কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৪ মে ২০২৫, ০৪:২৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

‘রোহিঙ্গা সংকটের কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়নি’

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। পুরোনো ছবি
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। পুরোনো ছবি

মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধের মধ্যে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের সংকট নিরসনে এখনো কোনো কার্যকর সমাধান খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

রোববার (০৪ মে) বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে (বিইউপি) ‘বাংলাদেশে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন : আঞ্চলিক নিরাপত্তায় কৌশলগত প্রভাব ও ভবিষ্যৎ পথ’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি) এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে তৌহিদ হোসেন বলেন, ইতিহাস বলে- রোহিঙ্গা ইস্যুতে হওয়া সংকটগুলো শান্তিপূর্ণভাবে নয়, সংঘাতের মধ্য দিয়েই সমাধান হয়। এ সময় ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধসহ আফ্রিকার কয়েকটি জাতিগোষ্ঠীর স্বাধীনতা যুদ্ধকে উদাহরণ হিসেবে দেখান তিনি।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ২০১৭ সালে রাখাইনে সামরিক বাহিনীর দমনপীড়নের কারণে বাংলাদেশে তৃতীয় দফায় রোহিঙ্গাদের ঢল নামে। এর আগেও প্রায় ৩ লাখ রোহিঙ্গা নানা সময় সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে আসে।

দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়াকে ‘বৃথা’ আখ্যা দিয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, একজন রোহিঙ্গাকেও প্রত্যাবাসন করা যায়নি। তিনি বলেন, আমরা কূটনীতি ত্যাগ করতে পারি না। কিন্তু আমাদের এ আশা ছেড়ে দিতে হবে, শুধু দ্বিপাক্ষিক আলোচনা সফল হবে না।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, যে কোনো প্রত্যাবাসন অবশ্যই স্বেচ্ছায় হতে হবে এবং সেখানে নিরাপত্তা ও পূর্ণ নাগরিকত্বের নিশ্চয়তা থাকতে হবে। তারা এমন জায়গায় ফিরে যাবে না- যেখানে তাদের জীবন ঝুঁকিপূর্ণ এবং তাদের অধিকার অস্বীকার করা হয়।

সামরিক জান্তা, আরাকান আর্মি এবং ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্টকে (এনইউজি) মিয়ানমারের প্রধান অংশীজন হিসেবে উল্লেখ করে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, যে কোনো স্থায়ী সমাধানে অবশ্যই এই ৩টি পক্ষকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বিশেষ করে আরাকান আর্মিকে, যারা এখন রাখাইন (আরাকান) রাজ্যের বিশাল অংশ নিয়ন্ত্রণ করে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

স্ত্রী বাড়িতে না ফেরায় শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে প্রাণ দিলেন স্বামী

গাজীপুরে ফল মেলার উদ্বোধন করলেন তথ্যমন্ত্রী

‘ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড বিতরণে অনিয়ম সহ্য করা হবে না’

পানিতে ডুবে চাচা-ভাতিজার মৃত্যু

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদী মারা গেছেন

বিশ্বকাপে মা-ছেলের নতুন ইতিহাস

একদলীয় শাসনের চেষ্টা জনগণ মেনে নেবে না : জামায়াত আমির

৬০ দিনের জন্য হরমুজ প্রণালিতে ফি মওকুফ করল ইরান  

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে পুলিশের ‘জরুরি বার্তা’

শাকিবের বাড়িতে গিয়ে ‘অস্বস্তিতে’ পড়েছিলেন মিষ্টি জান্নাত!

১০

পবিত্র কাবার গিলাফের প্রধান ক্যালিগ্রাফার চট্টগ্রামের মুখতার আলম

১১

নারায়ণগঞ্জে গার্মেন্টসে বয়লার বিস্ফোরণ, আহত ১৫

১২

রেনশো ঝড়ে বাংলাদেশকে বড় লক্ষ্য দিল অস্ট্রেলিয়া

১৩

২০১৮ সালে বিএনপি নেতাকে হামলার দায়ে আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার

১৪

ইউনিয়নের পর এবার প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের নামে স্কুল নামকরণের প্রস্তাব

১৫

অন্ধকারের দরজা ভিপিএন : অপব্যবহার যেভাবে বিষিয়ে তুলছে সমাজ ও রাষ্ট্রকে

১৬

সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা স্থগিত 

১৭

ব্রাজিল নাকি হাইতি জিতবে কারা, জানাল সুপার কম্পিউটার

১৮

খাদ্য অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি, আটক ৪৯

১৯

সাকলায়েনের জন্য খারাপ লাগছে, বলেছিলেন পরীমণি

২০
X