কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:০৯ পিএম
আপডেট : ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:২৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

আজ ফের ব্লকেড কর্মসূচিতে নামছেন ৭ কলেজের শিক্ষার্থীরা

সাত কলেজের লোগো। ছবি : কালবেলা গ্রাফিক্স
সাত কলেজের লোগো। ছবি : কালবেলা গ্রাফিক্স

অধ্যাদেশ জারির দাবিতে আবারও রাস্তায় নামছেন রাজধানীর সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা। প্রস্তাবিত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তায় থাকায় এবং অধ্যাদেশ জারিতে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় আজ ফের ব্লকেড কর্মসূচি পালন করছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) ফের তারা সড়ক অবরোধসহ ব্লকেড কর্মসূচি পালন করবেন।

শিক্ষার্থীদের মতে, প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের খসড়া আইন শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রকাশ করলেও এখনো চূড়ান্ত অধ্যাদেশ প্রণয়নে কোনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। এতে পরিচয় সংকট, একাডেমিক অনিশ্চয়তা ও ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার নিয়ে দেড় লক্ষাধিক শিক্ষার্থী মারাত্মক সমস্যায় পড়েছেন।

এর আগে, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশের দাবিতে শিক্ষা ভবনের সামনে রোববার রাতে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি চলমান রয়েছে। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলছেন, এক দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা তাদের কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।

ওইদিন সকাল থেকেই সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা নিজ ক্যাম্পাস থেকে এসে শিক্ষা ভবন মোড়ের সামনে অবস্থান নেন। পরে দুপুর ১টার দিকে তারা শিক্ষা ভবনের সামনের সড়কের মোড়ে অবস্থান নেন। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তারা হাইকোর্টের সামনে অবরোধ করেন। রাত ৮টায় ব্লকেড তুলে নিয়ে শিক্ষা ভবনের সামনে অবস্থান নেন তারা।

সেই সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থী প্রতিনিধি নাইম হাওলাদার বলেন, অধ্যাদেশ ছাড়া কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কোনো অগ্রগতি নেই। কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি হলেও শিক্ষার্থীরা এখনো ক্লাসে যেতে পারেননি। প্রশাসনের সবাইকে জানাতে চাই, শিক্ষার্থীদের আকুতি আপনারা শুনুন। তাদের ক্লাসরুমে ফিরিয়ে নিন। অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে আমাদের পরিচয় নিশ্চিত করুন।

তিনি আরও বলেন, আমরা জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে এখন হাইকোর্ট মোড় ছেড়ে দিচ্ছি। তবে একদফা আদায় না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষা ভবনের সামনে অবস্থান করব। আগামীকাল সকাল থেকে অন্যান্য শিক্ষার্থী অংশ নেবেন। অধ্যাদেশ না নিয়ে কেউ বাসায় ফিরবে না।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

১৪ বছর বয়সী কিশোরী হত্যায় ক্ষোভে ফুঁসছে আর্জেন্টিনা

ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতিতে সম্মতি, ইরান চুক্তির আশা জোরালো

রামিসা হত্যা মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানি আজ

বিকাশে ভুল নম্বরে পাঠানো টাকা ফেরত আনতে গিয়ে প্রাণ গেল যুবকের

দুপুরের মধ্যে যেসব অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড় হতে পারে

লাম্পি রোগে বাড়ছে গরুর মৃত্যু, ডিমলায় আতঙ্কে খামারিরা

গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত ৮

কী ঘটেছিল ইতিহাসের এই দিনে

বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ

কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর বাঁকখালী নদী পরিদর্শনে ইউএনও

১০

ইউএনজিএর সভাপতি হিসেবে কী দায়িত্ব ও মর্যাদা পাবেন খলিলুর রহমান

১১

‘সম্পাদক পরিষদ’ গঠন হয় কীভাবে, জানালেন সাবেক এক সদস্য

১২

মির্জা ফখরুলকে সারজিসের প্রশ্ন

১৩

৩০ বছর পর দখলমুক্ত সরকারি রাস্তা

১৪

হাদি হত্যায় তার বড় ভাইয়ের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে : ফারুক হাসান

১৫

সরকারকে ধন্যবাদ দিয়ে ‘সব নিরপরাধ মায়ের’ মুক্তি চাইলেন আইভী

১৬

ওসির নেতৃত্বে থানায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত 

১৭

নিঃসঙ্গ মায়ের মৃত্যু ঘিরে ‘মিথ্যা তথ্য’ ছড়ানোর অভিযোগ ছেলের

১৮

রিজার্ভ আরও বাড়ল

১৯

মায়ানমারে পাচারের পথে বিপুল সিমেন্ট জব্দ, আটক ৯

২০
X