মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৭ আগস্ট ২০২৩, ১১:৪৭ এএম
অনলাইন সংস্করণ

কুড়িগ্রামে তিস্তার স্রোতে দেবে গেছে ৩০ মিটার স্পার

আরসিসি স্পারটির ৩০ মিটার পানির স্রোতে দেবে গেছে। ছবি : সংগৃহীত
আরসিসি স্পারটির ৩০ মিটার পানির স্রোতে দেবে গেছে। ছবি : সংগৃহীত

কুড়িগ্রামের রাজারহাটের বুড়িরহাটে তিস্তা নদীর প্রবল পানির তোড়ে দেবে গেছে আরসিসি অংশের ৩০ মিটার স্পার। রোববার (২৭ আগস্ট) সকালে কনক্রিটের আরসিসি স্পারটি দেবে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন।

শনিবার (২৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিস্তা নদীর অংশের ওই স্পারটিতে এ ঘটনা ঘটে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, উজান থেকে নেমে আসা পানির তীব্র স্রোতের আঘাতে স্পারটির মাথার অংশে ৩০ মিটার দেবে গেছে। বাকি ৩০ মিটার রক্ষায় বালু ভর্তি জিওব্যাগ ফেলানোর কাজ চলছে। ১৯৯৫ সালে নির্মিত আরসিসি স্পারটির দৈর্ঘ্য ৬০ মিটার।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে শুক্রবার থেকে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবল স্রোতে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে রাজারহাট উপজেলার বুড়িরহাট এলাকায় তিস্তার বামতীরে নদী শাসনের জন্য নির্মিত ১৫০ মিটার মাটির বাঁধের মাথায় ৩০মিটার করে দুই অংশে ৬০ মিটার আরসিসি স্পারের ওপর পানির প্রবল চাপ পড়ে। পানি তীব্র চাপ অব্যাহত থাকায় প্রথমে মাথার অংশে ৩০মিটার স্পার হেলে যায়। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে পানিতে দেবে যায়।

স্পারটি দেবে যাওয়ায় ভাঙনের হুমকিতে পড়েছে ভাটির দিকে বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের রামহরি, মেদনী, কালীরমেলাসহ কয়েকটি গ্রামের ঘরবাড়ি।

স্থানীয়রা জানান, স্পার ও বাঁধের বাকি অংশ রক্ষা করা না গেলে ভাঙ্গনের কবলে পড়বে এসব গ্রামের ঘর-বাড়িসহ নানা স্থাপনা।

বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের রামহরি এলাকার ইদ্রিস মিয়া বলেন, স্পারটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে রাতে দুঃশ্চিন্তায় ঘুমাতে পারিনি আমরা। দ্রুত এটি মেরামত না করা হলে এই এলাকাটি থাকবে না। তিস্তার ভাঙনে বিলীন হয়ে যাবে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, ১৫০ মিটার বাঁধ ও আরসিসি স্পারের বাকি ৩০ মিটার রক্ষায় রাতদিন কাজ চলমান থাকবে। আশা করছি বাঁধ ও বাকি আরসিসি স্পার রক্ষা করা সম্ভব হবে।

কালবেলা/এমএ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

স্বৈরাচার বিতাড়িত হওয়ার পর ‘গুপ্তবাহিনী’ ধীরে ধীরে আত্মপ্রকাশ করে: প্রধানমন্ত্রী

গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণ জানাল তিতাস

ডেঙ্গুর আর্থিক ক্ষতি বছরে ৫ হাজার কোটি টাকা: ডা. মোসলেহ উদ্দীন

বাজার থেকে আরও ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ

ইসলামোফোবিয়া প্রতিরোধে অস্ট্রেলিয়া সরকারের উদ্যোগ

ফাইনালে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের ৫ কারণ 

কারখানায় বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও ২ শ্রমিকের মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কৌশল বুঝে ফেলেছে ইরান: গালিবাফ

অস্ত্রোপচারে ড্রিলের ফলা রেখে সেলাইয়ের অভিযোগ

ভারতে প্রথম ডেঙ্গু টিকার অনুমোদন, কারা নিতে পারবেন

১০

উগ্রবাদে জড়িতের অভিযোগে গ্রেপ্তার মামুন রিমান্ডে

১১

ভূয়াপুর-তারাকান্দি মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ

১২

নেত্রকোনায় নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, সড়কে ধস

১৩

অস্ট্রেলিয়ায় আহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর চিকিৎসায় প্রবাসীদের মানবিক উদ্যোগ

১৪

এফওপিএল নীতিমালা দ্রুত চূড়ান্তের আহ্বান, নীতি পর্যালোচনায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর

১৫

বসছে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম / থার্ড টার্মিনাল চালাতে সেপ্টেম্বরের মধ্যে জাপানের সঙ্গে চুক্তি

১৬

নিজের স্বার্থের জন্য দেশকে বিক্রি করা চলবে না: ফয়জুল করীম

১৭

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালকে ফেরত চেয়ে ভারতকে চিঠি

১৮

মাদক-চাঁদাবাজদের ধরিয়ে দিলে লাখ টাকা পুরস্কার

১৯

যমুনায় পানি বৃদ্ধি, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ রক্ষায় দিন-রাত কাজ করছে পাউবো

২০
X