মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
দেবীগঞ্জ (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০২৩, ০১:১৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

বিদ্যুৎহীন আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর

আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর। ছবি : কালবেলা
আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর। ছবি : কালবেলা

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বুঝিয়ে দেওয়ার এক বছর পেরিয়ে গেলেও বিদ্যুৎ সংযোগ পায়নি উপকারভোগীরা। এতে বিদ্যুৎ ছাড়া দুর্বিষহ জীবন কাটাচ্ছেন তারা।

শনিবার (৭ অক্টোবর) সরজমিনে আশ্রয়ণ প্রকল্পে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের গজপুরী আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৯টি ঘরের মধ্যে ২টি ঘরে পরিবার বসবাস করছেন। বাকি ঘরগুলোতে এখনো থাকতে শুরু করেনি উপকারভোগীরা। ঘরগুলোতে তালা দিয়ে রেখেছেন তারা। কিছু ঘরের খোলা জানালা দিয়ে দেখা যায় চৌকি এবং অন্যান্য আসবাবপত্র রাখা হলেও কেউ সেখানে থাকে না।

এদিকে যেই দুটি ঘরে উপকারভোগীরা থাকতে শুরু করেছে সেগুলোতেও নেই বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। দিনের বেলায়ও ঘরে পর্যাপ্ত আলো থাকে না। রাতের কুপি জ্বলানো ছাড়া আলোর কোনো ব্যবস্থা নেই।

এ বিষয়ে আব্দুস সালাম নামে আশ্রয়ণ প্রকল্পের এক উপকারভোগী বলেন, এক বছর ধরে থাকছি এখানে। অথচ এখনো কোনো ধরনের বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়নি। বিদ্যুৎ ছাড়া অনেক কষ্ট করে দিন কাটাচ্ছি।

আসমা বেগম নামে আরেক উপকারভোগী বলেন, এই যে এত গরম গেল অথচ ঘরে বিদ্যুৎ নেই। ঝড়বৃষ্টির দিনে অনেক কষ্ট করে বাতি জ্বালিয়ে রাত কাটাতে হয়। আমরা চাই দ্রুত যেন বিদ্যুৎ সয়যোগ দেওয়া হয়।

এ ছাড়া উপকারভোগীরা অভিযোগ করে বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পের উপকারভোগীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পর আর কোনো খোঁজখবর নেওয়া হয়নি। এ ছাড়া বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় দুটি পরিবার ছাড়া এই ঘরগুলো এখনও ফাঁকা।

এ বিষয়ে ফারজানা আক্তার নামে এক উপকারভোগী বলেন, আমাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। প্রশিক্ষণের সময় বলা হয়েছিল সবজি বাগান করার উপকরণ দেবে। কিন্তু প্রশিক্ষণ শেষে আমাদের আর কোনো খোঁজখবর নেওয়া হয়নি এবং কোনো ধরনের সহযোগিতাও করা হয়নি। এক বছর ধরে বিদ্যুৎ নেই তাই আমরা এখনো থাকা শুরু করিনি।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবদুল মোমিন বলেন, আমরা এই বিষয়ে অবগত আছি। মূলত ওই এলাকার মানুষ নীলফামারীর বিদ্যুৎ লাইন ব্যবহার করেন। আমরা দেবীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের মাধ্যমে নীলফামারী বিদ্যুৎ অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। আশ্রয়ণ প্রকল্পে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার জন্য আমারা চেষ্টা করছি। এ ছাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের জন্য আলাদা করে কোনো বরাদ্দ আসেনি। তবুও উপজেলা কৃষি অফিসের মাধ্যমে সব আশ্রয়ণ প্রকল্পে দেওয়া সম্ভব না হলেও বেশকিছু প্রকল্প এলাকায় শাকসবজির বীজ দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শরীফুল আলম বলেন, ‘আমি এখন ঢাকায় আছি। আর আমি নতুন জয়েন করেছি। সেখানে গিয়ে সব খোঁজখবর নিয়ে তারপর জানাতে পারব।’

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

স্বৈরাচার বিতাড়িত হওয়ার পর ‘গুপ্তবাহিনী’ ধীরে ধীরে আত্মপ্রকাশ করে: প্রধানমন্ত্রী

গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণ জানাল তিতাস

ডেঙ্গুর আর্থিক ক্ষতি বছরে ৫ হাজার কোটি টাকা: ডা. মোসলেহ উদ্দীন

বাজার থেকে আরও ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ

ইসলামোফোবিয়া প্রতিরোধে অস্ট্রেলিয়া সরকারের উদ্যোগ

ফাইনালে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের ৫ কারণ 

কারখানায় বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও ২ শ্রমিকের মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কৌশল বুঝে ফেলেছে ইরান: গালিবাফ

অস্ত্রোপচারে ড্রিলের ফলা রেখে সেলাইয়ের অভিযোগ

ভারতে প্রথম ডেঙ্গু টিকার অনুমোদন, কারা নিতে পারবেন

১০

উগ্রবাদে জড়িতের অভিযোগে গ্রেপ্তার মামুন রিমান্ডে

১১

ভূয়াপুর-তারাকান্দি মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ

১২

নেত্রকোনায় নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, সড়কে ধস

১৩

অস্ট্রেলিয়ায় আহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর চিকিৎসায় প্রবাসীদের মানবিক উদ্যোগ

১৪

এফওপিএল নীতিমালা দ্রুত চূড়ান্তের আহ্বান, নীতি পর্যালোচনায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর

১৫

বসছে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম / থার্ড টার্মিনাল চালাতে সেপ্টেম্বরের মধ্যে জাপানের সঙ্গে চুক্তি

১৬

নিজের স্বার্থের জন্য দেশকে বিক্রি করা চলবে না: ফয়জুল করীম

১৭

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালকে ফেরত চেয়ে ভারতকে চিঠি

১৮

মাদক-চাঁদাবাজদের ধরিয়ে দিলে লাখ টাকা পুরস্কার

১৯

যমুনায় পানি বৃদ্ধি, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ রক্ষায় দিন-রাত কাজ করছে পাউবো

২০
X