শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ এপ্রিল ২০২৫, ০৬:২১ পিএম
আপডেট : ০৯ এপ্রিল ২০২৫, ০৬:৫৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

‘বিনিয়োগ বোর্ডে হয়রানির শিকার হয়ে বহু বিদেশিকে কাঁদতে দেখেছি’

মাহবুব কবির মিলন। ছবি : সংগৃহীত
মাহবুব কবির মিলন। ছবি : সংগৃহীত

দেশ ধ্বংসের পেছনে অনেকাংশেই আমলারাই দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবীর মিলন।

বুধবার (০৯ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

পোস্টে তিনি লেখেন, আপনারা কি জানেন বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা বিডা (পূর্বের বোর্ড অব ইনভেস্টমেন্ট) কোন মন্ত্রণালয়ের আন্ডারে। মন্ত্রী কে? সচিব কে? সেই বিডা বা আগের বিওআই-কে যদি নিধিরাম সর্দার করে রাখা হয়, সেই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সচিব বা অফিসে বিডার কোনো পাত্তা না থাকে, গুরুত্ব না থাকে, চিঠিপত্র পড়ে থাকে। বিডার কথা বা চিঠির গুরুত্ব যদি অন্যকোনো সরকারি অফিস না দেয়। বিডার নাম শুনলে যদি অন্য অফিস হাসি তামাশা করে।

বিডা প্রাণান্তকর চেষ্টা করার পরেও মন্ত্রী, সচিবদের অসহযোগিতার কারণে যদি বিনিয়োগকারীরা ফিরে যায়। বিডার চেয়ারম্যান, কর্মকর্তাদের যদি হায় হায় করে মাথা চাপড়াতে হয়।

বিডার একাধিক চেয়ারম্যানকে যদি আফসোস করে বলতে হয়, ‘কিছুই করতে পারলাম না। কেউ কথা শোনেনা।’ তাহলে বলতে পারেন, দেশে বিনিয়োগ বাড়বে কীভাবে! বিদেশিরা বাড়িঘর ফেলে হাজার হাজার মাইল দূরে আপনার দেশে এসে বিনিয়োগ করবে কেন!

মাহবুব কবীর লেখেন, চট্টগ্রামে অন্যান্য সরকারি অফিস থেকে ভয়াবহ হ্যারাসমেন্টে শিকার হয়ে বিনিয়োগ বোর্ডে আমার অফিসে এসে কেঁদে ফেলত বিদেশিরা। চাইনিজ, জাপানিজ অনেক বিনিয়োগকারীকে কাঁদতে দেখেছি। আমার অফিসের সবাই তার সাক্ষী। বলতে পারেন, এই দেশে এফডিআই বাড়বে কীভাবে!

তিনি আরও লেখেন, বর্তমান চেয়ারম্যানের আগে এমন একজনকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, যার অর্ডার দেখে আমি শুধু হতভম্ব নই, হার্টফেল করার উপক্রম হয়েছিল। হার্টফেল করার উপক্রম হয়েছিল অনেকের। সেটাই ছিল বিডা নামক কফিনের শেষ পেরেক।

তিনি লেখেন, এই দেশ ধ্বংসের পিছনে অনেকাংশেই আমলারাই দায়ী। বিশেষ করে গত ১৬ বছরের কিছু আমলা। এদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া প্রয়োজন ছিল।

মাহবুব কবীর মিলন ফেসবুক পোস্টে প্রশ্ন রাখেন, কী! বিডার মন্ত্রণালয়, সচিব কে?

তিনি লেখেন, পিএম অফিস। সচিব হচ্ছে, পিএম অফিসের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি এবং পিএম এর সেক্রেটারি। এখন প্রধান উপদেষ্টার অফিস বা কার্যালয়। তিনিই মন্ত্রী বিডার। এবার বুঝলেন, বর্তমানে ব্যাটে-বলে ফাটাফাটি কেমন হচ্ছে, কেন হচ্ছে এবং কেমন হতে পারে!

এই কম্বিনেশনই দরকার প্রত্যেক সরকারি অফিসে। ৩০ বছর চাকুরি করেছি, আকুল হয়ে অপেক্ষা করেছি, এমন একটি মাহেন্দ্রক্ষণ বা কম্বিনেশনের। পাইনি, যা পেয়েছি, তা ছিল গতানুগতিক।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের

দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা

এসএসসি বিরাশিয়ান বন্ধুদের উদ্যোগে ৮২টি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

২০টির বেশি প্রতিষ্ঠান নিয়ে নারীদের জন্য জব ফেয়ার

মেসিকে কেন ছাড়? ক্ষুব্ধ দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ

এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে কোন ম্যাচে সর্বোচ্চ দর্শক খেলা দেখেছে?

ওপিসিডব্লিউ’র পরিদর্শক দল কর্তৃক ৩ প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন 

ঢাকা থেকে যুবলীগ নেতা আটক 

দাবি রাশেদ খাঁনের / জামায়াতের নেতারা বিনা জামানতে কোটি কোটি টাকা ঋণ পায়

গ্রুপ পর্বে নেইমারকে পাচ্ছে না ব্রাজিল? যা বলছেন চিকিৎসকরা

১০

সংসদে ‘কাঁচা রাস্তা’ বলার ব্যাখ্যা দিলেন জেবা আমিন

১১

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান বাতিল 

১২

নারী বাদিকে দেখেই ওসির মন্তব্যে ‘আপনি সেই মাল’

১৩

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

১৪

এআই ডিপফেকের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে প্রীতি জিন্টা

১৫

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

১৬

সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশীদ আর নেই

১৭

স্টেডিয়ামের পরিছন্নতা কর্মীদের বেতন বাড়ালেন তামিম

১৮

দেশি বিনিয়োগেই ভরসা খুঁজছে বিডা

১৯

‘এত ঋণখেলাপি থাকলে তো জনগণ ঋণখেলাপিদের সংসদ বলবে’

২০
X