কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১১ অক্টোবর ২০২৫, ০৪:৪৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই : মির্জা ফখরুল

বক্তব্য রাখছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি : সংগৃহীত
বক্তব্য রাখছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি : সংগৃহীত

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচন ছাড়া কোনো বিকল্প পথ নেই বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, কয়েকজন মিলে আইন করলে গণতন্ত্র হয় না।

শুক্রবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফেরার সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং সেই পথ শুধু সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমেই সম্ভব। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার অন্য কোনো পথ নেই।

তিনি বলেন, সংস্কার কিংবা বুদ্ধিজীবীদের নানা কৌশল যথেষ্ট নয়— যতক্ষণ পর্যন্ত জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার গঠন না হবে, ততক্ষণ গণতন্ত্র ফিরবে না। বাংলাদেশের জনগণকে তিনি স্বাধীনতাপ্রেমী ও গণতন্ত্রকামী বলেও উল্লেখ করে বলেন, এই জাতি বহুবার লড়াই-সংগ্রামে জয়ী হয়েছে। যদিও বারবার বাধার মুখে পড়েছে, তবুও বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমালোচনা করে তিনি বলেন, শুধু ‘হাসিনা’ বললে তাকে সম্মান দেওয়া হয়ে যায়। আসলে তিনি একজন দানব। বিচার ব্যবস্থা, প্রশাসন, নির্বাচন, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা— সবকিছু তছনছ করে ফেলেছেন।

জুলাই মাসের আন্দোলন নিয়ে কিছু সংগঠনের দাবির প্রতি ইঙ্গিত করে মির্জা ফখরুল বলেন, গণতন্ত্রের জন্য দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে এসেছে বিএনপি। তাই কেউ কেউ এই আন্দোলনকে নিজেদের বলে দাবি করলেও বাস্তবে সেই ইতিহাস বিএনপির।

এনসিপিকে শাপলা মার্কা না দিলে ধানের শীষ বাতিল করতে হবে— দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর এমন বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, আমরা তো আপনাদের মার্কায় বাধা দিইনি। কোন প্রতীক কে পাবে, তা নির্ধারণ করবে নির্বাচন কমিশন। ধানের শীষ নিয়ে এত টানাটানি কেন? কারণ ধানের শীষ এখন অপ্রতিরোধ্য— দেশজুড়ে এই প্রতীকের পক্ষে স্লোগান উঠেছে।

তিনি আরও দাবি করেন, ধানের শীষ প্রতীকে বাধা দেওয়ার চক্রান্ত চলছে। কিন্তু ধানের শীষ জিতে গেলে যারা বাংলাদেশ নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে, তাদের এখান থেকে চলে যেতে হবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাজার সংস্কারে কঠিন পথ পাড়ি দিতে হবে : বিএসইসি চেয়ারম্যান

নেসলে বাংলাদেশ পরিদর্শনে সুইজারল্যান্ড পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদল

নেসকো ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন

ঢাকাকে আর বাসযোগ্য মনে হয় না মির্জা ফখরুলের

মীমাংসিত জমি ফের দখলের চেষ্টা, সাংবাদিকের পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি

বিরিয়ানির বিনিময়ে বিক্রি হচ্ছে বিবেক, শিক্ষার্থীদের নিয়ে রাশেদ খাঁনের ক্ষোভ

শূন্যরেখায় থাকা ২৮ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ

মার্কিন হামলার জবাবে ‘শত্রু ঘাঁটিতে’ আঘাত ইরানের

রাজধানীতে গ্যাস লিকেজের আগুনে পুড়ল তিনজন, আশঙ্কাজনক দুই

কুয়েত ও বাহরাইনের দিকে ৭টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান : যুক্তরাষ্ট্র

১০

আ.লীগের চুরি ও পাচারের কারণেই বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে চাপ : তথ্যমন্ত্রী

১১

মাছবাহী পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ২

১২

ঢাকার সড়কে যাত্রীবাহী বাস উল্টে প্রাণ গেল হেলপারের

১৩

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে আরও কোটি মানুষ খাদ্য সংকটে পড়তে পারে : জাতিসংঘ

১৪

যাত্রীবাহী বাসের পেছনে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২

১৫

৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারে দাম বাড়বে না : তথ্য উপদেষ্টা

১৬

সুপ্রিম কোর্ট ও অ্যাটর্নি জেনারেলের বিভিন্ন শাখা শনিবার খোলা 

১৭

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট

১৮

তেল-গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ও সীমান্তে পুশইনের প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভের ডাক

১৯

শান্তিরক্ষায় আত্মত্যাগের স্বীকৃতি, জাতিসংঘ পদকে ভূষিত ৬ বাংলাদেশি

২০
X