কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ জুলাই ২০২৩, ০৪:৪৯ পিএম
আপডেট : ২০ জুলাই ২০২৩, ০৫:৪৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

তারেক-জোবাইদার বিরুদ্ধে ৪২ জনের সাক্ষ্য শেষ

ড. জোবাইদা ও তারেক রহমান।
ড. জোবাইদা ও তারেক রহমান।

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় পলাতক আসামি তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে আরও তিনজন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামানের আদালত তারা এ সাক্ষ্য দেন। এ নিয়ে মামলাটিতে ৫৬ সাক্ষীর মধ্যে ৪২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলো। এরপর আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২৪ জুলাই দিন ধার্য করেন।

সাক্ষীরা হলেন মান্নান গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এ মান্নান, এ মতিন অ্যান্ড কোং-এর চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট‍্যান্ট একে আব্দুল মতিন এবং ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল করপোরেশনের সেলস ম‍্যানেজার এ কে হামিদুর রহমান।

আরও পড়ুন : তারেক-জোবাইদার বিরুদ্ধে দুই সাব-রেজিস্ট্রারের সাক্ষ্য

২০২২ সালের ১ নভেম্বর পলাতক তারেক ও জোবাইদার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি আদালত গ্রেপ্তার পরোয়ানার তামিল প্রতিবেদন গ্রহণ করেন। এরপর তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেন আদালত। এরপর গত ১৩ এপ্রিল আদালত পলাতক তারেক ও জোবাইদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। গত ২১ মে আদালতে মামলার বাদী দুদকের উপপরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল হুদা সাক্ষ্য দেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ঘোষিত আয়ের বাইরে ৪ কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬১ টাকার মালিক হওয়া এবং সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কাফরুল থানায় এ মামলা করে দুদক। মামলায় তারেক রহমান, জোবাইদা রহমান ও তার মা অর্থাৎ তারেক রহমানের শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুকে আসামি করা হয়। ২০০৮ সালে তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। এরপরই মামলা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন জোবাইদা। ওই বছরই এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এর বিরুদ্ধে আপিল করলে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখেন। এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল হাইকোর্ট জোবাইদার করা মামলা বাতিলের আবেদন খারিজ (রুল ডিসচার্জ) করে রায় দেন। একই সঙ্গে ওই মামলায় আট সপ্তাহের মধ্যে জোবাইদাকে বিচারিক আদালতে উপস্থিত হতে নির্দেশ দেওয়া হয়। উচ্চ আদালতের এ খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে ওই বছরই লিভ-টু-আপিল করেন জোবাইদা। এরপর প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ লিভ-টু-আপিল খারিজ করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রাখেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

খালেদা জিয়া কখনো জোর করে ক্ষমতায় থাকেননি : খায়রুল কবির

জামায়াতের প্রার্থীকে শোকজ

সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হলে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে : সেলিমুজ্জামান

নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কি না, সন্দেহ রয়ে গেছে : মঞ্জু

ঢাবির ৪ শিক্ষককে স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য চার্জ গঠন

নবম পে-স্কেলে সর্বোচ্চ বেতন নিয়ে যা জানাল কমিশন

ইউজিসি কর্মচারী ইউনিয়নের নতুন কমিটির অভিষেক

গ্যাস যেন সোনার হরিণ, এলপিজি সংকটে নাভিশ্বাস

খালেদা জিয়া ছিলেন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বহ্নিশিখা : কবীর ভূঁইয়া

মুসাব্বির হত্যা নিয়ে মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া

১০

ছাত্রলীগ পুনর্বাসিত হচ্ছে শিবিরের দ্বারা : ডা. আউয়াল

১১

আইসিসিকে পাঠানোর বিসিবির নতুন চিঠিতে যা আছে

১২

জবির ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুক্রবার

১৩

মুদ্রা ছাপাতে প্রতি বছর ব্যয় ২০ হাজার কোটি টাকা : গভর্নর

১৪

পাকিস্তান থেকে জেএফ-১৭ কিনছে সৌদি আরব

১৫

চট্টগ্রাম বন্দরে রেকর্ড অগ্রগতি, রাজস্ব বেড়েছে ৭.৫৫ শতাংশ

১৬

রাজনীতির নামে চাঁদাবাজি বরদাস্ত করা হবে না : রবিউল আলম

১৭

মঈন আলীর ঝলকে ঢাকাকে হারাল সিলেট

১৮

এবার পিএসএলেও দেখা যাবে হায়দরাবাদ দল

১৯

জামায়াতে কোনো রাজাকার ছিল না : মেজর আক্তারুজ্জামান

২০
X