কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২৫, ০৮:৫৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

অধ্যাদেশ কিংবা গণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে হবে : বুলবুল

সদস্য সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নেতারা। ছবি : সংগৃহীত
সদস্য সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নেতারা। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারি কিংবা গণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে হবে। পাশাপাশি সেই আলোকে সংস্কার বাস্তবায়ন এবং পিআর পদ্ধতিতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন দিতে হবে।

সোমবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে জামায়াতে ইসলামী পল্টন থানা সদস্য সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

যেখানে দেশের ৭১ শতাংশ মানুষ পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চায়, সেখানে নির্বাচন ব্যবস্থায় পিআর পদ্ধতি চালু করতে গড়িমসি কেন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, সরকার সংসদের উচ্চকক্ষে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের বিধান অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিলেও কার স্বার্থে সংসদের নিম্নকক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু করতে আপত্তি করছে।

তিনি আরও বলেন, যারা ঈদের পরে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়ে আর আন্দোলনের মাঠে আসেনি, তাদের রাজনৈতিক শক্তি জনগণের জানা আছে। একটা বালুর ট্রাক সরাতে না পারা দল গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী লম্বা লম্বা কথা বলে। জুলাই আন্দোলন চলাকালীন যেই দলের মহাসচিব মিডিয়ার সামনে বলেছেন, ছাত্রদের আন্দোলনের সঙ্গে তার দলের কেউ জড়িত নয়, আন্দোলন পরবর্তী তারা নিজের গণঅভ্যুত্থানের মাস্টার মাইন্ড দাবি করা শুরু করল।

ইদানীং জুলাই যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জাতি নতুন বাংলাদেশ পেয়েছে সেই জুলাইকে প্রশ্নবিদ্ধ করার ষড়যন্ত্র চলছে। জুলাই নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র করা হলে জুলাই বারবার ফিরে আসবে বলে তিনি হুঁশিয়ার দেন। আগামী নির্বাচনে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও পাথর দিয়ে মানুষ হত্যাকারীদের ৩৫ শতাংশ তরুণ ভোটের মাধ্যমে বয়কট করবে বলে মন্তব্য করেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল।

পল্টন থানা আমির শাহীন আহমেদ খানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন ঢাকা দক্ষিণ জামায়াতের নায়েবে আমির ড. হেলাল উদ্দিন, পল্টন থানা সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

কালবেলা/এমএ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

হাসপাতালের পার্কিং না থাকলে কঠোর ব্যবস্থা: সিডিএ চেয়ারম্যান

দাবির প্রেক্ষিতে নয়, দায়িত্ববোধ থেকেই উন্নয়ন করছি: সিসিক প্রশাসক

বাড়ছে করতোয়ার পানি, আতঙ্কে আশ্রয়ণের শতাধিক পরিবার

একাধিকবার প্রবেশের সুযোগ দিয়ে ১ বছরের ওমরাহ ভিসা চালু করল সৌদি আরব

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ঢাবি শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি মওকুফ

আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আছি এবং একসঙ্গেই থাকব: প্রধানমন্ত্রী

ডিবির হাতে গ্রেপ্তার ভাইরাল সেই রুনা 

ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল, কারণ খুঁজতে মাঠে বিশেষজ্ঞ দল

বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে দেশে ফিরল স্পেন, মাদ্রিদে লাখো মানুষের ঢল

ইউক্রেনে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা, ৪ ভারতীয় নাবিক নিহত

১০

রক্ত, আতঙ্ক আর দীর্ঘশ্বাসে লেখা ২১ জুলাই: যে দিন সাভারের আকাশ ভারী হয়েছিল কান্নায়

১১

সংশোধন নয়, সংস্কারের মধ্যে দিয়ে নতুন সংবিধানের কথা বলেছিলাম আমরা : আখতার হোসেন 

১২

নিবন্ধন পেল বাংলা পোস্ট

১৩

স্বৈরাচার বিতাড়িত হওয়ার পর ‘গুপ্তবাহিনী’ ধীরে ধীরে আত্মপ্রকাশ করে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণ জানাল তিতাস

১৫

ডেঙ্গুর আর্থিক ক্ষতি বছরে ৫ হাজার কোটি টাকা: ডা. মোসলেহ উদ্দীন

১৬

বাজার থেকে আরও ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ

১৭

ইসলামোফোবিয়া প্রতিরোধে অস্ট্রেলিয়া সরকারের উদ্যোগ

১৮

ফাইনালে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের ৫ কারণ 

১৯

কারখানায় বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও ২ শ্রমিকের মৃত্যু

২০
X