কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:৩৪ এএম
অনলাইন সংস্করণ

আলোচনা না যুদ্ধবিরতি? কোন পথে যাচ্ছে সুদান

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

সুদানের ক্ষমতাসীন ট্রানজিশনাল সার্বভৌম পরিষদের (টিএসসি) এক শীর্ষ কর্মকর্তা দেশটির আধাসামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা বা যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন। খবর আল জাজিরা।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সংস্কৃতি, তথ্য ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে টিএসসির উপপ্রধান মালিক আগার আইয়ির বলেন, দখলদার শক্তির সঙ্গে কোনো সমঝোতা বা আলোচনা হতে পারে না। সুদানের জনগণ ও সরকারের রূপরেখা অনুযায়ীই ন্যায্য শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে।

পূর্বাঞ্চলীয় শহর পোর্ট সুদানে মন্ত্রী ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেন, এই যুদ্ধ ‘গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার’ জন্য নয়; বরং এটি সম্পদ দখল ও দেশের জনসংখ্যার কাঠামো পরিবর্তনের চেষ্টা। একই সঙ্গে তিনি জাতীয় ঐক্য জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন।

এদিকে সুদানের প্রধানমন্ত্রী কামিল ইদ্রিস জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে প্রায় তিন বছর ধরে চলা যুদ্ধ বন্ধে একটি পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছেন। ওই পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, আরএসএফকে পশ্চিম ও মধ্য সুদানের দখলকৃত এলাকা ছাড়তে হবে, অস্ত্র জমা দিয়ে ক্যাম্পে যেতে হবে এবং যুদ্ধাপরাধে জড়িত নন—এমন সদস্যদের সমাজে পুনর্বাসন করা হবে।

তবে আরএসএফ এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। বাহিনীর প্রধান উপদেষ্টা আল-বাশা তিবিক একে ‘রাজনীতির চেয়ে কল্পনার কাছাকাছি’ বলে মন্তব্য করেন।

এদিকে চলমান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থাগুলোর অভিযোগ, বিশেষ করে দারফুর অঞ্চলে আরএসএফের বিরুদ্ধে গণহত্যা, পরিকল্পিত যৌন সহিংসতা এবং প্রমাণ লোপাটের জন্য লাশ পোড়ানোর মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে।

অক্টোবরে উত্তর দারফুরের রাজধানী এল-ফাশের দখলের পর মানবিক পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়েছে। বৃহস্পতিবার আরএসএফ দাবি করেছে, তারা উত্তর দারফুরের আবু কুমরা অঞ্চল এবং উম বুরু এলাকাও নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। পাশাপাশি উত্তর কর্দোফানের গুরুত্বপূর্ণ শহর এল-ওবেইদের দিকে অগ্রসর হওয়ার কথাও জানিয়েছে বাহিনীটি।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আরএসএফ বলছে, বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা দেওয়াই তাদের প্রধান লক্ষ্য।

কালবেলা/পিআর
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গাজীপুরে ৫৪টি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার

আবেগঘন পোস্টে ভক্তদের যে বার্তা দিলেন মেসি

সড়কে হাঁটু পানি, কচুগাছ লাগিয়ে প্রতিবাদ স্থানীয়দের

অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি, নগদ টাকা-স্বর্ণালংকার লুট

হাসপাতালের পার্কিং না থাকলে কঠোর ব্যবস্থা: সিডিএ চেয়ারম্যান

দাবির প্রেক্ষিতে নয়, দায়িত্ববোধ থেকেই উন্নয়ন করছি: সিসিক প্রশাসক

বাড়ছে করতোয়ার পানি, আতঙ্কে আশ্রয়ণের শতাধিক পরিবার

একাধিকবার প্রবেশের সুযোগ দিয়ে ১ বছরের ওমরাহ ভিসা চালু করল সৌদি আরব

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ঢাবি শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি মওকুফ

আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আছি এবং একসঙ্গেই থাকব: প্রধানমন্ত্রী

১০

ডিবির হাতে গ্রেপ্তার ভাইরাল সেই রুনা 

১১

ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল, কারণ খুঁজতে মাঠে বিশেষজ্ঞ দল

১২

বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে দেশে ফিরল স্পেন, মাদ্রিদে লাখো মানুষের ঢল

১৩

ইউক্রেনে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা, ৪ ভারতীয় নাবিক নিহত

১৪

রক্ত, আতঙ্ক আর দীর্ঘশ্বাসে লেখা ২১ জুলাই: যে দিন সাভারের আকাশ ভারী হয়েছিল কান্নায়

১৫

সংশোধন নয়, সংস্কারের মধ্যে দিয়ে নতুন সংবিধানের কথা বলেছিলাম আমরা : আখতার হোসেন 

১৬

নিবন্ধন পেল বাংলা পোস্ট

১৭

স্বৈরাচার বিতাড়িত হওয়ার পর ‘গুপ্তবাহিনী’ ধীরে ধীরে আত্মপ্রকাশ করে: প্রধানমন্ত্রী

১৮

গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণ জানাল তিতাস

১৯

ডেঙ্গুর আর্থিক ক্ষতি বছরে ৫ হাজার কোটি টাকা: ডা. মোসলেহ উদ্দীন

২০
X