টি-টোয়েন্টি সংস্করণে নেদারল্যান্ডস অন্যরকম এক দল। নিজেদের সেরা দিনে যে কাউকেই হারিয়ে দেওয়ার সামর্থ্য রাখে তারা। বিশ্বকাপের মতো মঞ্চেও এমন অনেক চমক দেখানোর সুখকর স্মৃতি আছে স্কট এডওয়ার্ডসদের। এবারই প্রথম বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলতে এসেছে তারা। শুরুতেই হুংকার দিল সিরিজ জেতার। আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই ডাচ অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস বললেন, সিরিজ জেতার বিশ্বাস আছে তার।
ইউরোপিয়ান অঞ্চল থেকে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে ডাচরা। ভারতে হতে যাওয়া আসন্ন বিশ্বকাপ ঘিরে বাংলাদেশ থেকেই তাদের প্রস্তুতি শুরু বলা যায়। তবে বাংলাদেশের প্রস্তুতিটা আপাতত এশিয়া কাপকে সামনে রেখেই। পরিসংখ্যানের দিক থেকে আবার নেদারল্যান্ডসের চেয়ে বেশ এগিয়ে বাংলাদেশ। শক্তি, সামর্থ্য কিংবা অভিজ্ঞতা তো আছেই। ঘরের মাঠে ডাচদের বিপক্ষে এগিয়ে থেকেই খেলবেন লিটন দাসরা। এখন পর্যন্ত আইসিসির বিভিন্ন টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে পাঁচ দেখার চারটিতেই হেরেছে সফরকারীরা। একবার জিতেছিল সেটাও ২০১২ সালে। অর্থাৎ এক যুগের বেশি সময় আর জেতা হয়নি তাদের। এর পরও ডাচ অধিনায়ক আত্মবিশ্বাস নিয়েই বললেন, ‘অবশ্যই বিশ্বাস করি, সিরিজ জিততে পারব।’। গতকাল সিলেটে সিরিজ ঘিরে অনুশীলনের আগে সংবাদ সম্মেলনে এডওয়ার্ডস বলেন, ‘প্রতিটি সিরিজে জেতার জন্যই খেলি। আমরা আশা করি, ভালো ক্রিকেট খেলব। যদি যথেষ্ট ভালো খেলতে পারি, তাহলে আমাদের একটা সুযোগ থাকবে।’
বুধবার ঢাকায় এসে সিলেটে পৌঁছায় নেদারল্যান্ডস। কন্ডিশন সম্পর্কে জানার সুযোগ সেভাবে হয়নি। অনুশীলনও তেমন করার সুযোগ নেই। দুদিন পরই খেলতে নামতে হবে তাদেরকে। তারপরও এভাবেই নাকি অভ্যস্ত তারা। এডওয়ার্ডসই বলছেন সে কথা, ‘বেশিরভাগ সময় এভাবেই আমরা সিরিজের জন্য প্রস্তুতি নিই, দুটি বা তিনটি দিন অনুশীলনের সুযোগ থাকে। আমাদের অনেকেরই এ অভিজ্ঞতা আছে। উপমহাদেশে আমাদের যে অভিজ্ঞতাগুলো আছে, তা নিয়ে আসব। নতুনদের জন্যও দ্রুত শিখতে হবে প্রস্তুতি নেওয়া। অবশ্যই সিরিজটা কঠিন। বাংলাদেশে এসে তাদের বিপক্ষে খেলতে গিয়ে অনেকেই ভুগেছে।’
২০২৩ বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে হারিয়েছিল নেদারল্যান্ডস। যদিও সেটা ছিল ভিন্ন সংস্করণ। তবে এ সময়ে দুই দলের মধ্যে আরও পার্থক্য এসেছে বলে মনে করেন ডাচ অধিনায়ক। সেই স্মৃতি যে খুব বেশি আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে না, সেটাও অকপটে মেনে নিলেন তিনি, ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ দুটিই। এটি ভিন্ন সংস্করণ ও কন্ডিশন; কিন্তু ম্যাচ জেতা সব সময় আত্মবিশ্বাস জোগায়। দুটি দলই অনেক বদলে গেছে এখন (দুই বছর আগের তুলনায়)। আমরা আত্মবিশ্বাসী এবং সিরিজটার দিকে তাকিয়ে আছি।’
মন্তব্য করুন