আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীন আরও ২২ হাজার ১০১টি পরিবারের মধ্যে ভূমিসহ সেমিপাকা ঘর হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার (৯ আগস্ট) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারগুলোর মধ্যে ভূমিসহ সেমিপাকা ঘর হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী।
এর মধ্য দিয়ে দেশের আরও ১২টি জেলা গৃহহীন ও ভূমিহীনমুক্ত হলো। এ নিয়ে গৃহ ও ভূমিহীনমুক্ত জেলার সংখ্যা ২১টি।
তারই অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায়ে উপজেলায় নির্ধারিত ১২০টি ঘরের মধ্যে ৮৫টি ঘর ভূমি-গৃহহীনদের মাঝে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে আজ বুধবার (৯ আগস্ট) সকাল ১১টায় মিরসরাই উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা সম্মেলন কক্ষে গৃহহীন ও ভূমিহীনদের মাঝে ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন উপজেলা প্রশাসন। অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজা জেরিন গৃহহীন ও ভূমিহীনদের মাঝে ঘরের চাবি দলিলসহ তুলে দেন।
মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাহফুজা জেরিন জানান, চতুর্থ ধাপে মোট ১৮০টি পরিবারকে নতুন ঘরে পুনর্বাসন করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে হিঙ্গুলী ইউনিয়নের রসুলপুর আশ্রায়ন প্রকল্প-২ এ ৩৫টি ঘর ইতোমধ্যেই উপকারভোগীদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে উদ্বোধনের পর একই ধাপে নির্মিত ইছাখালী ইউনিয়নে ৩৬ ও জোরারগঞ্জ ইউনিয়নে ৪৯টি ঘর ও জমির দলিল উপকারভোগীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেলেন ১০০ পরিবার
ইউএনও আরও জানান- প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে মোবারকঘোনা আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পে ৯৫, কিছমত জাফরাবাদ আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পে ১০৯টি গৃহ নির্মাণ করে সেখানে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসিত করা হয়েছে। মুজিববর্ষ উপলক্ষে এ পর্যন্ত মোট ৪১৯টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজা জেরিনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন- উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এম আলা উদ্দিন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জাকিরুল ফরিদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ চন্দ্র রায়, ইছাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল মোস্তফা, জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মাস্টার, মিরসরাই প্রেসক্লাবের সভাপতি নুরুল আলম ও সিনিয়র সাংবাদিক বিপুল দাশ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন