

দক্ষিণী সুপারস্টার বিজয় থালাপতি। রুপালি পর্দা থেকে বিদায় নিয়ে নামেন রাজনীতির ময়দানে। ‘জন নয়গণ’ ছবিটি ছিল তার ভক্তদের কাছে এক আবেগের নাম। কিন্তু সেই আবেগে কার্যত পানি ঢেলে দিলেন মাদ্রাজ হাইকোর্ট। সেন্সর বোর্ডের আপত্তির মুখে ছবিটির মুক্তি নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম আইনি জটিলতা।
আদালতের লড়াই ও নাটকীয় মোড়ের শুরুটা হয়েছিল সেন্সর বোর্ডের (সিবিএফসি) ছাড়পত্র না দেওয়াকে কেন্দ্র করে। গত ৯ জানুয়ারি সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও সেন্সর জটিলতায় তা থমকে যায়। নির্মাতা পক্ষ মাদ্রাজ হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চের দ্বারস্থ হলে আদালত দ্রুত সিনেমাটিকে ‘ইউএ-১৬’ সার্টিফিকেট দেওয়ার নির্দেশ দেন। তবে শেষ পর্যন্ত সেটা আর হয়নি- যাকে মধুরেণ সমাপয়েৎ’।
আজ মঙ্গলবার মাদ্রাজ হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ সিঙ্গল বেঞ্চের সেই আদেশ বাতিল করে দিয়েছেন। আদালত জানিয়েছেন, সেন্সর বোর্ডকে তাদের বক্তব্য পেশ করার পর্যাপ্ত সময় না দিয়েই সার্টিফিকেট ইস্যুর নির্দেশ দেওয়া সঠিক ছিল না। ফলে সিবিএফসির সবুজ সংকেত না পাওয়া পর্যন্ত থালাপতির এ ছবি আপাতত প্রেক্ষাগৃহের মুখ দেখছে না।
বিজয় থালাপতি যেহেতু এই সিনেমার পর স্থায়ীভাবে রাজনীতিতে নামছেন, তাই ছবিটির মুক্তি পিছিয়ে যাওয়ার পেছনে অনেকেই ‘রাজনৈতিক অভিসন্ধি’ খুঁজছেন। ভক্তদের আশঙ্কা, সিনেমার কোনো রাজনৈতিক বার্তা হয়তো কারো অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মুক্তির আগেই যেখানে এক কোটি টাকার অগ্রিম টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে, সেখানে এমন আইনি ধাক্কা প্রযোজকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
বিজয় থালাপতি তামিল চলচ্চিত্র ‘ভেত্রি’ ১৯৮৪-তে শিশু শিল্পী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তার পিতার পরিচালিত কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করার পর- তিনি ১৮ বছর বয়সে নালাইয়া থেরপু ’৯২ চলচ্চিত্রে তার প্রথম প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন। পরে তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ১৯৯৮ সালে ‘কাধালুক্কু মারিয়াধাই’-এ বিজয় থালাপতিকে তার চরিত্রের জন্য তামিলনাড়ু সরকার ‘কালাইমামানি’ উপাধিতে ভূষিত করে।
মন্তব্য করুন