হরিরামপুর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৮ জুলাই ২০২৪, ০৩:০৩ পিএম
আপডেট : ০৮ জুলাই ২০২৪, ০৩:৩১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

পদ্মা তীর রক্ষা বাঁধে ধস, আতংকে এলাকাবাসী

তীর রক্ষা বাঁধে ধস রোধে জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের উদ্যোগ নেয় পানি উন্নয়ন বোর্ড। ছবি : কালবেলা
তীর রক্ষা বাঁধে ধস রোধে জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের উদ্যোগ নেয় পানি উন্নয়ন বোর্ড। ছবি : কালবেলা

উজান থেকে নেমে আসা বন্যার পানির তীব্র স্রোত আর কয়েক দিনের টানা বর্ষণে মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্র আন্ধারমানিক ঘাট এলাকায় পদ্মা নদীর তীর রক্ষা অস্থায়ী বাঁধে ধস দেখা দিয়েছে। পানির তীব্র স্রোতে ওই এলাকায় জিও ব্যাগ ধসে মাটি বের হয়ে আসে। এতে তীব্র ভাঙন আতংকে পড়েছেন এলাকাবাসী।

জানা যায়, ২০০৯ সালের দিকে পদ্মা ভাঙন রোধে খালপাড় বয়ড়া ও ভাওড়ডাঙ্গী এলাকায় বেশ কয়েক কিলোমিটার সিসি ব্লক ফেলে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হয়। বাকি এলাকা ২০১৬ সাল থেকে উপজেলার ধূলশুড়া থেকে কাঞ্চনপুর পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হয়। তাতেও যেন থামছে না পদ্মার করাল গ্রাস। প্রতি বছরই কোনো না কোনো এলাকায় ভাঙন দেখা দিচ্ছে। বিলীন হয়ে যাচ্ছে বসত বাড়ি, জমিজমাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

চলতি বর্ষা মৌসুমে পদ্মায় পানি বৃদ্ধিতে তীব্র স্রোতে আবারও নদীতীর রক্ষা বাঁধে ধস দেখা দিলে জরুরি ভিত্তিতে আপদকালীন জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে অস্থায়ী নয়, ভাঙন রোধে স্থায়ী বেরিবাঁধের দাবি স্থানীয়দের।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাঈন উদ্দীন জানান, বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই পদ্মায় পানি বৃদ্ধিতে প্রবল স্রোতে কিছু কিছু জায়গায় ধস দেখা দিয়েছে। এর ফলে জরুরি ভিত্তিতে উপজেলার আন্দারমানিক ঘাট সংলগ্ন এলাকার উজানে এবং ভাটিতে প্রায় ৩০০ মিটার ভাঙনকবলিত অংশে ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে জিও-ব্যাগ ডাম্পিং কাজ চলমান আছে। এ বছর বন্যার তীব্রতা বিগত সময়ের থেকে বেশি হবে বলে পূর্বাভাস রয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে হয়ত বিভিন্ন অংশে আরও ভাঙন দেখা দিতে পারে। তবে আমাদের মনিটরিং অব্যাহত আছে। কোথাও ভাঙন দেখা দিলে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে দ্রুত কাজ বাস্তবায়ন শুরু করবো, ইনশাআল্লাহ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

তেহরানে আজ খামেনির প্রতি শেষশ্রদ্ধা, শোকার্ত লাখো মানুষের ঢল

সড়কের পাশে পড়ে ছিল নবজাতক, হাসপাতালে ভর্তি

‘দুঃখজনক, ইনশাআল্লাহ আগামীবার’

২০ শিশুসহ শত ফিলিস্তিনিকে আশ্রয় দিল স্পেন

রেকর্ডভাঙা তাপপ্রবাহের পর ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে ফ্রান্স

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ, আবেদন করতে পারবেন যারা

একবারেই পে-স্কেল বাস্তবায়নের সুপারিশ, বৈঠক আজ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

‘ইউএনও’কে স্যার বললে আমাকেও বলতে হবে

স্বাস্থ্যমন্ত্রী / শনিবারের মধ্যে ক্লিনিকে ডেলিভারি রুম না করলে লাইসেন্স বাতিল

১০

 ১২ হাজারের বেশি অবৈধ অভিবাসীকে ফেরত পাঠাল সৌদি আরব

১১

পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে আপিল শুনানি আবারও শুরু

১২

শিশু আসমা হত্যা মামলার রায় আজ

১৩

নতুন দায়িত্ব পেলেন ৩ মন্ত্রী 

১৪

নেইমারের বিদায়ে আবেগী পলাশ / ‘কিংবদন্তির গল্প কখনোই শেষ হয় না’

১৫

ভারী বৃষ্টির মধ্যে মুম্বাইয়ে ভবন ধস, নিহতদের পাঁচজনই শিশু

১৬

বরিশালের সেই ঘটনায় সামনে এলো নতুন তথ্য

১৭

শেষ পর্যায়ে কাজ, এবার কমলাপুর পর্যন্ত ছুটবে মেট্রোরেল

১৮

খামেনির শেষবিদায় ঘিরে তেহরান মেট্রোতে রেকর্ড যাত্রীর যাতায়াত

১৯

হাসপাতালে ব্রাজিলের দুই সমর্থক

২০
X