কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৫, ০২:০৮ পিএম
আপডেট : ২৩ জানুয়ারি ২০২৫, ০৪:২৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ছাত্রদের প্রতিনিধি সরকারে রেখে নির্বাচন মানবে না রাজনৈতিক দলগুলো : ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি : সংগৃহীত
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি : সংগৃহীত

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ছাত্ররা রাজনৈতিক দল গঠন করার পরও যদি সরকারে তাদের প্রতিনিধি থাকে তাহলে সরকার নিরপেক্ষ থাকতে পারবে না। তারা যদি সরকারে থেকেই নির্বাচন করেন, তাহলে তো রাজনৈতিক দলগুলো মেনে নেবে না।

মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) বিবিসি বাংলাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন মির্জা ফখরুল।

বিবিসি বাংলার এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া শিক্ষার্থীরা একটা রাজনৈতিক দল গঠন করার কথা ভাবছেন। সেখানে যদি ছাত্রদের প্রতিনিধি এ সরকারে থাকে, তাহলে তো নিরপেক্ষ থাকতে পারবে না। কিন্তু তারা যদি মনে করেন সরকারে থেকেই নির্বাচন করবেন, তাহলে রাজনৈতিক দলগুলো সেটা মেনে নেবে না।

তিনি আরও বলেন, আমরা দ্রুত নির্বাচন চাই, সেটা আগেও বলেছি। যৌক্তিক সময়ের মধ্যে সংস্কার, যেটা ন্যূনতম সংস্কার, সেগুলো করে যত দ্রুত সম্ভব জাতীয় সংসদ নির্বাচন করার কথা বলেছি আমরা। এসব কথা আমরা প্রথম থেকেই বলে আসছি এবং আমরা বিশ্বাস করি যে, আমাদের যে অভিজ্ঞতা দেখেছি আমরা অতীতের কেয়ারটেকার সরকারগুলোতে, তাতে করে এটা অসম্ভব কিছু না। সরকার চাইলে জুন-জুলাইয়ের মধ্যে বা আগস্টের মধ্যে নির্বাচন করা সম্ভব।

নির্বাচনের সময়সীমা সম্পর্কে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা সুনির্দিষ্ট সময় ওইভাবে বলতে চাই না। কারণ এ জন্য যে, তাতে কোনো লাভ হবে না। কারণ সরকারকেও সেটা চাইতে হবে। অন্য দলগুলোকেও চাইতে হবে, সবাইকে একসঙ্গে চাইতে হবে। তবে আমরা মনে করি, যতদ্রুত নির্বাচন হবে দেশের জন্য ততই মঙ্গল হবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা আমাদের কথাগুলো শুরু থেকেই স্পষ্ট করে বলে আসছি। বলেছি যে, যতগুলো সংস্কারের মধ্যে হাত দেওয়া হয়েছে, অতগুলো সংস্কার করতে গেলে ১০ বছরের মধ্যেও শেষ হবে না। আর সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। দুই বছর আগে রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা দিয়েছি আমরা। তার মধ্যে এই বিষয়গুলো তো রয়েছে।

সংবিধান সংস্কারের বিষয় রয়েছে, জুডিশিয়াল কমিশনের কথা আমরা বলেছি, আমরা ইলেকশন কমিশনের কথা বলেছি, আমরা ব্যুরোক্রেসি সংস্কারের কথা বলেছি ৩১ দফায়, আমরা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট পার্লামেন্টের কথা বলেছি -এগুলো সব আমাদের বলা আছে। এখন সেক্ষেত্রে তারা যেটা করেছেন, সেটা কী রিপোর্ট নিয়ে আসছে আমরা জানি না।

যদি রিপোর্টগুলোয় দেখা যায়, আমাদের সঙ্গে মিলে গেছে, তাহলে তো কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু যেগুলো মিলবে না, সেগুলো তো একটা ন্যূনতম কনসেনসাস হতে হবে। তারপরে সেটা হতে হবে। আরেকটা বিষয় হচ্ছে, সংস্কার দেওয়া হলো, কিন্তু সেটা অ্যাপ্রুভ করবে কে? তার জন্য তো আইনগতভাবে যাদের অধিকার আছে, তারাই করতে পারবে। দ্যাট ইজ পার্লামেন্ট।

পার্লামেন্ট ছাড়া কিন্তু কোনো সাংবিধানিক সংস্কার কঠিন হবে। এমনকি অন্য অনেক বিষয় আছে, যেগুলো সংবিধানে কিছু কিছু পরিবর্তন আনার দরকার আছে। কিন্তু সেগুলো পার্লামেন্ট ছাড়া সম্ভব নয়। সে জন্যই আমরা মনে করি, দ্য সুনার দ্য ইলেকশন ইজ বেটার।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইরানে মাত্র দুদিনের বিচারে মৃত্যুদণ্ড হওয়া কে এই এরফান?

হাঁস কিনতে গিয়ে প্রতারণার শিকার পুলিশ সুপার

দেশের বাইরে থেকে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা হলে কঠোর ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

জামায়াত প্রার্থীর বাসার সামনে ককটেল হামলা

যে কারণে স্থগিত হলো ১১ দলীয় জোটের সংবাদ সম্মেলন

বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন / বাংলাদেশের ভারতে খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ক্ষতির আশঙ্কায় কলকাতা

সীমান্ত দিয়ে ১৭ জনকে ঠেলে পাঠিয়েছে বিএসএফ

শিক্ষার্থীদের মাঝে খেলার সামগ্রী বিতরণ করলেন নুরুদ্দিন অপু

পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামি ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৭

১১ দলীয় জোটের সংবাদ সম্মেলন স্থগিত 

১০

শিপিং করপোরেশনকে লাভজনক প্রতিষ্ঠান থাকতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা 

১১

ঢাকার তিন জায়গায় সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের অবরোধ, তীব্র যানজট

১২

জামায়াত প্রার্থীর সভায় আ.লীগ নেতার বক্তব্য

১৩

রাফসান-জেফারের বিয়ের ছবি প্রকাশ্যে

১৪

স্বর্ণের দামে নতুন ইতিহাস, রেকর্ড গড়েছে রুপাও

১৫

ক্ষমা চাইলেন সিমিওনে

১৬

বিস্ফোরক মামলায় আ.লীগ নেতা মশিউর গ্রেপ্তার

১৭

বিইউএফটি ন্যাশনাল ক্যারিয়ার ফেস্ট ২০২৬ অনুষ্ঠিত

১৮

রায়েরবাজারে অস্ত্রসহ কিশোর গ্যাংয়ের ৯ সদস্য আটক

১৯

নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কূটনীতিকদের যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা 

২০
X