নূর হোসেন মামুন, চট্টগ্রাম
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৫, ১২:০০ এএম
আপডেট : ১২ মে ২০২৫, ০৮:০৩ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামে চার্জশিট হলেও মামলার অগ্রগতি নেই

হাসনাত-সারজিসকে হত্যাচেষ্টা
চট্টগ্রামে চার্জশিট হলেও মামলার অগ্রগতি নেই

চট্টগ্রামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক দুই সমন্বয়ক (বর্তমান এনসিপি নেতা) হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমকে ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যাচেষ্টার মামলার তেমন অগ্রগতি নেই। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দিলেও এর বাইরে নতুন কোনো হালনাগাদ নেই বলে জানিয়েছেন লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম।

সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন ঘিরে সংঘর্ষে গত বছরের ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রামে নিহত হন আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ। তার বাড়ি লোহাগাড়ার চুনতি ফারাঙ্গায়। সেখানে ২৭ নভেম্বর হাসনাত আব্দুল্লাহ, সারজিস আলমসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রায় ১৫ জন চট্টগ্রাম থেকে চুনতির ফারাঙ্গা এলাকায় যান। সাইফুল ইসলাম আলিফের কবর জিয়ারত শেষে ফেরার পথে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চুনতি ইউনিয়নের হাজী রাস্তার মোড়ে হাসনাত ও সারজিসের গাড়িতে ধাক্কা দেয় একটি ট্রাক। বৈষম্যবিরোধী নেতারা ট্রাকচাপা দিয়ে তাদের হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তোলেন। পরে সেই ট্রাকের চালক মুজিবর রহমান (৫২) ও তার ছেলে হেলপার মোহাম্মদ রিফাতকে আটক করে পুলিশ। ওই ঘটনায় বাদী হয়ে একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেন চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানার সুগন্ধা আবাসিক এলাকার আহমেদ নেওয়াজ। ওই মামলায় এই দুজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। তাদের বাড়ি ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার মঠবাড়ী এলাকায়।

লোহাগাড়া থানার ওসি মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, সড়ক পরিবহন আইনের মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত সেই ট্রাকটি এখনো থানা হেফাজতে রয়েছে। শুনেছি তারা দুজনই জামিনে রয়েছেন। এর বেশি নতুন কোনো আপডেট নেই।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা লোহাগাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম বলেন, শুনেছি ফেব্রুয়ারির দিকে তারা দুজন জামিনে বের হয়েছেন। এ ঘটনায় তাদের দুজনকে রিমান্ডে আনা হয়েছিল। সবকিছু তদন্ত করে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। তবে থানার বাইরে থাকায় এই মুহূর্তে বিস্তারিত বলা সম্ভব নয়।

বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের যুগ্ম আহ্বায়ক খান তালাত মাহমুদ রাফি বলেন, চট্টগ্রামে সেদিন ট্রাকটি গাড়িকে চাপা দেওয়ার পর আরও দুটি বাইককে চাপ দেয়। বাইক দুটি আমাদের ছিল। ট্রাকের চালক এবং হেলপারকে ধরে আমরা যখন জিজ্ঞেস করি গাড়িতে কেন চাপা দেওয়া হলো? তখন তারা বলতে থাকেন, চাপা দিয়েছি, কী করবেন? মারবেন? মেরে ফেলেন। জেলে দেবেন? দেন। এরপর তারা আটক হয়েছে শুনেছিলাম। কিন্তু পরবর্তী সময়ে কী হয়েছে, সেই খবর আর জানা নেই।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আ.লীগ নেতা এখন জামায়াত ইসলামীর ওয়ার্ড আমির

অবশেষে সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন মার্টিন

ঢাকার বাতাস আজ খুবই অস্বাস্থ্যকর

বাংলাদেশের দেয়া চিঠির জবাব কবে দিচ্ছে আইসিসি, জানাল বিসিবি

বাসায় ডেকে নবম শ্রেণির ২ শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ

বাংলাদেশ ইস্যুতে আজ ভারত-আইসিসির বৈঠক, আলোচনা হবে যেসব বিষয়

তীব্র শীতে কাঁপছে তেঁতুলিয়া, তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রির ঘরে

রাজধানীতে আজ কোথায় কী

কেমন থাকবে আজকের ঢাকার তাপমাত্রা

ভেনেজুয়েলার মতো কৌশল কি ইরানের ক্ষেত্রেও খাটাবে যুক্তরাষ্ট্র?

১০

আমি নেতা হতে চাই না, আপনাদের সেবক হতে চাই : সেলিমুজ্জামান

১১

১১ জানুয়ারি : ইতিহাসের এই দিনে যা ঘটেছিল

১২

জনগণকে সরকারের পক্ষে নামার আহ্বান ইরানি কর্তৃপক্ষের

১৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছাত্রদলে যোগ দিলেন গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া শতাধিক শিক্ষার্থী

১৪

জনগণের সঙ্গে ‘গভীর বিশ্বাসঘাতকতা’ করছে ইরান : ওয়াশিংটন

১৫

সাংবাদিকের বাড়িতে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ 

১৬

রোববার রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ

১৭

২০৩৯ সালে বিরল যে ঘটনার সাক্ষী হতে পারে মুসলিম বিশ্ব

১৮

সিরিয়ায় আইএসের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বড় হামলা

১৯

ইরানে বিক্ষোভ দমনে ছোড়া হচ্ছে তাজা গুলি, হাজারেরও বেশি নিহতের শঙ্কা

২০
X