প্রদীপ মোহন্ত, বগুড়া ব্যুরো
প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:৩৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

তীব্র তাপদাহেও লোডশেডিং, অতিষ্ঠ জনজীবন

তীব্র গরমে বগুড়ার ফুটপাতে বেড়েছে হাতপাখার চাহিদা। ছবি : কালবেলা
তীব্র গরমে বগুড়ার ফুটপাতে বেড়েছে হাতপাখার চাহিদা। ছবি : কালবেলা

বগুড়ায় তীব্র তাপদাহে পুড়ছে জনজীবন। টানা কয়েক দিনের তীব্র গরম ও লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া শ্রমজীবীরা।

মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) দুপুর ৩টায় জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বগুড়া আবহাওয়া অফিসের উচ্চপর্যবেক্ষক আব্দুর রশিদ জানান, বগুড়ায় মঙ্গলবার সর্বোচ্চ ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি তাপমাত্রার রেকর্ড করা হয়েছে। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এ ছাড়া বৃষ্টির সম্ভাবনা খুব কম।

এদিকে, তীব্র গরম ও লোডশেডিয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। ছায়া পেলেই সেই স্থানে দাঁড়িয়ে শরীরকে ঠান্ডা করার চেষ্টা করছেন অনেকেই। এ ছাড়া শহরে ভ্রাম্যমাণ শরবতের দোকানেও ভিড় জমিয়ে তৃষ্ণা মেটাচ্ছেন অনেকে।

কাহালু থেকে শহরে রিকশা চালাতে আসা ফজলু মিয়া বলেন, ‘বৈশাখের এই তীব্র রোদের কারণে রিকশা চালাতে কষ্ট হচ্ছে। এত গরম যে রাস্তায় দাঁড়ানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে। গরমের কারণে মানুষ কম বের হচ্ছে। ফলে ভাড়াও কমে গেছে।

বগুড়া সদরের শাখারিয়া এলাকার কৃষক রফিকুল হোসেন বলেন, তীব্র রোদে মাঠে কাজ করতে পারিনি। এজন্য ভোরে বাড়ি থেকে বের হই। রোদের তাপ বাড়ার আগেই বাড়ি ফিরে আসি। এতে ফসলের যত্ন নিতে কিছুটা কষ্ট হচ্ছে।

আহম্মদ উল্লাহ নামের এক বেসরকারি চাকরিজীবী বলেন, একে তো তীব্র গরম আর এই গরমে বাসায় বিদ্যুৎ থাকে না। বাসায় ছোট বাচ্চা আছে। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।

শহরের সাতমাথায় শরবত বিক্রেতা এনামুল মিয়া বলেন, রোদের যে তাপ এতে শরবত বিক্রি বেড়েছে। মানুষ ঠান্ডা পানীয় খেয়ে তাদের শরীর ও মনকে ঠান্ডা করছে। বিক্রি আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে।

চাহিদা অনুযায়ী মেগাওয়াট না পাওয়ার কারণে লোডশেডিং হচ্ছে বলে জানান বগুড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি- ১ জেনারেল ম্যানেজার মোনয়ারুল ইসলাম ফিরোজী। তিনি বলেন, আমার এরিয়াতে ৮০-৮৬ মেগাওয়াটের চাহিদা রয়েছে। চাহিদামতো না পাওয়ায় ১৪ থেকে ২০ শতাংশ সময় লোডশেডিং হচ্ছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

স্পেনে ভয়াবহ দাবানলে নিহত ১২, নিখোঁজ ২৩

কোয়ার্টারে মেসিদের সামনে আরেক ‘ভোজিনহা’

‘জুলাইয়ের আগেও ভোট চুরি হয়েছিল, পরেও হয়েছে’

গাজীপুরে ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মী আটক

শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্যই: নাহিদ ইসলাম

রাজনীতি কেবল ক্ষমতা ভোগের প্রক্রিয়া নয়: তথ্যমন্ত্রী

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে উৎপাদন বেড়েছে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের

দেশে ফিরে রাজকীয় সংবর্ধনা পেলেন মিশরের ফুটবলাররা

অপ্রাপ্ত বয়সে প্রেম-বিয়ে / ফিরিয়ে আনার পরও প্রেমিকের সঙ্গে পালানোর চেষ্টা, অতঃপর...

মুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই, উৎকণ্ঠায় নদীতীরের মানুষ

১০

সুনামগঞ্জে টানা বৃষ্টিতে নদীর পানি বৃদ্ধি, প্রস্তুত ১৩১১ আশ্রয়কেন্দ্র

১১

এবার ভাঙল খোয়াই নদীর বাঁধ, প্লাবিত ২০ গ্রাম

১২

যুবদলের পদবঞ্চিতদের সমস্যা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস এ্যানির

১৩

ট্রাম্পকে হত্যায় ইরানি পরিকল্পনার তথ্য ফাঁস করে দিল ইসরায়েল

১৪

নতুন দায়িত্ব পেলেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম

১৫

হারের পর আইসিসি থেকেও শাস্তি পেল বাংলাদেশ

১৬

বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে ক্ষুব্ধ কলেজ শিক্ষক

১৭

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন সাদিও মানে

১৮

প্রতিবাদী গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে মাদক কারবারির মামলা

১৯

বন্যার্ত এলাকায় সহায়তার জন্য যুবদলের জরুরি নির্দেশনা, মেডিকেল টিম গঠন

২০
X