বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
রীতা ভৌমিক
প্রকাশ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৩:৫৭ এএম
আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৮:৩১ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

অবশেষে যমুনার কালীগঙ্গা মোহনায় হচ্ছে বেড়িবাঁধ

কালবেলায় প্রতিবেদনের পর নির্মাণকাজ শুরু
অবশেষে যমুনার কালীগঙ্গা মোহনায় হচ্ছে বেড়িবাঁধ

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধ নির্মাণকাজ চলছে। যমুনায় বিলীন হওয়া ঘরবাড়ি, বিদ্যালয়, জমি, বাজার, দোকানপাট, অফিস ইত্যাদি নিয়ে গত বছরের ২৮ জুন ‘যমুনার গ্রাসে নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ’ এবং ১৫ অক্টোবর ‘ভাঙছে নদী ভাঙছে ভবিষ্যতের স্বপ্ন’ শিরোনামে দুটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয় দৈনিক কালবেলা সংবাদপত্রে। সেখানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ হয়। এরপর চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি দপ্তিয়র ইউনিয়নে বেড়িবাঁধ নির্মাণকাজ শুরু হয়। প্রতিদিন বাঁধ নির্মাণের কাজ দেখতে বিভিন্ন পেশার হাজার হাজার মানুষ এখানে সমবেত হচ্ছে।

নিশ্চিন্তপুরে স্থায়ী বাঁধের মূল ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন আহসানুল ইসলাম (টিটু) এমপি। আগামীতে যমুনা ব্রিজ থেকে আরিচা ঘাট পর্যন্ত বেড়িবাঁধের ওপর দিয়ে লিঙ্ক রোড নির্মাণ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান এই নতুন জনপ্রতিনিধি।

সরেজমিন দেখা যায়, চারটি ভেকু দিয়ে যমুনার মোহনা কালীগঙ্গার মুখে ৫০০ ফুটের বেশি গভীর খনন কাজ চলছে। জিওব্যাগও ফেলা হচ্ছে নদীর তীরে।

জালাই গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ সেতাব আলী। ইমামতির পাশাপাশি কৃষিকাজ করেন। কালবেলাকে তিনি জানান, তার বাড়ি থেকে নিশ্চিন্তপুর মাত্র তিন কিলোমিটারের পথ। তার ইউনিয়নের বাটকাটারিতে যমুনার মোহনা কালীগঙ্গা নাম হয়ে ঘিওরের তরার দিকে গেছে। পলি পড়ে সে মোহনার মুখ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এ কারণে নদীভাঙনে অনেক গ্রাম নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। এখন কালীগঙ্গার মুখ খনন করে শুধু জিওব্যাগ ফেললে স্রোত নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়, সেজন্য ব্লকও দিতে হবে।

বাঁধ নির্মাণের তদারকিতে আছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়ার্ক অ্যাসিস্ট্যান্ট মোহাম্মদ নাছির আহমেদ। তিনি কালবেলাকে জানান, ইউনিয়নের পুরো এলাকাই ডাম্পিং হচ্ছে। জিওব্যাগ ফেলা হচ্ছে। তাতেও ভাঙন রোধ না হলে ব্লক করা হবে।

ফৈয়জপুর গ্রামের মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন যমুনাপাড়ের অস্থায়ী হাটে বাঁশ বিক্রি করেন। নদীভাঙনে কমপক্ষে ১৮ বিঘা জমি হারিয়েছেন ৬০ বছরের এই বৃদ্ধ। তিনি জানান, বাঁধ হচ্ছে দেখে গ্রামবাসী খুশি। এই বাঁধের কারণে এখন বাড়িটা বাঁচলেই আল্লাহর কাছে শুকরিয়া। না হলে বাস্তুহারা হব।

বাঁধের কাজ দেখতে এসেছেন মোহাম্মদ খুলছান। তার বাড়ি মাত্র আধা মাইল দূরে। তিনি জানান, নদীভাঙনে আগেই সর্বস্বান্ত হয়েছি। বাঁধটা নির্মাণের মাধ্যমে গ্রামের বাড়িগুলো রক্ষা পেলেই সবাই খুশি।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কোয়ার্টার ফাইনালে কে কার মুখোমুখি, খেলা কখন

ব্রাহ্মণপাড়ায় ৬১ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই, ব্যাহত শিক্ষা কার্যক্রম

ছেলে হত্যার মামলা প্রত্যাহার না করায় বাবাকে গুলি

মিরসরাইয়ের সব ঝরনায় পর্যটক প্রবেশ নিষিদ্ধ

ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

দয়া করে ফিলিস্তিনিদের বাঁচতে দিন, বিশ্বকাপে মিশরের কোচ

একযোগে ইরানে ৮০টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

ছেলের স্মৃতিতে বিনামূল্যে তৃষ্ণার্ত ট্রেনযাত্রীদের পানি পান করান মুন্নু শেখ

যবিপ্রবিতে খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে মারামারি, সাংবাদিকদের ওপর হামলা

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে ‘কঠোর প্রতিক্রিয়ার’ হুঁশিয়ারি ইরানের

১০

চট্টগ্রাম বোর্ডের বুধবারের এইচএসসি-সমমান পরীক্ষা স্থগিত

১১

আবহাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ, পাঁচ বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস

১২

দাবদাহে পুড়ছে স্পেন, ৪৪ ডিগ্রি ছুঁতে পারে তাপমাত্রা

১৩

সড়ক দুর্ঘটনায় এনসিপি নেতা ফাইয়াজ নিহত

১৪

যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ার পাশে দাঁড়াতে ফ্রান্সের নতুন উদ্যোগ

১৫

৮ জুলাই  / ইতিহাসের এই দিনে উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলি

১৬

বুধবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ

১৭

আজকের নামাজের সময়সূচি

১৮

ইরানের তেল বিক্রির অনুমতি বাতিলের সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের

১৯

ইরানে বিমান হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র

২০
X