চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৪১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রামে বর্জ্য সংগ্রহে ধীরগতি, ক্ষেপলেন মেয়র

চসিকের পরিচ্ছন্নতা বিভাগের সভায় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। ছবি : কালবেলা
চসিকের পরিচ্ছন্নতা বিভাগের সভায় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। ছবি : কালবেলা

চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে টানা তিন থেকে চার দিনেও বর্জ্য সংগ্রহ না হওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) চসিকের পরিচ্ছন্নতা বিভাগের এক সভায় মেয়র কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

চসিক মেয়র বলেন, সম্প্রতি একাধিক ওয়ার্ড থেকে অভিযোগ পাচ্ছি, কোথাও তিন-চার দিনেও ময়লা তোলা হচ্ছে না। এই ধরনের গাফিলতি আমি বরদাস্ত করবো না। সুপারভাইজাররা দায়িত্বে অবহেলা করলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি জানান, ডোর টু ডোর বর্জ্য সংগ্রহের জন্য দুই থেকে আড়াই হাজার কর্মচারী নিয়োজিত রয়েছে। তাদের মূল দায়িত্বই হচ্ছে ঘরে ঘরে গিয়ে ময়লা সংগ্রহ করা। ভেন্ডার বা এজেন্টরা সহায়ক শক্তি মাত্র। মূল দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের নিজস্ব কর্মীদেরই পালন করতে হবে।

ডা. শাহাদাত হোসে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে বলেন, কোনো এলাকায় ভেন্ডার বা এজেন্ট কাজ না করলে চসিকের কর্মীরা সরাসরি সেখানে গিয়ে ময়লা তুলবে। প্রয়োজনে দায়িত্বে অবহেলা করা ভেন্ডারদের চুক্তি বাতিল করা হবে।

পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে শৃঙ্খলা নিশ্চিতের ওপর জোর দিয়ে তিনি আরও বলেন, কোথাও ময়লা না তুললে সঙ্গে সঙ্গে সুপারভাইজারদের ঘটনাস্থলে গিয়ে কারণ জানতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী ডাস্টবিন পুনঃস্থাপন করতে হবে। পুরোনো ডাস্টবিন অপসারণ করা যাবে না, আগে যেভাবে ছিল, সেভাবেই রিপ্লেসমেন্ট দিতে হবে।

বর্জ্য সংগ্রহে ব্যবহৃত গাড়ি চালনা নিয়েও কঠোর অবস্থান নেন মেয়র। তিনি বলেন, কোনো অবস্থাতেই হেলপার দিয়ে গাড়ি চালানো যাবে না। ড্রাইভারের বদলে হেলপার গাড়ি চালাতে দেখা গেলে সংশ্লিষ্ট ড্রাইভারের চাকরি যাবে।

জনবল বণ্টনে অসামঞ্জস্যের কথাও তুলে ধরে মেয়র বলেন, ওয়ার্ডের আয়তন ও জনসংখ্যা অনুযায়ী পরিচ্ছন্ন কর্মী বণ্টন করতে হবে। কোথাও অপ্রয়োজনীয়ভাবে বেশি কর্মী, আবার কোথাও প্রয়োজনের তুলনায় কম কর্মী, এই অবস্থা দ্রুত সংশোধনের নির্দেশ দেন তিনি।

মশক নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, শুধু ওষুধ ছিটালেই হবে না; আগে পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে। বর্জ্য অপসারণের সঙ্গে মশক নিধন কার্যক্রম সমন্বিতভাবে পরিচালনা করলে তবেই কার্যকর ফল পাওয়া যাবে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহি, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা প্রমুখ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আজ থেকে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি শুরু, ভরি কত

গণভোটের পর সরকারের মেয়াদ বৃদ্ধির প্রসঙ্গে প্রেস উইংয়ের বিবৃতি

সোহরাওয়ার্দীর পরীক্ষাকেন্দ্রে কবি নজরুল কলেজ শিক্ষার্থীদের নকলের ছড়াছড়ি

ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্র থেকে কর্মীদের সরিয়ে নিতে প্রস্তুত রাশিয়া

জামিন ছাড়াই কারামুক্তি পাওয়া সেই ৩ আসামি গ্রেপ্তার

সন্ত্রাসীদের পক্ষে দাঁড়ালে ১৭ বছরের নিপীড়নের গল্পকে ভুয়া ধরব : আসিফ মাহমুদ

রাজধানীতে আজ কোথায় কী

কী ঘটেছিল ইতিহাসের এই দিনে

চাকরি দিচ্ছে আবুল খায়ের গ্রুপ, লাগবে না অভিজ্ঞতা 

৫০তম বিসিএসের প্রিলি আজ

১০

বন্দি বিনিময়ের শেষ ধাপে ১৫ ফিলিস্তিনির মরদেহ হস্তান্তর করল ইসরায়েল

১১

টিভিতে আজকের যত খেলা

১২

আজ যেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া

১৩

আজ টানা ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

১৪

আজ যেসব এলাকায় ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না

১৫

৩০ জানুয়ারি : আজকের নামাজের সময়সূচি

১৬

শুক্রবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

১৭

সম্প্রীতির চট্টগ্রাম গড়তে রাজনীতি করছি : সাঈদ আল নোমান

১৮

শুধু বগুড়া নয়, পুরো দেশের কথা চিন্তা করতে হবে : তারেক রহমান

১৯

ক্ষমতা নয়, দায়িত্ব চাই : ডা. ফজলুল হক

২০
X