কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৬:৩১ পিএম
আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৬:৩৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

অগ্নি-সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করতে ৭ তারিখ ভোটকেন্দ্রে আসুন : নাছিম

রোববার নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন ঢাকা ৮ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। ছবি : কালবেলা
রোববার নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন ঢাকা ৮ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। ছবি : কালবেলা

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা ৮ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত বিভিন্ন কর্মসূচির নামে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে মানুষ হত্যা করছে। এরা কখনো দেশের মানুষদের নিয়ে ভাবে না। এরা এখনও দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র নিয়ে ব্যস্ত আছে। এদের প্রতিহত করতে হলে ৭ তারিখ সকলেই ভোটকেন্দ্রে আসুন। দেশের মানুষের ভোট ও সমর্থনের মাধ্যমে এদের আমরা প্রতিহত করব।

রোববার (৩১ ডিসেম্বর) রাজধানীর হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে সর্বস্তরের শিক্ষক চিকিৎসক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমাদের কোনো শত্রু নেই। আমরা কারও সাথে শত্রুতাও করতে চাই না। আমরা আমাদের শিক্ষা সংস্কৃতি ঐতিহ্যের ওপর ভিত্তি করে এগিয়ে যাব। আমাদের আগানোর পথে কারা বাধা দিবে তাদের চিনে রাখতে হবে। তাদের অতীত কর্মকাণ্ড, নিকট অতীত কর্মকাণ্ড এবং এখন তারা কী চায় এগুলো জানতে হবে। তাদের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নাই। তাও তারা কেন নির্বাচন করতে চায় না সেটি তারাই ভালো জানে। আমরা নৌকায় ভোট চাই আর তারা বলে ভোট দিতে যাবেন না। এটি সংবিধান ও গণতান্ত্রিক অধিকার বিরোধী।

তিনি আরও বলেন, যারা স্বৈরাচার, সাম্প্রদায়িক শক্তি, যারা মানুষকে সম্মান করতে জানে না, দেশের মানুষের বিবেক বোধকে যারা জাগ্রত করতে পারে না, তাদের কেন মানুষ বিশ্বাস করবে ও আস্থা রাখবে। এদের তথাকথিত আন্দোলনকে মানুষ সমর্থন করে না। মিথ্যা ও অসত্যের পক্ষে দাঁড়ানো যায় না। সত্যের জয় অনিবার্য।

নাছিম বলেন, আমরা একটি সুন্দর বাংলাদেশ চাই। আমরা একটি সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে চাই। ভোটাররা ভোট দিবে সে ভোটে আমরা নির্বাচিত হতে চাই। আমাদের পর্যবেক্ষকের সার্টিফিকেটের দরকার নেই। দেশের জনগণ সুন্দর নির্বাচনের মাধ্যমে যাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে সেই নেতৃত্বে আসবে। এটি যে কোনো দলের হতে পারে। আমাদের অভিজ্ঞতা থাকতে কারোর থেকে ধার করা বুদ্ধির প্রয়োজন নেই।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা গত ১৫ বছর বাংলাদেশকে পাল্টে দিয়েছেন ও বদলে দিয়েছেন। এটি তিনি তার সাহসের জন্যই পেরেছেন। তিনি তার দৃঢ়তা ও সততার মাধ্যমে সব বাধাকে জয় করেছেন। দেশের মানুষকে স্বপ্ন দেখিয়েছেন এবং সেটি পূরণের পরিকল্পনা নিয়ে পূরণ করে দেখিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুকন্যাকে আমাদের সমর্থন করে পুনরায় নির্বাচিত করতে হবে। আমাদের তার চিন্তা, চেতনা, সততা দক্ষতা দেখে তাকে ভোট দিতে হবে। তিনি আমাদের বাতিঘর।

তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষের শান্তি, উন্নয়ন, অগ্রগতি শুধু দেশরত্ন শেখ হাসিনার দ্বারাই সম্ভব। তিনি তার যোগ্যতা ও সততা দিয়ে তা প্রমাণ করেছেন। তিনি আবার নির্বাচিত হলে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি অব্যাহত থাকবে। আমরা চাই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে। আমাদের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য একটাই আমরা বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চাই। আমাদের মর্যাদা যাতে বিশ্বে অক্ষুণ্ন থাকে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

রোববার (৩১ ডিসেম্বর) রাজধানীর হাবিবুল্লাহ কলেজের পেছনে ৪নং সার্কিট হাউস সোসাইটির ভোটারদের সাথে মতবিনিময় সভার মাধ্যমে তার গণসংযোগ শুরু করেন। পরে হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল সর্বস্তরের শিক্ষক চিকিৎসক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময়, বারডেম জেনারেল হাসপাতালে স্বাচিপ এবং সব এসোসিয়েশনের সাথে মতবিনিময়, ইস্টার্ন প্লাস মার্কেটের সামনে মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের পথ সভা ও গণসংযোগ, ১২ নং ওয়ার্ডের মালিবাগ মোড় এলাকা শুরু করে শেখ এস্কান্দারের বাড়ি এলাকায় গণসংযোগ, শান্তিবাগ উচ্চ বিদ্যালয়, মালিবাগ ইউনিট নির্বাচনী কার্যালয় হয়ে মারুফ মার্কেট এলাকায় গণসংযোগ করেন।

এদিন দুপুরে বাংলাদেশ আওয়ামী কর আইনজীবী লীগের সাথে মতবিনিময় সভা করেন। বিকেলে ১২ নং ওয়ার্ডের মৌচাক মার্কেট, আনারকলি মার্কেট এলাকায় গণসংযোগ, ফরচুন শপিংমল এলাকায় গণসংযোগ, সেঞ্চুরী কোয়াটার এলাকায় গণসংযোগ, ইস্কাটন গার্ডেন এলাকায় গণসংযোগ করেন। সন্ধ্যায় তিনি স্টার্ট বিজনেজ এসোসিয়েশন পরিষদের সাথে মতবিনিময় সভা, অপ্সরা,অন্তরা, অনন্যা, অগ্রণী সমিতি এপার্টমেন্টবাসীর সাথে মতবিনিময় সভা করেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঘটনাপ্রবাহ: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বন্ধুর বাড়ি বেড়াতে গিয়ে প্রাণ গেল ২ যুবকের

ইরানের সঙ্গে মার্কিন সমঝোতার পরও ইসরায়েলি হামলা, লেবাননে নিহত ১৬

‘অপবাদ’ একটি জঘন্যতম কবিরা গুনাহ 

পেনশন-অবসর সুবিধায় বড় পরিবর্তন : একাধিক সুবিধা বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন

৫ শিক্ষার্থীর জন্য ১৭ শিক্ষক-কর্মচারী

আগস্টে সারা দেশে শোডাউনের চিন্তা আ.লীগের, ২ ডজন কমিটি গঠন

ছুটির সকালে স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমলো কত?

অভিযানে গিয়ে গণপিটুনির শিকার তিন ডিবি সদস্য

ক্ষতিকর রং মিশিয়ে তৈরি হচ্ছিল শিশুখাদ্য

বিশ্বকাপে মহাকাব্যিক রাত, ড্রেসিংরুমে ছুটে গেলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী

১০

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ যুবকের

১১

সন্ধ্যার মধ্যে দেশের যেসব অঞ্চলে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা

১২

আটকে পড়া প্রবাসীদের সুখবর দিল আমিরাত

১৩

সমালোচকদের তীরে বিদ্ধ রোনালদোর পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন বোন

১৪

নিউইয়র্কের রাস্তায় ‘অচেনা’ পর্যটক বেশে বিশ্বকাপে ঝড় তোলা হালান্ড!

১৫

নাইজারের বৃহত্তম বিমানবন্দরে সশস্ত্র হামলা, নিহত ৩৫

১৬

বিএনপির ২৯ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে জামায়াতের মামলা

১৭

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংর্ঘষ, নিহত বেড়ে ৩

১৮

কোরিয়াকে হারিয়ে সবার আগে নকআউটে মেক্সিকো

১৯

বিশ্বকাপের পাওয়ার র‌্যাঙ্কিংয়ে আর্জেন্টিনার অবস্থান কত?

২০
X