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা। জিইডি এটিকে ‘ক্রেডেনশিয়াল ইনফ্লেশন’ হিসেবে উল্লেখ করেছে, যেখানে ডিগ্রির সংখ্যা বাড়লেও কর্মসংস্থানের সুযোগ সে হারে বাড়ছে না।

এমন পরিস্থিতির পেছনে শিক্ষা খাতে কমে যাওয়া সরকারি বিনিয়োগ ও কারিগরি শিক্ষায় সীমিত গুরুত্বকে দায়ী করা হয়েছে। জিইডি বলছে, জিডিপির অনুপাতে শিক্ষা খাতে ব্যয় কমে ১.৬৯ শতাংশে নেমে এসেছে, আর কারিগরি শিক্ষায় বরাদ্দ মোট বাজেটের মাত্র ৪.৬ শতাংশ। একই সময়ে, দেশের পরিবারগুলো বিদেশে পড়াশোনার জন্য গত কয়েক বছরে বিপুল অর্থ ব্যয় করেছে, যা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর আস্থাহীনতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

কর্মসংস্থানের সংকট ছাড়াও প্রতিবেদনে বিভিন্ন সামাজিক ঝুঁকির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। জিইডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ৮৩ লাখ মানুষ মাদকাসক্তিতে আক্রান্ত, যাদের ৮০ শতাংশই ১৮-৩৫ বছর বয়সী। অনলাইন জুয়ায় এরই মধ্যে ৫০ লাখের বেশি মানুষ যুক্ত, যার বেশিরভাগই তরুণ। এটা নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে ২০২৭ সালের মধ্যে এই সংখ্যা ২ কোটি ছাড়াতে পারে বলেও সতর্ক করেছে জিইডি।

শহরাঞ্চলে, বিশেষ করে ঢাকায়, প্রায় ৫০টি যুব গ্যাং সক্রিয় রয়েছে, যাদের অনেকেই মাদকচক্রের সঙ্গে জড়িত। এ ছাড়া, নারীদের ৮৪ শতাংশ জীবনে কোনো না কোনো সময় হয়রানির শিকার হয়েছে এবং ১০-১৮ বছর বয়সী ৯০ শতাংশ মেয়ে জনসমক্ষে নির্যাতনের অভিজ্ঞতা পেয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বেকারত্ব থেকে সৃষ্ট অবসর সময় ও আর্থিক হতাশা তরুণদের দ্রুত অর্থ আয়ের প্রলোভনে জুয়া বা মাদকের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এ ছাড়া, ১৮-৩৫ বছর বয়সী প্রায় ৫৫ শতাংশ তরুণ বিদেশে যাওয়ার সুযোগ খুঁজছে, যা শুধু কর্মসংস্থানের সংকট নয়, বরং দেশের ভেতরে আস্থার ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।

জিইডি সতর্ক করে বলেছে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের মতো সাম্প্রতিক যুব আন্দোলনগুলো সীমিত অর্থনৈতিক সুযোগ ও শাসন ব্যবস্থায় অংশগ্রহণের অভাব থেকে সৃষ্ট হতাশার প্রতিফলন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দৃঢ় সংস্কার ও সরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি ছাড়া বাংলাদেশ তার জনমিতিক সুযোগ হারাতে পারে, যার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়বে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপর।

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় জিইডি সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছে। জিইডির মতে, এই সংকট মোকাবিলায় বিচ্ছিন্ন উদ্যোগে কাজ হবে না। প্রয়োজন সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি নীতি। শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, শ্রমবাজার ও সামাজিক সুরক্ষা—এই চারটি খাতকে একসঙ্গে এনে কাজ করতে হবে। কারিগরি শিক্ষাকে মূলধারায় আনা, উচ্চশিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ এবং বাজারভিত্তিক স্কিল ডেভেলপমেন্টকে বিকল্প হিসেবে নয়, বরং জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে দেখতে হবে। এ ছাড়া, মাদকাসক্তি মোকাবিলায় শাস্তিমূলক পদ্ধতির বদলে জনস্বাস্থ্যভিত্তিক পন্থা গ্রহণেরও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যেমনটি পর্তুগালে করা হয়েছে। পাশাপাশি ওয়ার্ড, উপজেলা ও জাতীয় পর্যায়ে যুব কাউন্সিল গঠন করে সিদ্ধান্ত গ্রহণে তরুণদের অংশগ্রহণ নিশ্চিতের প্রস্তাব করা হয়েছে জিইডির প্রতিবেদনে।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা চাকরির বাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, ফলে দ্রুত বাড়ছে শিক্ষিত বেকার শ্রেণি। তাদের মতে, বেকারত্ব শুধু আয়হীনতা নয়—এটি হতাশা ও ঝুঁকিপূর্ণ সামাজিক প্রবণতাও বাড়ায়। তাই এই সংকট কাটাতে বাজারমুখী কারিগরি প্রশিক্ষণে জোর দিয়ে আধুনিক কৃষি, টেকনিক্যাল সার্ভিস, রান্না বা ড্রাইভিংয়ের মতো খাতে দক্ষতা বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, যাতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় বাজারেই কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ও সমাজ-অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক কালবেলাকে বলেন, ‘দেশের শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় সংস্কার এখনো হয়নি। ফলে অনেক তরুণ ডিগ্রি অর্জন করলেও প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে টিকে থাকতে পারছে না, যা শিক্ষিত বেকারত্ব বাড়াচ্ছে। দেশে পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকায় অনেক তরুণ বিদেশমুখী হচ্ছে এবং পরিবারগুলোও নানা উপায়ে অর্থ জোগাড় করে তাদের বাইরে পাঠাচ্ছে।’

তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রীয়ভাবে উদ্যোক্তা তৈরির কথা বলা হলেও বাস্তবে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন, প্রশিক্ষণ ও সহায়তা তরুণরা পাচ্ছে না। ফলে তারা নিজেরাও উদ্যোগ নিতে পারছে না। এর ফল হিসেবে একদিকে হতাশা তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে অনেক তরুণ মাদকাসক্তি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে, যা ভবিষ্যতে বড় সামাজিক সংকটে রূপ নিতে পারে।’

ড. তৌহিদুল হক সতর্ক করে বলেন, ‘তরুণদের উৎপাদনশীল সময় কাজে লাগাতে না পারলে তারা পরিবার ও রাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক ও সামাজিক চাপ তৈরি করবে। তাই শিক্ষা, দক্ষতা ও শ্রমবাজারের চাহিদার মধ্যে সমন্বয় এনে সব শ্রেণির তরুণদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। তাই শুধু প্রতিবেদন নয়, এসব সুপারিশ নীতিগতভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। তাহলেই তরুণদের জন্য একটি নিশ্চিত ভবিষ্যৎ তৈরি করা সম্ভব হবে। অন্যথায় এই কর্মহীনতার সংকট ভবিষ্যতে সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।’

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাজেট উপস্থাপনের পর নিত্যপণ্যের দাম বাড়েনি : প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দ্রুত ৬ লেনে উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

সরকারি ফান্ড কীভাবে অপচয় হচ্ছে, জানালেন প্রতিমন্ত্রী নুর

রোববার হচ্ছে না ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি

কবরের পাশে দাঁড়িয়ে ডাকছে ছোট্ট ওকেয়া, ‘মাকে এনে দাও’

মেধাবী প্রকৌশলীদের দেশের কাজে লাগানোর আহ্বান আইনমন্ত্রীর

সিলেটকে পরিবেশবান্ধব সবুজ নগরী গড়ে তুলব : সিসিক প্রশাসক

চট্টগ্রামে ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

গুণীজনদের জীবদ্দশায় সম্মান জানালে সমাজসেবায় উৎসাহ বাড়বে : মৎস্য ও কৃষিমন্ত্রী

১০

বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল

১১

ডেপুটি স্পিকার নেতৃত্বাধীন সংসদীয় দল ঢাকায় ফিরেছেন

১২

আবাসিক হোটেলের দরজা ভেঙে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

১৩

‘বিয়ের আশ্বাসে’ কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেপ্তার

১৪

শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

১৫

বিশ্ব প্রবীণ নির্যাতন সচেতনতা দিবস উদযাপন / মহাত্মা গান্ধী ‘প্রবীণ সেবা পদক’ পেলেন জ্যোতি চট্টোপাধ্যায়

১৬

প্রধানমন্ত্রী ছাড়া কারও মধ‍্যে পরিবর্তনের ছাপ নেই : মঞ্জু 

১৭

বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের আনন্দ মিছিল

১৮

ব্রাজিলের আনন্দ মিছিলে গিয়ে প্রাণ গেল যুবকের

১৯

সতীর্থদের দামি উপহার দেন রোনালদো, কেন জানেন?

২০
X