মাহমুদুল হাসান
প্রকাশ : ২৭ মার্চ ২০২৪, ০২:৩৩ এএম
আপডেট : ২৭ মার্চ ২০২৪, ০৯:০৬ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

অন্ধকারে অনিয়মের তদন্ত প্রতিবেদন

ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ
অন্ধকারে অনিয়মের তদন্ত প্রতিবেদন

রাজধানীর ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের নানা অনিয়ম নিয়ে গত বছর ৭ নভেম্বর কালবেলায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। ‘ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ; অনিয়ম যেখানে নিয়ম’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. মহিউদ্দিন মাতুব্বরকে সভাপতি করে অধিদপ্তরের বেসরকারি মেডিকেল কলেজ বিভাগের সহকারী পরিচালক ডা. উপল সিজারকে সদস্য সচিব এবং মুগদা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষসহ তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি গত ২৭ ডিসেম্বর সরেজমিন মেডিকেল কলেজ ঘুরে তদন্ত শেষে প্রতিবেদন জমা দেন। এরপর কেটে গেছে নতুন বছরের অন্তত আড়াই মাসের বেশি সময়। কিন্তু প্রতিবেদনের আলোকে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।

এর আগে বিদেশি শিক্ষার্থীর আসনে দেশি শিক্ষার্থী ভর্তি, মেধাতালিকায় নেই এমন শিক্ষার্থী নাম নিবন্ধনের জন্য প্রেরণ, নিরাপত্তা তহবিলের টাকা তুলে নেওয়া, প্রাক্তন অধ্যক্ষের স্বাক্ষর জালিয়াতি, বেসরকারি মেডিকেল কলেজে নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষক, অবকাঠামো ও অন্যান্য সুবিধাদি না থাকার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কলেজ পরিদর্শক দপ্তর গত বছরের ৬ জুন সুনির্দিষ্টভাবে ১৩টি বিষয়ে জানতে চেয়ে কলেজের অধ্যক্ষের কাছে একটি চিঠি দেয়। কিন্তু মেডিকেল কর্তৃপক্ষ সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেনি। কলেজে কর্মরত একাধিক চিকিৎসক ও শিক্ষার্থী জানান, অনিয়মের তদন্ত প্রতিবেদনের আলোর মুখ দেখার সম্ভাবনা খুবই কম।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রের তথ্যমতে, বিদেশি শিক্ষার্থী কোটায় তিনজন দেশি শিক্ষার্থী ভর্তি প্রস্তাব, সাবেক অধ্যক্ষের স্বাক্ষর জালিয়াতি এবং ফান্ডের টাকা তছরুপ বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটিতে কোনো হ্যান্ডরাইটিং এক্সপার্ট ছিল না। অডিট এক্সপার্ট ছিল না। তাই দুটি বিষয়ে কোনো বিশ্লেষণ করা সম্ভব হয়নি। তবে বিদেশি শিক্ষার্থী কোটায় তিনজন দেশি শিক্ষার্থী ভর্তির প্রস্তাব বিষয়ে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ মিলেছে। তবে এখন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি অধিদপ্তর।

জানতে চাইলে তদন্ত কমিটির প্রধান অধ্যাপক ডা. মহিউদ্দিন মাতুববর কালবেলাকে বলেন, আমরা নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। এরপর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে কি না তা আমার জানা নেই।

এ বিষয়ে জানতে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. টিটু মিঞাকে

ফোন করা হয় এবং খুদেবার্তা পাঠানো হয়; কিন্তু তিনি সাড়া দেননি।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যুক্তরাষ্ট্রের স্টুডেন্ট ভিসায় আসছে বড় পরিবর্তন

ইরান হরমুজ প্রণালি থেকে টোল নেবে না, দাবি ট্রাম্পের

সঞ্চয়পত্র নিয়ে কঠোর নির্দেশনা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

বিরিয়ানি খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, গ্রেপ্তার ২

ঘানার কালো জাদুই কি কাল হলো ইংল্যান্ডের

শনিবার পৃথিবীর পাশ দিয়ে উড়ে যাবে বিশাল গ্রহাণু

ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে বলেছিলেন, ‘সব ইহুদিই তোমার ওপর বিরক্ত’

দলে একাধিক বদল, স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ফাঁস ব্রাজিলের মাস্টারপ্ল্যান!

জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসবে: শ্রমমন্ত্রী

সাংবাদিক হেনস্তার ঘটনায় সেই এসিল্যান্ডকে বদলি

১০

অনলাইন জুয়া চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

১১

ভোজপুরির প্রশংসায় অক্ষয়, বললেন 'ওরা কিছুই বুঝবে না'

১২

তিন নেতার রোগমুক্তি কামনায় ১২ দলীয় জোটের দোয়া 

১৩

গুণীদের সম্মান জানালে গর্বিত জাতি হবে বাংলাদেশ: মঈন খান

১৪

নকআউটে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কারা হতে পারে, সমীকরণ কী বলছে?

১৫

সারওয়ার আমাদের চোখ খুলে দিয়েছেন: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী

১৬

১১ হাজার নাবিককে উদ্ধার করতে হরমুজে চালানো হবে অভিযান

১৭

ডিসি সারওয়ারের বদলি নিয়ে যা বললেন শ্রমমন্ত্রী

১৮

১/১১ সরকারের সময়ে তারেক রহমানের নির্যাতনের বিচার চাইলেন শাম্মী আক্তার

১৯

বিরোধীরা ফ্যাসিস্ট চিন্তা-চেতনা লালন করে: রিজভী

২০
X