

ঢাকা-১৮ আসনে ১০ দলীয় জোটের পক্ষে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী ও দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলামের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে এনসিপি।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর খিলক্ষেত থানার ডুমনি নূরপাড়া এলাকায় একটি এতিমখানা পরিদর্শন ও গণসংযোগ চলাকালে স্থানীয় বিএনপি নেতা দিদার মোল্লার নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী এই হামলা চালায়। এতে জোটের অন্তত দুইজন কর্মী গুরুতর আহত হন।
এনসিপির বিবৃতিতে বলা হয়, ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। তার নেতাকর্মীরা নিয়মিত বিভিন্নভাবে জোটের কর্মীদের নির্বাচনী প্রচারণার সময় বাধা প্রদান করে আসছে। গত দুইদিনে বিএনপির নেতাকর্মীরা আবদুল্লাহপুরে একজন জামায়াত কর্মীর উপর হামলা করে গুরুতরভাবে আহত করা, খিলক্ষেত বরুয়া এলাকায় নির্বাচনী অফিস উদ্বোধনের সময় মব সৃষ্টি করে বাধা প্রদান, তুরাগের বামনারটেকে নির্বাচনী অফিসের ব্যানার ছিড়ে ফেলা, নিকুঞ্জতে নানাভাবে মহিলা জামায়াত কর্মীদেরকে হুমকি প্রদানসহ নির্বাচনী কার্যক্রমে ব্যাঘাত সৃষ্টি করেছে। বিষয়টি নিয়ে এস এম জাহাঙ্গীরের সাথে যোগাযোগ করা হলেতিনি এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলে আশ্বাস দেন। অথচ তার পরদিনই এই ন্যাক্কারজনক হামলা সংঘটিত হলো।
৫ আগস্ট থেকে অবাধ্য দলীয় কোন্দল, চাঁদাবাজি ও সম্পত্তি দখলকে কেন্দ্র করে বিএনপির অবাধ্য সন্ত্রাসীদের হাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, দলীয় কর্মী, সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ী খুন হওয়ার ঘটনা ঘটছে। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দলটির সন্ত্রাসীদের দ্বারা একজন এমপি প্রার্থীর ওপর এমন ন্যক্কারজনক হামলায় দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে জনমনে গভীর উদ্বেগ ও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এনসিপি মনে করে, নির্বাচনী মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে সহিংসতায় রূপ দেওয়া গণতন্ত্র ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য মারাত্মক হুমকি। আমরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানাই।
এনসিপি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, সহিংসতা ও সন্ত্রাসের রাজনীতির বিরুদ্ধে ভোটের মাধ্যমেই বাংলাদেশের জনগণ এর সমুচিত জবাব দেবে।
মন্তব্য করুন