সরকারি চাকরিতে ‘কোটা’ ইস্যু নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রস্তাবনা সংগ্রহ, বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংবলিত লিফলেট বিতরণ, উন্মুক্ত আলাপন, যৌক্তিক উপায় গ্রহণ এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয় এমন কর্মসূচি পরিহার করার জন্য ‘পলিসি অ্যাডভোকেসি’ ও ‘ডোর টু ডোর’ ক্যাম্পেইন শুরু করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
শনিবার (১৩ জুলাই) বিকেলে সাড়ে ৫টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেয় সংগঠনটি।
এসময় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সরকারি চাকরিতে ‘কোটা’ ইস্যু নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রস্তাবনা সংগ্রহ, বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংবলিত লিফলেট বিতরণ, উন্মুক্ত আলোচনার মাধ্যমে যৌক্তিক উপায় গ্রহণ এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয় এমন কর্মসূচি পরিহার করার জন্য ‘পলিসি অ্যাডভোকেসি’ ও ‘ডোর টু ডোর’ ক্যাম্পেইন পরিচালনা করছে।
তিনি বলেন, আজ থেকে শুরু হওয়া বাংলাদেশ ছাত্রলীগের এ ক্যাম্পেইনে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের আমন্ত্রণ ও শুভেচ্ছা। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মিথষ্ক্রিয়া, আলোচনা, মতামত গ্রহণের মাধ্যমে বিদ্যমান পরিস্থিতির একটি গ্রহণযোগ্য সুরাহা, যৌক্তিক সমাধান, জনদুর্ভোগ এড়ানো এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একাডেমিক পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। উদ্ভূত পরিস্থিতির যৌক্তিক ও ইতিবাচক সমাধানের লক্ষ্যে শিক্ষার্থী বন্ধুদের যে কোনো মতামত লিখিত আকারে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ইমেইলে প্রেরণের আহ্বান জানানো হলো।
ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান বলেন, কোটা আন্দোলনের নামে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে মানুষের মধ্যে যে ভীতির পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে সেই জায়গা থেকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ পড়ার টেবিলে ফিরে আসার আমন্ত্রণ জানিয়ে ইতোমধ্যে কর্মসূচি সম্পন্ন করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের আরও একটি কর্মসূচি হলো ‘ডোর টু ডোর’ ক্যাম্পেইন। এর মাধ্যমে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজগুলোতে শিক্ষার্থীদের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে আমরা সঠিক বার্তাটি পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করব। কোটা ইস্যুর যৌক্তিক ও বাস্তব সমাধানের লক্ষ্যে এবং ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা যেন কেউ না করতে পারে সেই লক্ষ্যে আমরা সচেষ্ট রয়েছি এবং কাজ করছি। শিক্ষার্থীরা যেন কোনোরকম ষড়যন্ত্রের জালে নিজেকে আটকে ভবিষ্যৎ জীবনকে নষ্ট না করে ফেলে সেই লক্ষ্যে আমাদের এই ক্যাম্পেইন।
মন্তব্য করুন