চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:০৯ পিএম
আপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০২৫, ১১:০০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

বিএনপির প্রচারণায় গুলি, নিহত ১

নিহত সরওয়ার হোসেন ওরফে বাবলা। ছবি : কালবেলা
নিহত সরওয়ার হোসেন ওরফে বাবলা। ছবি : কালবেলা

চট্টগ্রামে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর সঙ্গে নির্বাচনী গণসংযোগে অংশ নিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যাওয়া সেই সরওয়ার হোসেন ওরফে বাবলা (৪৩) পুলিশের তালিকার একজন শীর্ষ ‘সন্ত্রাসী’। তার বিরুদ্ধে রয়েছে চাঁদাবাজি, অস্ত্র, হত্যাসহ ১৫টি মামলা।

তবে বিএনপি বলছে, সরোয়ার তাদের কেউ নন। জনসংযোগে শত শত লোক অংশ নেন। পুলিশ সূত্র জানায়, সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদের সঙ্গে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তার প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসী সরওয়ার হোসেনকে গুলি করা হয়।

বুধবার (০৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহেদুল কবির বলেন, গুলিতে আহত সরোয়ার মারা গেছেন।

এর আগে গত ৩০ মার্চ নগরের বাকলিয়া অ্যাকসেস রোড এলাকায় একটি প্রাইভেটকারে গুলি চালিয়ে সরোয়ারকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। ওই সময় প্রাইভেটকারে থাকা দুজন ঘটনাস্থলে মারা যান। সেদিন ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান সরোয়ার।

আরও পড়ুন : গণসংযোগের সময় বিএনপির প্রার্থী গুলিবিদ্ধ

পরে এ মামলায় গ্রেপ্তার আসামিরা জবানবন্দিতে পুলিশকে জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ‘সন্ত্রাসী’ সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদের নির্দেশে সরোয়ারকে গুলি করা হয়। ছোট সাজ্জাদ বিদেশে পলাতক শিবির ক্যাডার হিসেবে পরিচিত সাজ্জাদ আলীর অনুসারী। একসময় সরোয়ার হোসেনও তার অনুসারী ছিলেন। ২০১৫ সালের পর থেকে সরোয়ার তাদের কাছ থেকে সরে যান।

২০০০ সালের ১২ জুলাই বহদ্দারহাটে সন্ত্রাসী হামলায় ছয় ছাত্রলীগ কর্মীসহ আটজন নিহত হন। সে ঘটনায় করা মামলায় সাজ্জাদ আলী (বড় সাজ্জাদ) সাজাপ্রাপ্ত হলেও পরে উচ্চ আদালত থেকে খালাস পান। পরে তিনি বিদেশে পালিয়ে যান। তবে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থামাননি। বিদেশ থেকে তার বাহিনীর মাধ্যমে বায়েজিদ, পাঁচলাইশ, চান্দগাঁও ও হাটহাজারীতে অপরাধ পরিচালনা করে আসছেন। তার এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন সাজ্জাদ হোসেন (ছোট সাজ্জাদ)।

সরোয়ার এক মাস আগে বিয়ে করেন। তার বিয়েতে বিএনপি নেতা এরশাদ উল্লাহসহ বেশ কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন। গত বছরের ৫ আগস্টের পর কারাগার থেকে জামিনে বেরিয়ে বিএনপির বিভিন্ন সমাবেশে যোগ দিতে দেখা যায় সরোয়ারকে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘এ ঘটনার সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই। বিএনপির প্রার্থী জনসংযোগ করার সময় সেখানে শত শত লোক অংশ নেন। সরোয়ার সেখানে অংশ নিলে সন্ত্রাসী দুটি দলের মধ্যে পূর্ববিরোধের জেরে তাকে গুলি করা হয়।’

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আজ যেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া

যশোরে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিবেন ১২৯ কারাবন্দি

রাজধানীতে আজ কোথায় কী

তারেক রহমানের বরিশাল সফরের নতুন তারিখ ঘোষণা

কী ঘটেছিল ইতিহাসের এই দিনে

ট্যুর ভাতাসহ চাকরি দিচ্ছে আকিজ বশির গ্রুপ

২৪ ঘণ্টা গ্যাসের চাপ কম থাকবে যেসব এলাকায় 

মুসলিম ব্রাদারহুড / ইইউকে চাপ দিচ্ছে ফ্রান্স

আজ ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

ভোট চুরি ঠেকাতে যে বার্তা দিলেন রুমিন ফারহানা

১০

২৪ জানুয়ারি : আজকের নামাজের সময়সূচি

১১

শনিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ

১২

বাংলাদেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতেই হবে : সাকি

১৩

ছেলের মৃত্যুর খবরে প্রাণ গেল মায়ের, হাসপাতালে বাবা

১৪

হাত-পায়ের পর খণ্ডিত মাথা উদ্ধার

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় কালা বাচ্চু গ্রেপ্তার

১৬

এমন কাজ করিনি যে সেফ এক্সিট নিতে হবে : প্রেস সচিব

১৭

কেন্দ্র দখলের চিন্তা করলে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন : হাসনাত

১৮

সীমান্ত থেকে ভারতীয় অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

১৯

সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজি চলবে না : ব্যারিস্টার খোকন

২০
X