কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০২৩, ০৪:৪৩ পিএম
আপডেট : ২৬ আগস্ট ২০২৩, ০৫:০০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

অস্ত্র মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে ছাত্রদলের দুই নেতা

প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

লালবাগ থানায় অস্ত্র আইনের মামলায় দ্বিতীয় দফায় রিমান্ড শেষে ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম ওরফে জিসান ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক মো. আরিফ বিল্লাহকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

শনিবার (২৬ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আফনান সুমীর আদালত এ আদেশ দেন।

এদিন রিমান্ড শেষে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের গুলশান জোনের উপপরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান।আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে গত ২০ আগস্ট ও ২৩ আগস্ট দুইবার তাদের দুই দিন করে মোট চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

গ্রেপ্তারের পর গত ২০ আগস্ট লালবাগ থানায় করা বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহসভাপতি মো. হাসানুর রহমান ওরফে হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল্লাহ আর রিয়াদ, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহাদত হোসেন এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়।

গত ১৯ আগস্ট তাদের গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় জিসান ও আরিফ বিল্লাহর কাছ থেকে তিনটি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৩৬ রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়। পরে জিসান ও আরিফ বিল্লাহর বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় অস্ত্র ও আরিফ বিল্লাহসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আব্দুল হাদীর জন্মদিনে আজ প্রচার হবে বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র

২০২৭ সালের হজের প্রাক-নিবন্ধন শুরু, আবেদন শেষ কবে

‘এক ছাতার নিচে মিলবে সাভারের সব ভূমিসেবা’

ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য ৬০০ কেজি আম পাঠাল বাংলাদেশ

প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার পরও ইজারাবিহীন বাজারে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ 

ভাঙ্গা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ

নামাজরত মাকে কুপিয়ে হত্যা: ছেলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

সা ক্ষা ৎ কা র / গাইবান্ধার ঘটনায় উসকানি ও গভীর ষড়যন্ত্রের গন্ধ আছে : ইসলামী আন্দোলন মহাসচিব

পরীক্ষানিরীক্ষা করানো কি চিকিৎসকের অক্ষমতার প্রমাণ? চিকিৎসা বিজ্ঞান কী বলে?

নতুন ৩ উপজেলা ও এক থানার অনুমোদন

১০

ঢাবির নারী শিক্ষার্থীদের বড় সুখবর দিলেন ডাকসু ভিপি

১১

পূর্বাচলকে ঢাকায় যুক্ত করার সিদ্ধান্ত, নিকার সভায় অনুমোদন

১২

সংগীতাঙ্গন মাতানো মুগ্ধ এখন ‘নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট’ হওয়ার অপেক্ষায়

১৩

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ

১৪

বিশ্বকাপের আয়োজক দেশে নৌকা ডুবি, ৬ জনের মৃত্যুর শঙ্কা

১৫

পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে প্রাণ গেল স্বামী-স্ত্রীর

১৬

সিলেটে হামে এক শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৭৪

১৭

সীমান্তে পিলারের পাশে পড়ে ছিল নারীর মরদেহ

১৮

বাবার সঙ্গে স্কুলে যাচ্ছিল কুশল, পথে বাসচাপায় প্রাণ গেল

১৯

বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ: ১১ বছর পর প্রধান আসামির যাবজ্জীবন

২০
X