কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০২৪, ০৭:১৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

‘জনগণকে কষ্টে রেখে কোনো উদ্যোগ সফল হবে না’ 

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

দেশের মানুষকে কষ্টে রেখে কোনো উদ্যোগ সফল হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের রজতজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন। আর জনগণকে কষ্টে রেখে কোনো উদ্যোগ সফল হবে না। নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে অন্তর্বর্তী সরকারকে বাস্তব ও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে কৃষক-শ্রমিক-দিনমজুর এবং স্বল্প আয়ের মানুষ দুর্বিষহ পরিস্থিতির মুখোমুখি। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যে দিশাহারা। জিনিসপত্রের দাম বাড়লেও মানুষের আয় সেভাবে বাড়েনি। সরকারকে বলব- জিনিসপত্রের দাম কমাতে পদক্ষেপ নিন। মাফিয়া সিন্ডিকেট ভাঙতে প্রয়োজনে উপদেষ্টা পরিষদের আকার বাড়াতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচার সরকারের সুবিধাভোগীরা ঘরে-বাইরে, প্রশাসনে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। তারা সরকারকে ব্যর্থ করে দিতে চায়। ষড়যন্ত্রের বিষবৃক্ষ উপড়ে ফেলতে না পারলে ছাত্র-জনতার বিপ্লবের অর্জন বিপন্ন হবে। রাষ্ট্রকে জনগণের প্রত্যাশিত কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচারের দোসরদের বসিয়ে রেখে কোনো উপকার মিলবে না। মাফিয়াচক্র বাংলাদেশে গণহত্যা চালিয়েছে। তবে মানুষ বাক-স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছে। মাফিয়া চক্রের কবল থেকে বঞ্চিতরা অধিকার চায়। শহীদের রক্তের দাগ এখনো শেষ হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কার্যক্রম সম্পাদন করতে হবে। সরকারের কিছু সমন্বয়হীনতা স্পষ্ট হতে শুরু করেছে।

তিনি বলেন, সংস্কার অনেক প্রয়োজনীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ। তবে সেটি ধারাবাহিক ও চলমান প্রক্রিয়া। কখনো সময় সাপেক্ষ। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই। জনগণের সঙ্গে সংস্কার কাজ করলে সেটি সহজ হয়।

তারেক রহমান বলেন, স্বৈরচারের আমলে তাদের বিভিন্ন নেতাকর্মী দেশের বিভিন্ন স্থানে জমি-জায়গা, দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল করেছিল। তারা সেগুলো পুনরুদ্ধারে মরিয়া হয়েছে। সেগুলো পুনরুদ্ধারে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। নাগরিকদের প্রতি রাষ্ট্রের যেমন দায়িত্ব তেমনই রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকদের দায়িত্ব রয়েছে। সেজন্য সবাইকে স্বেচ্ছাসেবীর মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে। আসুন আমরা প্রতিশোধ-প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে প্রত্যেকে আমরা প্রত্যেকের তরে এই মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যাই। আমি সবশেষে জুলাই-আগস্টে হতাহত এবং ক্ষতিগ্রস্তদের আবার কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নুরের ওপর হামলার বিষয়ে জুলকারনাইন সায়েরের পোস্ট 

জাতিসংঘ অধিবেশনে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্টকে যোগ দিতে বাধা

এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ

নিয়ম পরিবর্তন করে নির্বাচন দেন, আপত্তি থাকবে না : হাসনাত

তিন দাবিতে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ চলছে

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে যেমন হতে পারে বাংলাদেশের একাদশ

নাক ও চোয়ালের হাড় ভেঙে গেছে নুরের, মেডিকেল বোর্ড গঠন

মানুষ ঘুমের মধ্যে কেন হাসে, কী করণীয়

জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সতর্ক অবস্থান

শাহ পরাণের মাজারে শিরনি বন্ধ হবে, দরবার ভাঙবে : মেঘমল্লার বসু

১০

বাড়ি বেচে দিলেন সোনু সুদ

১১

বাইচের নৌকা ডুবে নিহত ২

১২

মার্কিন আদালতে ট্রাম্পের বেশিরভাগ শুল্ক অবৈধ ঘোষিত

১৩

বায়ুদূষণে চ্যাম্পিয়ন কামপালা, ঢাকার অবস্থান কত

১৪

সব সময় ক্লান্ত লাগার ৫ সাধারণ কারণ

১৫

পরীক্ষামূলকভাবে আজ শুরু স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল

১৬

ইসরায়েলের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য বন্ধ করে দিয়েছে তুরস্ক

১৭

দেশে কত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে আজ

১৮

সারা দেশে গণঅধিকার পরিষদের বিক্ষোভ আজ

১৯

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফিরছেন কঙ্গনা

২০
X