বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ মে ২০২৪, ১২:১৬ পিএম
আপডেট : ১৬ মে ২০২৪, ১২:২৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

আটকে গেল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের অর্থছাড়

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। পুরোনো ছবি
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। পুরোনো ছবি

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ইতালিয়ান-থাই কোম্পানির শেয়ার চুক্তি অনুযায়ী চায়না কোম্পানির নিকট হস্তান্তরে স্থিতাবস্থা জারি করেছেন আপিল বিভাগ। ফলে ফের আটকে গেল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের অর্থছাড়।

বৃহস্পতিবার (১৬ মে) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন ৮ সদস্যের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

আদালতে ইতালিয়ান-থাই কোম্পানির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দিন, শেখ মোহাম্মদ মোরসেদ, ব্যারিস্টার ইমতিয়াজ ফারুক, ব্যারিস্টার ইমতিয়াজ মইনুল। চায়না কোম্পানির পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মেহেদী হাছান চৌধুরী, ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান।

আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মেহেদী হাছান চৌধুরী জানান, ইতালিয়ান-থাই কোম্পানির শেয়ার চীনের সিনোহাইড্রো করপোরেশন লিমিটেডের কাছে হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে হাইকোর্টের আদেশের ওপর আপিল বিভাগ দুই সপ্তাহের স্থিতাবস্থা দিয়েছেন।

এর আগে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ইতালিয়ান-থাই কোম্পানির শেয়ার চীনের সিনোহাইড্রো করপোরেশন লিমিটেডের কাছে হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। ইতালিয়ান-থাই কোম্পানির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দিয়েছিলেন আদালত।

পরে গত রোববার (১২ মে) বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর হাইকোর্টের একক বেঞ্চ নিষেধাজ্ঞার আদেশ তুলে নেন। ফলে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পুনরায় কাজ শুরুর পথ খুলেছিল। তবে আপিল বিভাগের নতুন আদেশে ফের আটকে গেল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের অর্থছাড়।

২০১১ সালে দেশের প্রথম এলিভেটেড এসপ্রেসওয়ের কাজ পায় থাইল্যান্ডের কোম্পানি ইতাল থাই। অর্থ জোগাড় করতে না পরায় আট বছরেও শুরু হয়নি কাজ। ২০১৯ সালে চাইনিজ দুই কোম্পানি শ্যানডং ইন্টারন্যাশনাল ও সিনোহাইড্রোকে যুক্ত করে শুরু হয় কাজ। এ কাজে তিন প্রতিষ্ঠানের শেয়ার যথাক্রমে ৫১, ৩৪ ও ১৫ শতাংশ। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ হলো এক্সপ্রেসওয়ের নির্বাহী প্রতিষ্ঠান। প্রকল্পের চুক্তি অনুযায়ী নির্মাণ ব্যয়ের ৭৩ শতাংশের জোগান দেবে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান। আর ২৭ শতাংশ দেবে বাংলাদেশ সরকার। কিন্তু ঠিকাদারি তিন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চলা দ্বন্দ্ব গড়ায় আদালত অবধি। ফলে বন্ধ হয়ে যায় নির্মাণকাজ। সেই সঙ্গে ঋণসহায়তা বন্ধ করে দেয় দুটি ব্যাংক। আর এতে করে শঙ্কায় এখন পুরো প্রকল্প।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ভারী বর্ষণে ঘরের দেয়াল ধসে শিশুর মৃত্যু

পাকিস্তানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত ৩০

মায়ের মৃত্যুর ১২ বছর পর পিতৃপরিচয় পেল সন্তান

হঠাৎ কেন রক্তচাপ মাপার ছবি পোস্ট করলেন মার্টিনেজ?

অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের বেতন ফ্রি করার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর

আবারও অভিনয়ে ফিরতে চান ডিজে সুমী

এবারের বিশ্বকাপে গোলের বন্যা, বাড়ছে কার্ডের ঝড়ও

বৃহস্পতিবার টানা ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না এক জেলায়

রাস্তায় পড়েছিল বিদ্যুতের তার, সরাতে গিয়ে প্রাণ গেল গৃহবধূর

যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক ও দামি ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান

১০

সংসদে তথ্যমন্ত্রী / গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নামে ১৩৭ ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত

১১

মেসির দিকে কেন তেড়ে গিয়েছিলেন মিশরের গোলকিপিং কোচ

১২

সরকারি স্কুলের এক কোটি ২০ লাখ শিক্ষার্থীকে সুখবর দিলেন প্রধানমন্ত্রী

১৩

মিশর কোচের হাতের ‘এক্স’ আকৃতি কীসের ইঙ্গিত?

১৪

দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে সবার আগে বাংলাদেশকে প্রাধান্য দিতে হবে: ডা. জাহেদ উর রহমান

১৫

ইরান ইস্যুতে স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

১৬

মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম / সংসদ ভবনে আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস উদযাপন দেশের বিরুদ্ধে গভীর চক্রান্ত

১৭

স্টেশন পরিষ্কার করে জমানো টাকা নিতেই হামলা, কেড়ে নিল প্রাণ

১৮

আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচ ঘিরে শিক্ষার্থীকে মারধর

১৯

ছেলেকে নিয়ে একসঙ্গে বিষপান, মায়ের মৃত্যু

২০
X