বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
ফারহান মাসউদ, গোলাপগঞ্জ (সিলেট)
প্রকাশ : ২৮ জুন ২০২৫, ১২:০০ এএম
আপডেট : ২৮ জুন ২০২৫, ০৭:১৬ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
সিলেটের গোলাপগঞ্জ

বাড়ির আঙিনা পাখপাখালির অভয়ারণ্য

বাড়ির আঙিনা পাখপাখালির অভয়ারণ্য

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা একটি বাড়িতে মানুষের সঙ্গে মিলেমিশে রয়েছে হরেক রকম পাখি ও প্রাণী। পাখপাখালির থাকার ঘরগুলোকে খাঁচা বললেও ভুল হবে না। কারণ ময়ূর, ইমুসহ পাখিগুলো তাদের ঘর থেকে বেরিয়ে দিব্বি বাইরে ঘুরে বেড়ায়, আবার আপন মনে ঢুকে পড়ে।

যদিও প্রাচীরঘেরা বাড়িটির বাইরে বের হওয়ার সুযোগ তাদের নেই, তবে ভেতরটাই যেন এক অভয়ারণ্য।

এ সৌন্দর্যের দেখা মিলবে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ভাদেশ্বর ইউনিয়নের পূর্বভাগে অবস্থিত একটি বাড়িতে। ‘হরিণওয়ালা বাড়ি’ পরিচিত এই বাড়ির মালিক প্রবাসী আলী আহমদ চৌধুরী। এ বাড়িটি হরিণসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর সংগ্রহশালা হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছে। আর প্রতিদিন ওই বাড়িতে যায় শিশু থেকে বিভিন্ন বয়সের দর্শনার্থী।

শখের বশে বন বিভাগের অনুমোদন নিয়ে ২৫ বছর ধরে বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী বাড়ির আঙিনায় পালন করে আসছেন আমেরিকাপ্রবাসী আলী আহমদ চৌধুরী।

সড়কের পাশে প্রাচীরঘেরা বাড়িটি দেখে বোঝার উপায় নেই, বাড়ির আঙিনায় বিচরণ এত প্রজাতির প্রাণীর। প্রাচীরঘেরা বাড়িতে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে হরিণ, ইমু, ময়ূর, কালিম পাখি, চায়না প্রজাতির সাদা, সিলভার ও কালো তোতা, অস্ট্রেলিয়ান ঘুঘু, আমেরিকান ম্যান্ডারিন, চুটি হাঁস, রাজহাঁসসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী।

সরেজমিন গাছ আর ফুলের বাগানবেষ্টিত বাড়ির প্রবেশদ্বার পেরোলেই শোনা যায় পাখির কিচিরমিচির। বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখে বিস্মিত হতে হয়। খাঁচা থেকে বের হয়ে বাড়ির উঠানে ঘুরে বেড়াচ্ছে ময়ূর, ইমু পাখি ও হাঁসগুলো। সেই দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করছেন দেখতে আসা দর্শনার্থীরা। একটু সামনে এগোতেই বাম পাশে দেখা যায় হরিণের খাঁচা। হরিণগুলো অপরিচিত মানুষ দেখে এক পাশ থেকে চলে যায় অন্য পাশে।

শিশু সন্তানকে সঙ্গে এসেছেন বেশ কয়েকজন দর্শনার্থী। তারা জানালেন, পরিবেশ দেখে তারা মুগ্ধ, অভিভূত হয়েছেন। তাদের সন্তানও কাছ থেকে বাহারি এসব পশুপাখি দেখে ভীষণ আনন্দিত।

এ প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হয় বাড়ির মালিক আমেরিকাপ্রবাসী আলী আহমদ চৌধুরীর সঙ্গে। ষাটোর্ধ্ব বয়সের এই ব্যক্তি বেশিরভাগ সময় দেশেই থাকেন। তিনি বলেন, ‘শখের বসে বন বিভাগের অনুমোদন নিয়ে ২০০০ সাল থেকে বাড়ির আঙিনায় বিভিন্ন জাতের পশুপাখি পালন করছি। এসব প্রাণীর প্রতি এক অন্যরকম মায়া পড়ে গেছে। এলাকার শিশু থেকে শুরু করে অনেক মানুষ প্রতিনিয়ত অদেখা এই প্রাণীগুলো সরাসরি দেখতে আসেন। এটাই আমাকে আনন্দিত করে।’

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীকে মারধর, দুই ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার

ডিমলায় বাড়ছে অনলাইন জুয়ার বিস্তার, উদ্বেগে অভিভাবক ও সচেতন মহল

বিকেলে বাবার দাফন, রাতে এটিএম বুথে ডিউটি, সকালে এইচএসসি পরীক্ষা

জুলাই শহীদদের স্মরণে ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে ছাত্রদলের দোয়া ও মিলাদ বুধবার

বিয়ে নিয়ে শুভঙ্করের ফাঁকি, জামায়াত এমপির গোমর ফাঁস করলেন কাজী  

থাইল্যান্ডে আন্তঃদেশীয় অপরাধ সম্মেলন শেষ, কর্মব্যস্ত সময় কাটালেন আইজিপি

রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা

আরএফএল কর্মীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার, সহকর্মী পলাতক

অবৈধ পথে ইতালি যাওয়ার চেষ্টা, হাঙ্গেরিতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

নতুন বাংলাদেশ গড়তে এনসিপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: হাসনাত আব্দুল্লাহ

১০

‘রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে’

১১

বিশ্বকাপ ফাইনালের মারামারিতে যে শাস্তি পেতে পারেন আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়রা

১২

হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়তে চান সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট, দাবি ট্রাম্পের

১৩

হুতিদের হুমকির মুখে লোহিত সাগর থেকে ফিরে গেল ২ সৌদি জাহাজ

১৪

চুক্তি আগস্টে / এবার এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনছে সরকার

১৫

উন্নয়ন কোনো দলের নয়, জনগণের অধিকার: মান্নান

১৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যাদের প্রার্থী হতে সুযোগ দেবে না ইসি

১৭

কুয়াকাটায় বসতবাড়ি থেকে পদ্ম গোখরা উদ্ধার

১৮

ইরানে হামলা না চালালে আজ ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না: ট্রাম্প

১৯

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশনের খাদ্য সহায়তা

২০
X