ক্রমেই সামরিক সক্ষমতা বাড়াচ্ছে ভারত। চীন ও পাকিস্তানকে মোকাবিলায় সীমান্তে যুদ্ধবিমান পাঠানোর পর এবার ড্রোন মোতায়েন করছে ভারত। দেশটির সর্বাধুনিক প্রযুক্তির হিরন মার্ক-২ সিরিজের নজরদারিতে সক্ষম এমন ড্রোন মোতায়েন করা হয়েছে। খবর এনডিটিভির।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় বিমান বাহিনী এবার সীমান্তে ড্রোন মোতায়েন করেছে। উন্নত প্রযুক্তির এ ড্রোন যে কোনো লক্ষ্যে আক্রমণ ও নজরদারি চালাতে পারে। এ ড্রোন চীন ও পাকিস্তান সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে।
এএনআইয়ের বরাতে এনডিটিভি জানিয়েছে, সীমান্তে নজরদারি চালাতে সক্ষম এমন হিরন মার্ক-২ সিরিজের চারটি ড্রোন মোতায়েন করা হয়েছে। এগুলো দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য অস্ত্র মোকাবিলায় সক্ষম। এগুলো উত্তরাঞ্চলের একটি বিমানঘাঁটিতে মোতায়েন রাখা হয়েছে।
সর্বাধুনিক প্রযুক্তির এ ড্রোন স্যাটেলাইটের মাধ্যমে যে কোনো দূরত্ব থেকে ভারতীয় বিমান বাহিনীর সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে। এটি একটানা ৩৬ ঘণ্টা অপারেশন চালাতে পারে এবং আলোকরশ্মির মাধ্যমে দূরবর্তী লক্ষ্য নির্ধারণ ও নিজস্ব দূরপাল্লার অস্ত্র দিয়ে যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করতে পারে।
এর আগে সামরিক বাহিনীকে আধুনিকীকরণের অংশ হিসেবে কাশ্মীর ও লাদাখ সীমান্তে নতুন যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে ভারত। শ্রীনগরের বিমানঘাঁটিতে এ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়। ‘উন্নততর’ মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান চীন ও পাকিস্তানের হুমকি মোকাবিলায় মোতায়েন করা হয় বলে জানায় দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিটিভি।
ভারতীয় বিমনাবাহিনীর পাইলট স্কোয়াড্রন লিডার বিপুল শর্মা বলেন, ‘কৌশলগত অবস্থানের কারণে শ্রীনগর বিমানঘাঁটি থেকে যুদ্ধবিমানের সাহায্যে কাশ্মীর ও লাদাখ সীমান্তের ওপর নজরদারি করা যাবে। নতুন এসব যুদ্ধবিমানের মাধ্যমে আমরা দুই ফ্রন্টেই শত্রুর মোকাবিলা করতে পারব।’
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, আধুনিকীকরণের ফলে মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান এখন আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী ও নিখুঁত। রাশিয়ার প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি এসব যুদ্ধবিমানে মাঝ আকাশেই জ্বালানি সরবরাহ করা যায়। ভারতীয় বিমানবাহিনীর হাতে এখন এমন প্রযুক্তি রয়েছে। এ ছাড়া এসব যুদ্ধবিমান অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র বহন এবং বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
মন্তব্য করুন