কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ জুন ২০২৪, ০৮:৫৩ পিএম
আপডেট : ২০ জুন ২০২৪, ০৬:২৪ এএম
অনলাইন সংস্করণ

রাসেল ভাইপারের দংশনের শিকার হলে কী করবেন

রাসেল ভাইপারের দংশনের শিকার হলে কী করবেন
রাসেল ভাইপারের দংশনের শিকার হলে কী করবেন | ছবি : কালবেলা গ্রাফিক্স

শুধু রাসেল ভাইপার নয়, যে কোনো সাপের কামড়ের শিকার হলেই ওঝার কাছে যাওয়া যাবে না বলে জোর পরামর্শ দেন বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা ফা-তু-জো খালেক মিলা (জোহরা মিলা)।

তিনি বলেন, ওঝার কাছে না গিয়ে যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা সদর হাসপাতাল বা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেতে হবে এবং চিকিৎসকের পরামর্শে নির্দিষ্ট অ্যান্টিভেনম প্রয়োগ করতে হবে।

এক্ষেত্রে সম্ভব হলে যে সাপ দংশন করেছে, তা চিহ্নিত করার জন্য সেই সাপের ছবি তুলে স্থানীয় বন কর্মকর্তা ও চিকিৎসককে দেখানোর পরামর্শও দেন জোহরা মিলা।

এদিকে চিকিৎকদের মতে, রাসেল ভাইপারের কামড়ালে আক্রান্ত ব্যক্তির হাত-পা অস্বাভাবিক ফুলে ওঠে। তাছাড়া রাসেল ভাইপারের দংশনের পর চিকিৎসা নিতে দেরী হলে রোগী মারা যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। মৃত্যুর কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে শক, পেশী প্যারালাইসিস, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রক্তক্ষরণ এবং কিডনি অথবা রেনাল ফেইলিয়র।

এ বিষয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যাপক মোহাম্মদ হাসান তারিক বলেন, রাসেল ভাইপারের দংশনের শিকার ব্যক্তির কিডনি দ্রুত অকেজো হতে শুরু করে। শরীর জ্বালাপোড়া করার পাশাপাশি দংশনের স্থানে পচন ধরে।

একইসঙ্গে দংশনের শিকার ব্যক্তির রক্ত জমাট বাঁধতে শুরু করে। এসব ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা দেওয় না হলে আক্রান্ত ব্যক্তিকে বাঁচানো সম্ভব হয় না।

সাপটির দংশনের শিকার ব্যক্তিদের চিকিৎসার অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে চিকিৎসক আরও বলেন, রাসেল ভাইপারের এন্টিভেনম থাকলেও সেটা খুব একটা কাজ করে না।

২০১৫ সালের দিকে আমরা প্রথম রাসেল ভাইপারে কামড়ানো রোগী পেয়েছিলাম। সে সময় আক্রান্ত হাত-পা কেটে ফেলেও রোগীকে বাঁচানো যায়নি। তাই সাপটির কবল থেকে বাঁচতে সচেতনতাই কার্যকর পথ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

স্ত্রী বাড়িতে না ফেরায় শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে প্রাণ দিলেন স্বামী

গাজীপুরে ফল মেলার উদ্বোধন করলেন তথ্যমন্ত্রী

‘ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড বিতরণে অনিয়ম সহ্য করা হবে না’

পানিতে ডুবে চাচা-ভাতিজার মৃত্যু

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদী মারা গেছেন

বিশ্বকাপে মা-ছেলের নতুন ইতিহাস

একদলীয় শাসনের চেষ্টা জনগণ মেনে নেবে না : জামায়াত আমির

৬০ দিনের জন্য হরমুজ প্রণালিতে ফি মওকুফ করল ইরান  

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে পুলিশের ‘জরুরি বার্তা’

শাকিবের বাড়িতে গিয়ে ‘অস্বস্তিতে’ পড়েছিলেন মিষ্টি জান্নাত!

১০

পবিত্র কাবার গিলাফের প্রধান ক্যালিগ্রাফার চট্টগ্রামের মুখতার আলম

১১

নারায়ণগঞ্জে গার্মেন্টসে বয়লার বিস্ফোরণ, আহত ১৫

১২

রেনশো ঝড়ে বাংলাদেশকে বড় লক্ষ্য দিল অস্ট্রেলিয়া

১৩

২০১৮ সালে বিএনপি নেতাকে হামলার দায়ে আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার

১৪

ইউনিয়নের পর এবার প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের নামে স্কুল নামকরণের প্রস্তাব

১৫

অন্ধকারের দরজা ভিপিএন : অপব্যবহার যেভাবে বিষিয়ে তুলছে সমাজ ও রাষ্ট্রকে

১৬

সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা স্থগিত 

১৭

ব্রাজিল নাকি হাইতি জিতবে কারা, জানাল সুপার কম্পিউটার

১৮

খাদ্য অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি, আটক ৪৯

১৯

সাকলায়েনের জন্য খারাপ লাগছে, বলেছিলেন পরীমণি

২০
X