

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত দিয়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১২ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবি ও স্থানীয় জনসাধারণের তৎপরতায় সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
বর্তমানে ওই ১২ জন ব্যক্তি সীমান্তের শূন্যরেখা সংলগ্ন ভারতীয় অংশে অবস্থান করছেন।
শুক্রবার (১২ জুন) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে দৌলতপুর উপজেলার চকবিলগাতুয়া-প্রাগপুর সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিএসএফ নারী, পুরুষ ও শিশুসহ মোট ১২ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর উদ্দেশে বিলগাতুয়া সীমান্ত দিয়ে পুশইনের চেষ্টা চালায়। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা দ্রুত প্রাগপুর বিওপি ক্যাম্পে খবর দেয়। পরে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় জনসাধারণের সহযোগিতায় তাদের বাংলাদেশে প্রবেশে বাধা দেয়।
বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে পুশইনের জন্য আনা ব্যক্তিরা সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে ভারতের প্রায় ৫০ গজ অভ্যন্তরে অবস্থান নেয়। তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা নিজেদের বাংলাদেশি নাগরিক বলে দাবি করেছেন।
ওই ব্যক্তিদের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার উজির আলীর পরিবারের ৫ সদস্য, সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার রফিকুল গাজীর পরিবারের ৩ সদস্য এবং খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার আফরোজা খাতুনের পরিবারের ৪ সদস্য রয়েছেন।
বর্তমানে তারা বাংলাদেশের প্রাগপুর সীমান্তের বিপরীতে ভারতীয় অংশের শূন্যরেখা সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিজিবি সদস্যরা এবং স্থানীয় জনসাধারণ সীমান্ত এলাকায় সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেছেন।
এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতির শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে প্রাগপুর বিওপির পক্ষ থেকে বিএসএফের সঙ্গে পতাকা বৈঠকের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে সংবাদ লেখা পর্যন্ত বিএসএফের পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি বলে বিজিবি সূত্রে জানা গেছে।