কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০২৪, ০৩:৪২ পিএম
আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০২৪, ০৪:১৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

বিএনপির র‌্যালি শুরু

নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীরা। ছবি : কালবেলা
নয়াপল্টনে বিএনপির নেতাকর্মীরা। ছবি : কালবেলা

ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির র‌্যালি শুরু হয়েছে। শুক্রবার (৮ নভেম্বর) বিকেল ৩টা ৩৫ মিনিটে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় নয়াপল্টনের সামনে থেকে এ র‍্যালি শুরু হয়।

লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে র‍্যালির উদ্বোধন করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। র‍্যালিটি মানিক মিয়া এভিনিউতে গিয়ে শেষ হবে।

এর আগে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে বিএনপির র‌্যালিপূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শুরু হয়। বিকেল ৩টায় নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ সমাবেশ শুরু হয়। এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করছেন বিএনপি মহসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র ছাড়া অন্য কিছু চলবে। এখানে স্বৈরাচারের আর কোনো সুযোগ নেই।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর আওয়ামী লীগ সরকার ও তাদের দোসররা এই দেশকে লুটপাট করে খেয়েছিল। আমরা দীর্ঘ ১৭ বছর এর বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। সর্বশেষ ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে হাসিনা দেশ থেকে পালিয়েছে। কিন্তু তার দোসররা এখনো ঘাপটি মেরে বসে আছে। দেশের জনগণ যে কোনো অপশক্তিকে উৎখাত করতে প্রস্তুত আছে। এ জন্য আমরা সব সময় ঐক্যবদ্ধ আছি এবং ভবিষ্যতে থাকব।

তিনি আরও বলেন, যেভাবে ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের হাল ধরেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, তার পর হাল ধরেন বেগম খালেদা জিয়া আর এখন হাল ধরেছেন তারেক রহমান।

আজকের র‌্যালিটি নয়াপল্টন থেকে শুরু হয়ে কাকরাইল মোড়, মৎস্য ভবন, শাহবাগ মোড়, বাংলামোটর, ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া এভিনিউতে গিয়ে শেষ হবে।

প্রসঙ্গত বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।

এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ৭ নভেম্বরের এই দিনে ১৯৭৫ সালে দেশের দেশপ্রেমিক সৈনিক জনতা আধিপত্যবাদকে ও তাদের দোসরদের পরাজিত করে নতুন বাংলাদেশ সৃষ্টি করে।

তিনি আরও বলেন, ৭ নভেম্বরের পরে রাজনীতি ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের রাজনীতি, সেই রাজনীতি ছিল আধিপত্যবাদকে পরাজিত করে গণতন্ত্রের শত্রুদের পরাজিত করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার রাজনীতি। তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৭৫ সালে সিপাহি-জনতার বিপ্লবের পর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশের অবস্থা পরিবর্তন করেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঘোষণা আজ / জামায়াতসহ ১১ দলের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত

‘শেয়ার শূন্য ৫ ব্যাংকের অডিটরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে’

খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক শিক্ষা সারা জীবন বয়ে চলার অঙ্গীকার ব্যারিস্টার অমির

খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় জবিতে শীতবস্ত্র বিতরণ 

বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা : ভারতের সেনাপ্রধান

ইরানি বিক্ষোভকারীদের নতুন বার্তা ট্রাম্পের

নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে চীন

রাজধানীর যেসব এলাকায় গ‍্যাস বন্ধ

‘শেষ ৪ মাসে আমাকে কোনো কাজ করতে দেওয়া হয়নি’

বুধবার সায়েন্সল্যাব-টেকনিক্যাল-তাঁতীবাজার অবরোধের ঘোষণা

১০

যে কারণে স্বতন্ত্র নির্বাচন করছেন, জানালেন তাসনিম জারা

১১

মাদ্রাসার টয়লেটে মিলল শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ

১২

ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল বিসিবি : ‘এক ইঞ্চিও পিছু হটব না’

১৩

কলকাতার হয়ে খেলা পেসারকেও ভিসা দিচ্ছে না ভারত

১৪

প্রার্থী-সমর্থকদের প্রতি যে আহ্বান জানাল জমিয়ত

১৫

‘হাঙর’ নিয়ে আসছেন নেপালি তারকা প্রমোদ আগ্রহারী

১৬

শতাধিক কর্মী-সমর্থক নিয়ে ছাত্রদলে এনসিপি নেতা

১৭

দেহরক্ষী ও বাসভবনে নিরাপত্তা পেলেন জামায়াতের আমির

১৮

জকসুর প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

১৯

পৌষ সংক্রান্তিতে বসেছে ঐতিহ্যবাহী মাছের মেলা

২০
X