কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ মার্চ ২০২৫, ০৩:১৪ পিএম
আপডেট : ২৭ মার্চ ২০২৫, ০৩:৩৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ইশরাককে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র ঘোষণা

ইশরাক হোসেন। ছবি : কালবেলা
ইশরাক হোসেন। ছবি : কালবেলা

২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী ইশরাক হোসেনকে জয়ী ঘোষণা করেছেন আদালত। একই সঙ্গে ভোট কারচুপির অভিযোগে শেখ ফজলে নূর তাপসের মেয়র পদ বাতিল করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে দায়িত্বপ্রাপ্ত ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ মো. নুরুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন মামলার বাদী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।

এর আগে ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে ফল বাতিল চেয়ে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন বিএনপি সমর্থিত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রার্থী ইশরাক হোসেন।

আদেশে নৌকা প্রতীক নিয়ে সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসকে মেয়র হিসেবে সরকারের গেজেট বাতিল করা হয়। ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ইশরাক হোসেনকে মেয়র হিসেবে ঘোষণা দেন আদালত।

অনিয়ম, দুর্নীতি ও অগ্রহণযোগ্যতার অভিযোগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচন ও ফলাফল বাতিল চেয়ে ২০২০ সালের ৩ মার্চ মামলা করেছিলেন মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন। মামলায় তৎকালীন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা, রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবদুল বাতেন ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসসহ মোট আটজনকে বিবাদী করা হয়।

ইশরাকের আইনজীবী তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ বলেন, অনিয়ম, দুর্নীতি ও অগ্রহণযোগ্যতার অভিযোগে আমরা নির্বাচন বাতিল চেয়ে মামলা করেছিলাম। তাকে মেয়র হিসেব ঘোষণার আবেদন করেছিলাম। আদালত আজ আমমাদের পক্ষে রায় দিলেন। ইসরাক হোসেনকে মেয়র হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আতিকুল ইসলাম উত্তরে ও ফজলে নূর তাপস দক্ষিণের মেয়র নির্বাচিত হন। নির্বাচন কমিশন ২ ফেব্রুয়ারি ভোটের গেজেট প্রকাশ করেন। তারা শপথ গ্রহণ করে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তাদের মেয়র পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

নির্বাচনী আইন অনুযায়ী ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে সংক্ষুব্ধ প্রার্থী বা তার মনোনীত ব্যক্তিকে আবেদন করতে হয়। মামলার পর পরবর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে তা নিষ্পত্তি করবেন ট্রাইব্যুনাল। সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি রায়ে খুশি না হলে ৩০ দিনের মধ্যে তিনি নির্বাচনী আপিল ট্রাইব্যুনালে যেতে পারবেন। নির্বাচনী আপিল ট্রাইব্যুনাল ১২০ দিনের মধ্যে আপিলটি নিষ্পত্তি করবেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মারা গেলেন ১৫ বছর বয়সে অভিষেক হওয়া সেই ক্রিকেটার

তাহেরির স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, নিজের আছে ৩১ ভরি

‘দ্বিতীয় বিয়েতে আগের স্ত্রীর অনুমতি’: যেভাবে ছড়িয়ে পড়ে বিভ্রান্তি

আ.লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার

মাতারবাড়ী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে আগুন

চট্টগ্রাম চেম্বার নির্বাচনে আইনি বাধা নেই

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন স্থগিতের নির্দেশ

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১০

ঢাবির বিভাগীয় চেয়ারম্যান পদ থেকে গোলাম রাব্বানীকে অব্যাহতি

জামায়াত ঐক্যের নামে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে : মাওলানা আনোয়ারুল করিম

১০

এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এনটিআরসিএর কড়া বার্তা

১১

বিপিএলের প্লে–অফ নিশ্চিত তিন দলের, রংপুরের সামনে শেষ লড়াই

১২

নির্বাচনের আগেই হাদি হত্যার বিচার চান শিক্ষার্থীরা

১৩

সাবেক ডিআইজি মিলন দম্পতির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

১৪

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিয়ের দাওয়াত নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, সাবেক ইউপি সদস্য নিহত

১৫

পার্লামেন্টে ইরানের সব কূটনীতিককে নিষিদ্ধ করল ইইউ

১৬

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে পুলিশে দিল জনতা

১৭

ভারতকে নিরাপদ বলছে আইসিসি, মানছে না বাংলাদেশ

১৮

সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করতে অপরাধীদের তথ্য দেওয়ার আহ্বান সাতক্ষীরার পুলিশ সুপারের

১৯

পেছনের দরজা দিয়ে গণতন্ত্র ধ্বংসের ষড়যন্ত্র এখনো চলছে : ডা. রফিক

২০
X