কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৩২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সীমান্তে আরেক শহরের পতন, বড় পরাজয়ের মুখে মিয়ানমারের জান্তা

মিয়ানমারে যুদ্ধরত সেনারা। ছবি : সংগৃহীত
মিয়ানমারে যুদ্ধরত সেনারা। ছবি : সংগৃহীত

বড় পরাজয়ের মুখে পড়েছে মিয়ানমারের জান্তা। দেশটিতে সীমান্তবর্তী একটি শহরের পতন হতে চলেছে। বিদ্রোহী গোষ্ঠীদের হাতে পতন হতে যাওয়া শহরটি মিয়ানমার-থাইল্যান্ড সীমান্তে অবস্থিত। শনিবার (৬ এপ্রিল) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তিন বছর আগে মিয়ানমারের জান্তা দেশটির ক্ষমতা দখল করে। এরপর এ শহরটি পতনের মধ্যে দিয়ে আরও একবার বড় পরাজয়ের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে তারা। পতনের মুখে পড়া শহরটি থাইল্যান্ডের সঙ্গে দেশটির পূর্ব সীমান্তবর্তী এলাকা। কারেন বিদ্রোহীদের আক্রমণের মুখে জান্তার সৈন্যদের শহরটি হাতছাড়া হয়েছে। অন্যান্য অভ্যুত্থানবিরোধী বাহিনীর মিত্র হিসেবে জাতিগত কারেন বিদ্রোহীরা জান্তার সঙ্গে লড়াই করে চলছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্য গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে কয়েক সপ্তাহ ধরে কারেন বিদ্রোহীরা হামলা চালিয়ে আসছে। শেষ পর্যন্ত সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ শহর মায়াওয়াদ্দির নিরাপত্তায় নিয়োজিত শত শত সেনা আত্মসমর্পণে রাজি হয়েছে।

মায়াওয়াদ্দি শহর দিয়ে থাইল্যান্ডের সঙ্গে মিয়ানমারের বেশিরভাগ স্থল বাণিজ্য হয়ে থাকে। শুক্রবার কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন ঘোষণা দিয়েছে যে মায়াওয়াদ্দি শহরের ১০ কিলোমিটার পশ্চিমে থাঙ্গানিনাংয়ে অবস্থিত সেনা ব্যাটালিয়ন আত্মসমর্পণে রাজি হয়েছে। তাদের প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন কারেন বিদ্রোহীরা।

কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। ভিডিওতে তাদের সেনাদের হস্তহত হওয়া ‍উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অস্ত্র প্রদর্শন করতে দেখা গেছে।

বিদ্রোহীদের কাছে শহরটির পতন জান্তার জন্য বড় পরাজয়। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে শান রাজ্যের চীন সীমান্তবর্তী বিপুল এলাকা এবং আরাকান রাজ্যের বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী অঞ্চল দখলে নিয়েছে বিদ্রোহীরা। চলমান সংঘাতে হাজারও সেনা এরই মধ্যে নিহত বা আত্মসমর্পণ করেছেন অথবা তারা বিরোধীর দলে যোগ দিয়েছেন। ফলে ঘাটতি পূরণে জান্তা প্রশাসন বাধ্যতামূলকভাবে সামরিক সেবা সাধারণ মানুষের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পে স্কেল নিয়ে নতুন যে তথ্য দিলেন অর্থ উপদেষ্টা

সেনা অভিযানে বিএনপি নেতা আটক, ‘হার্ট অ্যাটাকে’ মৃত্যু 

‘আ.লীগ করে ভুল বুঝতে পেরেছি’

ইরানে বিক্ষোভের পেছনে কারা, যা জানাল তুরস্ক

মোবাইল ফোন আমদানিতে বড় সুখবর দিল এনবিআর

ঢাকায় ফিরল বিপিএল, কবে–কখন কার খেলা—একনজরে সূচি

শীতে বেড়েছে চর্মরোগ, হাসপাতালে রোগীর চাপ 

আলোনসোকে বরখাস্ত করার পরও রিয়ালের সমস্যা সহজেই শেষ হচ্ছে না

অনৈতিকতার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স / মানিকগঞ্জের ঘটনায় কঠোর অবস্থানে আনসার ও ভিডিপি

কাভার্ডভ্যান চাপায় নিহত ৩

১০

পুরো দলকে বোনাস, তিন পারফরমারকে রাজশাহীর বিশেষ পুরস্কার

১১

ভুল রক্তে মায়ের মৃত্যু, জন্মের ৪ দিনেই এতিম শিশু

১২

জেনে রাখুন স্ট্রোকের লক্ষণ ও উপসর্গ

১৩

শৈত্যপ্রবাহ, তাপমাত্রা ও কুয়াশা নিয়ে নতুন তথ্য দিল আবহাওয়া অফিস

১৪

আবারও কি শিরোপাহীন মৌসুম কাটানোর পথে রোনালদোর আল নাসর?

১৫

গৃহবধূকে ধর্ষণ, ২ আনসার সদস্যের বিষয়ে যা বলল পুলিশ

১৬

আগামী নির্বাচনের মাধ্যমেই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হবে : প্রধান উপদেষ্টা

১৭

আলিয়া ‘সুযোগসন্ধানী’, সমর্থন দিলেন অনন্যা

১৮

মানি চেঞ্জারদের লাইসেন্স নবায়ন ফি বাড়িয়ে নতুন নির্দেশনা

১৯

রেস্তোরাঁ বন্ধের হুঁশিয়ারি

২০
X