কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ এপ্রিল ২০২৪, ০১:৪৬ পিএম
আপডেট : ০৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৩:০৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

দেশে দুর্ভিক্ষ সম্প্রসারিত হচ্ছে : রিজভী

নয়াপল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী। ছবি : কালবেলা
নয়াপল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী। ছবি : কালবেলা

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, অবৈধ সরকারের লুটপাটের অর্থনীতির কারণে দেশে দুর্ভিক্ষ ক্রমসম্প্রসারিত হচ্ছে। বাকস্বাধীনতা প্রয়োগের জন্য অনেক মানুষকে জুলুম ভোগ করতে হচ্ছে। সভা-সমাবেশ-মিছিল করার অধিকার আওয়ামী লীগ এখন এককভাবে ভোগ করছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের ঐতিহ্য হচ্ছে ক্ষমতায় এসেই গণতন্ত্রের লাশ ফেলে দেওয়া। অত্যাচার, লুটতরাজ সর্বক্ষেত্রেই বিদ্যমান। এরা ক্ষমতাসীন হয়ে রাষ্ট্রশক্তিকে ব্যবহার করে বিএনপিসহ গণতন্ত্রকামী মানুষের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মিথ্যা ও গায়েবি মামলা, হামলা, জেল, জুলুম ও দুঃশাসন চালিয়ে আসছে।

রোববার (৭ এপ্রিল) দুপুরে বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রের মূল নীতিকে সমাধিস্থ করে এক সর্বগ্রাসী অত্যাচারী রাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে মানুষের মনে ঈদের কোনো আনন্দ নেই। বিশেষ করে মধ্যম ও স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য এবারের ঈদ সবচেয়ে নিরানন্দ ও বেদনাদায়ক।

তিনি বলেন, জবরদস্তিমূলক ক্ষমতা ধরে রেখে আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী গত প্রায় ১৬ বছরে দেড় লাখের বেশি হয়রানিমূলক মিথ্যা ও গায়েবি মামলায় বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানসহ প্রায় ৫০ লাখের অধিক নেতাকর্মীকে আসামি করেছে। রাজনৈতিক আচরণের রীতি ও শালীনতাকে উপেক্ষা করে প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে সাবেক চারবারের প্রধানমন্ত্রীকে আদালতের মাধ্যমে সাজা দিয়েছে, এখনো তিনি মুক্ত নন।

বিএনপির এই নেতা বলেন, ডামি নির্বাচনের পর অনেককে জামিন দিলেও আবারও নতুন নতুন মামলায় কারাগারে নিক্ষেপ করা হচ্ছে। তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত কেউই এই গায়েবি মামলা ও সরকারি নির্যাতন—নিপীড়ন থেকে রেহাই পায়নি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. শাহিদা রফিক, তাহসিনা রুশদির লোনা, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, সহ দফতর মো. মুনির হোসেন, নির্বাহী কমিটির সদস্য তারিকুল আলম তেনজিং প্রমুখ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচনের আগেই হাদি হত্যার বিচার চান শিক্ষার্থীরা

সাবেক ডিআইজি মিলন দম্পতির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিয়ের দাওয়াত নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, সাবেক ইউপি সদস্য নিহত

পার্লামেন্টে ইরানের সব কূটনীতিককে নিষিদ্ধ করল ইইউ

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে পুলিশে দিল জনতা

ভারতকে নিরাপদ বলছে আইসিসি, মানছে না বাংলাদেশ

সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করতে অপরাধীদের তথ্য দেওয়ার আহ্বান সাতক্ষীরার পুলিশ সুপারের

পেছনের দরজা দিয়ে গণতন্ত্র ধ্বংসের ষড়যন্ত্র এখনো চলছে : ডা. রফিক

বিএনপির প্রার্থীকে শোকজ

রাবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার মামলা

১০

এবার রাজপথে নামলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

১১

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের গ্রেপ্তারের খবর নিয়ে যা জানা গেল

১২

কত আসনে লড়বে এনসিপি, জানালেন আসিফ

১৩

বিএনপিতে যোগ দিলেন জাপা-এনসিপির ৫ শতাধিক নেতাকর্মী

১৪

পুলিশ সদস্যকে ‘ছুরি’ দেখিয়ে ২ লাখ টাকা ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৪

১৫

ইসলামপন্থিদের ভোট এক বাক্সে আনার পরিকল্পনা কার, যা বলছেন মুফতি ফয়জুল করীম

১৬

সব রেকর্ড ভেঙে স্বর্ণের দামে ইতিহাস, ভরি কত?

১৭

ঢাকায় পৌঁছালেন বাংলাদেশের নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন

১৮

ইউরোপ থেকে বড় দুঃসংবাদ পেল ইরান

১৯

স্বতন্ত্র প্রার্থীর অনুষ্ঠানে হামলা, খাবার লুট

২০
X