কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১১ মার্চ ২০২৫, ০৮:১২ পিএম
আপডেট : ১১ মার্চ ২০২৫, ০৮:৫৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সাগর-রুনি হত্যা মামলায় ফারজানা রুপাকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি, (ইনসেটে সাংবাদিক ফারজানা রুপা)। পুরোনো ছবি
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি, (ইনসেটে সাংবাদিক ফারজানা রুপা)। পুরোনো ছবি

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলায় একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপাকে মামলার তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১১ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম এ আজহারুল ইসলাম এ আদেশ দেন। জানা গেছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজিজুল হক সম্প্রতি তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদন করেন। গত ৪ মার্চ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম এ আজহারুল ইসলাম আবেদন মঞ্জুর করে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি প্রদান করেন। এ মামলায় প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৫ এপ্রিল দিন ধার্য রয়েছে।

আবেদনে বলা হয়েছে, সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার ঘটনার সময়ে ফারজানা রুপা এটিএন বাংলা টেলিভিশনে রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। রুনির সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল এবং পারিবারিকভাবে ঘনিষ্ঠতা ও যাতায়াত ছিল। হত্যাকাণ্ডটি নিয়ে তিনি টেলিভিশনে রিপোর্ট করেন মর্মে জানা যায়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এ হত্যা মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আলোচিত এ হত্যা মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ আটজন আসামি। অন্য আসামিরা হলে-নিহতদের বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুণ, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ। আসামিদের প্রত্যেককে একাধিকবার রিমান্ডে নেওয়া হলেও তাদের কেউই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি নিজেদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়।

এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক উপপরিদর্শক এসআই। চার দিন পর মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।

দুমাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদ্‌ঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‍্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সেই থেকে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি সংস্থাটি।

গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর এ হত্যা মামলার তদন্তের দায়িত্ব র‍্যাব থেকে সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে গঠিত একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সের মাধ্যমে তদন্তের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

স্বাস্থ্য খাতের পুরো প্রক্রিয়াকে ‘রিসেট’ করতে হবে: অর্থমন্ত্রী

ধেয়ে আসছে শক্তিশালী সুপার টাইফুন ‘বাভি’

বাস্তবায়িত পে-স্কেলের গেজেট কবে প্রকাশ হবে

সেন্ট পিটার্সবার্গের তেল টার্মিনালে ড্রোন হামলা

৮ এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ফরম পূরণের টাকা আত্মসাৎ, অফিস সহকারী গ্রেপ্তার

প্রতিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ শয্যার ডায়ালাইসিস সেন্টার হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রায় ৭ হাজার টাকায় বিক্রি হলো বঙ্গোপসাগরে ধরা এক ইলিশ

চূড়ান্ত হলো শেষ ষোলোর লাইনআপ, দেখে নিন কবে কখন কোথায় ম্যাচ

হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে শ্রমিককে হত্যা, গ্রেপ্তার ২

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২

১০

চকবাজারের আগুন নিয়ে যে তথ্য জানাল ফায়ার সার্ভিস

১১

ফুটপাতে ঘুমন্ত নারীকে ধর্ষণ, বিএনপি কর্মী পলাতক

১২

যেখানেই অবহেলা ও দুর্নীতি সেখানেই চাকরিচ্যুতি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১৩

চিন্তার আধিপত্য মানবসভ্যতার জন্য স্থায়ী সমাধান নয় : তথ্যমন্ত্রী

১৪

ছেলেকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা বাবা-মায়ের 

১৫

পুলিশ ক্যাডার হলেন ছেলে, ফল প্রকাশের ১৯ দিন আগে বাবার চিরবিদায়

১৬

জুলাইয়ের প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী

১৭

আ.লীগের রাজনৈতিক মৃত্যু হয়েছে, দাফন হয়েছে দিল্লিতে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৮

মহাসড়কে ডিম ভেঙে খামারিদের বিক্ষোভ

১৯

মৌলভীবাজার সীমান্তে ১০ বাংলাদেশিকে পুশইনের চেষ্টা, স্থানীয়দের দাবি ভিন্ন

২০
X