

ঢাকা-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন বলছেন, ১৯৯১ সালে বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় আসে। তার পরই তৎকালীন ঢাকা-৪ এর সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া আমাদের এই এলাকা গ্রাম থেকে শহরে রূপান্তরের পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেন। আমি আমার বাবার মতো কাজ করতে করতে মৃত্যবরণ করতে চাই।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি)) রাতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কদমতলী থানাধীন ৬০নং ওয়ার্ড বিএনপির নুরপুর ১ও ২ নং ইউনিটের আয়োজনে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভায় স্মৃতিচারণকালে তিনি একথা বলেন।
রবিন বলেন, ডেমরাতে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুয়েত-মৈত্রীর মাধ্যমে ব্রিজ করেন। আমি নিজে উপস্থিত ছিলাম। এই এলাকার যত রাস্তা, পানির পাম্প, গ্যাস লাইন তার সবকিছুই ১৯৯১-২০০৬ সালের মধ্যে স্থাপিত। আমি এলাকার অনেক মুরুব্বির সঙ্গে কথা বলেছি ২০০৬ এর পরে নতুন করে কোনো স্থাপনা হয়নি।
তিনি বলেন, শনির আখড়া আন্ডারপাস না হলে আমাদের চলাচলে কত সমস্যা হতো তা আপনারা ভালো জানেন। মা-বোনদের চিকিৎসার জন্য মাতুয়াইল মা ও শিশু হাসপাতালে স্থাপন করেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ঋণ আমরা কখনো শোধ করতে পারব না, বিশেষ করে এই এলাকাবাসী। এখানে অনেকেই আছে যারা খালেদা জিয়ার কর্মের কথা অনেক বেশি জানেন এবং নিজেরাই সেই কর্মকাণ্ড সফল করেছেন।
রবিন বলেন, আমি শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে বলছি, আমার এলাকায় আমার দলের কেউ যদি কখনো চাঁদা নেয় বা কোন অপরাধ করে, আমি নিজে ঘাড় ধরে তাকে পুলিশে দেবো।
এ সময় দোয়া মাহফিলে বক্তব্য দেন জুলাই যোদ্ধা ইয়াসিন ও রাকিব। দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও ঢাকা-৪ আসনের বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা এবং সভাপতিত্ব করেন হাজী ইউসুফ আলী ভূঁইয়া। মাহফিলে দোয়া পরিচালনা করেন বাইতুন নূর জামে মসজিদের ইমাম মুফতি মোহাম্মদ রেদওয়ান উল্লাহ।
মন্তব্য করুন