রাজশাহী ব্যুরো
প্রকাশ : ০৮ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:১৪ পিএম
আপডেট : ০৮ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:১৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

চলন্ত ট্রেনে প্রসূতির সন্তান প্রসব

ট্রেনের বগিতে এক নারীর সন্তান প্রসব। ছবি : কালবেলা
ট্রেনের বগিতে এক নারীর সন্তান প্রসব। ছবি : কালবেলা

খুলনা-রাজশাহী রুটে চলাচলকারী ‌‘কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস’ ট্রেনের বগিতে এক নারী সন্তান প্রসব করেছেন। সোমবার (৮ এপ্রিল) সকালে ঈশ্বরদীর কাছাকাছি চলন্ত ট্রেনের ‘ঙ’ বগিতে প্রসূতি মা সন্তানের জন্ম দেন। ট্রেনটি রাজশাহী স্টেশনে পৌঁছালে মা ও নবজাতককে একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক অসীম কুমার তালুকদার।

ট্রেনে সন্তান প্রসব করা নারীর নাম স্বর্ণা আক্তার। তিনি ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার হুগরি পান্তাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তার স্বামীর নাম ইয়াসিন আরাফাত।

অসীম কুমার তালুকদার বলেন, ট্রেনটি যখন ঈশ্বরদীর কাছাকাছি তখন যাত্রী স্বর্ণা আক্তারের প্রসব ব্যথা শুরু হয়। ট্রেনের গার্ড তাপস কুমার দে ও এটেনডেন্ট ইমরান হোসেনের মাধ্যমে খবর পান গার্ড ইলিয়াস কবির সেলিম। ট্রেনের মাইকে ঘোষণা দিয়ে কোনো চিকিৎসক থাকলে সহায়তা চাওয়া হয়। ঘোষণা শুনে এগিয়ে আসেন যাত্রী হিসেবে ট্রেনটিতে থাকা ডা. নাজনীন আক্তার।

এ সময় ট্রেনের বগিতে থাকা অন্য যাত্রীরা তাদের ব্যাগ থেকে কাপড় বের করে দেন। তা দিয়েই বগির ভেতরে ‘ওটি’ তৈরি করা হয়। এরপর ওই চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ১০ মিনিটের মধ্যে ফুটফুটে এক ছেলে সন্তানের জন্ম দেন স্বর্ণা আক্তার। ট্রেনটি দুপুরে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছালে উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় মা ও শিশুটিকে। পরে রেলওয়ের অ্যাম্বুলেন্সে করে নবজাতকসহ মাকে একটি ক্লিনিকে পাঠানো হয়।

অসীম কুমার তালুকদার বলেন, স্বর্ণাকে রাজশাহীর একটি ক্লিনিকে আনা হচ্ছিল সন্তান প্রসবের জন্য। সঙ্গে কয়েকজন নারী ও এক দেবর ছিলেন। আসার পথে ট্রেনের ভেতরই স্বর্ণা সন্তান প্রসব করেছেন। তারা যে ক্লিনিকে যেতেন রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছানোর পর অ্যাম্বুলেন্সে করে সেখানে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, মা ও নবজাতক সন্তান সুস্থ আছেন।

কালবেলা/এমএ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

হাসপাতালের পার্কিং না থাকলে কঠোর ব্যবস্থা: সিডিএ চেয়ারম্যান

দাবির প্রেক্ষিতে নয়, দায়িত্ববোধ থেকেই উন্নয়ন করছি: সিসিক প্রশাসক

বাড়ছে করতোয়ার পানি, আতঙ্কে আশ্রয়ণের শতাধিক পরিবার

একাধিকবার প্রবেশের সুযোগ দিয়ে ১ বছরের ওমরাহ ভিসা চালু করল সৌদি আরব

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ঢাবি শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি মওকুফ

আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আছি এবং একসঙ্গেই থাকব: প্রধানমন্ত্রী

ডিবির হাতে গ্রেপ্তার ভাইরাল সেই রুনা 

ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল, কারণ খুঁজতে মাঠে বিশেষজ্ঞ দল

বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে দেশে ফিরল স্পেন, মাদ্রিদে লাখো মানুষের ঢল

ইউক্রেনে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা, ৪ ভারতীয় নাবিক নিহত

১০

রক্ত, আতঙ্ক আর দীর্ঘশ্বাসে লেখা ২১ জুলাই: যে দিন সাভারের আকাশ ভারী হয়েছিল কান্নায়

১১

সংশোধন নয়, সংস্কারের মধ্যে দিয়ে নতুন সংবিধানের কথা বলেছিলাম আমরা : আখতার হোসেন 

১২

নিবন্ধন পেল বাংলা পোস্ট

১৩

স্বৈরাচার বিতাড়িত হওয়ার পর ‘গুপ্তবাহিনী’ ধীরে ধীরে আত্মপ্রকাশ করে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণ জানাল তিতাস

১৫

ডেঙ্গুর আর্থিক ক্ষতি বছরে ৫ হাজার কোটি টাকা: ডা. মোসলেহ উদ্দীন

১৬

বাজার থেকে আরও ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ

১৭

ইসলামোফোবিয়া প্রতিরোধে অস্ট্রেলিয়া সরকারের উদ্যোগ

১৮

ফাইনালে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের ৫ কারণ 

১৯

কারখানায় বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও ২ শ্রমিকের মৃত্যু

২০
X